ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র প্রশ্ন

জনাব মাহবুব একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি তার সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিজ নামে একটি জীবন বিমাপত্র গ্রহণ করেন। তিনি তার স্ত্রীকে বিমাপত্রের নমিনী করেন। ৪ বছর পর বিমাপত্রের কিস্তি প্রদান করতে তিনি ব্যর্থ হন। এখন তিনি কিস্তির টাকা ফেরত চান।

  1. ক)

    বোনাস কী?

    (1)
  2. খ)

    বার্ষিক বৃত্তি বলতে কী বোঝায় ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে জনাব মাহবুব কোন ধরনের বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে জনাব মাহবুবের স্ত্রীর কিস্তির টাকা ফেরতের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জীবন বিমা ব্যবসায় অর্জিত মুনাফার যে অংশ লাভসহ বিমাপত্র গ্রহীতাদের মাঝে বণ্টন করা হয়, তাকে বোনাস বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বার্ষিক বৃত্তি হলো এমন এক ধরনের চুক্তি, যার অধীনে বিমাকারী বিমাগ্রহীতার কাছ থেকে এককালীন বা নির্দিষ্ট কিস্তিতে অর্থ গ্রহণের পর একটি নির্দিষ্ট সময় থেকে বিমাগ্রহীতাকে আজীবন বা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত প্রতি বছর নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করে।

    সাধারণত অবসরে যাওয়া ব্যক্তিদের আর্থিক সুরক্ষা এবং বার্ধক্যে নিয়মিত আয়ের সংস্থান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বার্ষিক বৃত্তি পলিসি কেনা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জনাব মাহবুব সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে নিজ জীবনের ওপর 'সাধারণ মেয়াদি জীবন বিমাপত্র' (বা সন্তান প্রতিপালন/শিক্ষামূলক জীবন বিমাপত্র) গ্রহণ করেছেন।

    যে বিমাপত্রে পিতা বা অভিভাবক নিজের জীবনের ওপর একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য বিমা করেন যাতে মেয়াদের মধ্যে তার মৃত্যুতে কিংবা মেয়াদপূর্তিতে সন্তানদের ভবিষ্যৎ ভরণপোষণ বা শিক্ষার জন্য এককালীন অর্থ সংস্থান হয়, তাকে এ ধরনের বিমাপত্র বলা হয়।

    উদ্দীপকে সরকারি কর্মকর্তা জনাব মাহবুব সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিজের নামে জীবন বিমাপত্র গ্রহণ করেন এবং স্ত্রীকে নমিনী মনোনীত করেন। নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত প্রিমিয়াম দিয়ে পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এই ব্যবস্থাটি নির্দেশ করে যে তিনি মেয়াদি জীবন বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জনাব মাহবুবের স্ত্রীর কিস্তির টাকা দাবি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই; বরং আইনানুযায়ী জীবিতাবস্থায় কেবল জনাব মাহবুবই সমর্পণ মূল্য বা পরিশোধিত মূল্যের দাবি করতে পারেন।

    বিমাচুক্তিতে নমিনী হলেন এমন একজন ব্যক্তি, যাকে বিমাগ্রহীতা তার মৃত্যুর পর বিমাদাবির অর্থ গ্রহণের জন্য মনোনীত করেন। বিমাগ্রহীতা জীবিত থাকা অবস্থায় নমিনীর বিমাপত্রের ওপর কোনো প্রকার আর্থিক দাবি বা মালিকানাস্বত্ব থাকে না। তাছাড়া বিমা আইনানুযায়ী বিমাপত্র চালু রাখার পর পলিসি তামাদি হলে বা কিস্তি দেওয়া বন্ধ করলে জমাকৃত কিস্তির সমর্পণ মূল্য (Surrender Value) পাওয়ার নিয়ম থাকে।

    উদ্দীপকে জনাব মাহবুব ৪ বছর প্রিমিয়াম পরিশোধ করার পর কিস্তি দেওয়া বন্ধ করে দেন। যেহেতু তিনি জীবিত আছেন, সেহেতু বিমাপত্রের প্রকৃত মালিক তিনিই। ফলে কিস্তির বিপরীতে সমর্পণ মূল্য দাবি করার একমাত্র বৈধ অধিকার জনাব মাহবুবের রয়েছে। তার স্ত্রী শুধুই একজন নমিনী, তাই বিমাগ্রহীতার জীবদ্দশায় তার কিস্তির অর্থ ফেরত চাওয়ার কোনো আইনগত বা চুক্তিগত যৌক্তিকতা নেই।

    সুতরাং, জীবিতাবস্থায় জনাব মাহবুবের স্ত্রীর কিস্তির টাকা ফেরতের দাবিটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন