পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
রাফিন কানে শোনে না। তাই তাকে তিন বছর বয়সেই একটি বিশেষ স্কুলে ভর্তি করা হয়। স্কুলের শিক্ষকরা লক্ষ্য করলেন যে রাফিন ছবি আঁকায় খুবই আগ্রহী। দুই বছরের মধ্যেই সে দক্ষ অঙ্কন শিল্পী হয়ে ওঠে। সুন্দর ছবি আঁকার জন্য সে প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে পুরস্কারও লাভ করে। রাফিনের শিক্ষকরা তার বাবা-মায়ের সঙ্গে আলোচনা করে তাকে একটি আর্ট স্কুলে ভর্তি করে দেন।
- ক)(1)
HIV-এর পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
দুর্নীতি বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের রাফিন কোন ধরনের শিশু? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
রাফিনের প্রতি তার বাবা-মা ও স্কুল শিক্ষকদের গৃহীত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়— উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
HIV-এর পূর্ণরূপ হলো 'Human Immunodeficiency Virus'।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যক্তিগত স্বার্থ অর্জনের উদ্দেশ্যে নিজের অর্পিত ক্ষমতা, পদমর্যাদা বা দায়িত্বের অপব্যবহার করাকে দুর্নীতি বলে। ঘুষ গ্রহণ, স্বজনপ্রীতি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং অসদুপায় অবলম্বন দুর্নীতির অন্তর্ভুক্ত।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের রাফিন হলো একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) শিশু। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সে শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিশু।
যেসব শিশুর শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক বা ইন্দ্রিয়গত সীমাবদ্ধতা বা বৈকল্যের কারণে স্বাভাবিক শিশুদের মতো জীবনযাপন ও শিক্ষা গ্রহণে বিশেষ যত্ন, সহায়ক পরিবেশ বা প্রযুক্তির প্রয়োজন হয়, তাদেরকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু বলা হয়। উদ্দীপকে রাফিন কানে শোনে না, অর্থাৎ সে শ্রবণক্ষমতাহীন। এ ধরনের ইন্দ্রিয়গত সীমাবদ্ধতা থাকার কারণেই তাকে একটি বিশেষ স্কুলে ভর্তি করা হয়। সুতরাং, রাফিন একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিশু।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রাফিনের প্রতি তার বাবা-মা ও স্কুল শিক্ষকদের গৃহীত উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়— উক্তিটি যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।
একটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু সমাজে অবহেলিত হলে সে পরিবারের ও রাষ্ট্রের বোঝায় পরিণত হয়। কিন্তু উপযুক্ত পরিচর্যা, সহানুভূতি ও সুযোগ পেলে তারা তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে এবং দেশের সম্পদে রূপান্তরিত হতে পারে। উদ্দীপকে রাফিনের বাবা-মা তার শ্রবণপ্রতিবন্ধকতা দেখে তাকে অবহেলা করেননি; বরং তিন বছর বয়সেই তাকে একটি বিশেষ স্কুলে ভর্তি করান।
একইভাবে স্কুলের শিক্ষকরাও তার প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন। তারা রাফিনের ভেতরের ছবি আঁকার প্রতিভা চিহ্নিত করেন এবং তাকে উৎসাহিত করেন। শিক্ষকদের সঠিক নির্দেশনার ফলে মাত্র দুই বছরের মধ্যেই সে দক্ষ শিল্পী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার অর্জন করে। পরবর্তীতে শিক্ষকরা বাবা-মায়ের সাথে আলোচনা করে তাকে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য আর্ট স্কুলে ভর্তি করান। অভিভাবক ও শিক্ষকদের এই ইতিবাচক মনোভাব রাফিনের জীবনকে বদলে দেয়। তাই তাদের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয় ও অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও