পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে প্রজাতন্ত্রের জন্য যোগ্য প্রার্থীকে বাছাই করা হয়।
- ক)(1)
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদে কে নিয়োগ দেন?
- খ)(2)
ন্যায়পাল বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের সাথে তোমার পঠিত কোন প্রতিষ্ঠানের মিল খুঁজে পাও? উক্ত প্রতিষ্ঠানটির গঠন ব্যাখ্যা করে।
- ঘ)(4)
'দক্ষ ও সৎ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্ব অপরিসীম'- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor General) পদে মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ন্যায়পাল (Ombudsman) হলেন সরকার বা সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত এমন একজন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা, যিনি প্রশাসনিক বা সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করেন এবং প্রয়োজনীয় প্রতিকারের সুপারিশ করেন। এটি নাগরিকদের অধিকার রক্ষা এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যম।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির সাথে আমার পঠিত 'বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন' (Bangladesh Public Service Commission বা BPSC)-এর মিল রয়েছে।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই কমিশন গঠিত হয়। সংবিধানের ১৩৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি একজন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনধিক ১৫ জন সদস্য নিয়ে সরকারি কর্ম কমিশন গঠন করেন। কমিশনের সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যূন অর্ধেকের এমন ব্যক্তি হতে হবে যারা অন্তত ২০ বছর সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সভাপতি ও সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তাঁদের মেয়াদ দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে ৫ বছর বা বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া—যেটি আগে ঘটে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দক্ষ ও সৎ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (BPSC) গুরুত্ব অপরিসীম—উক্তিটি অত্যন্ত যথার্থ।
সরকারি কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন পদে উপযুক্ত, মেধাবী, দক্ষ ও সৎ প্রার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সুপারিশ করে থাকে। কমিশন মেধাভিত্তিক নিরপেক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দলীয়করণ বা স্বজনপ্রীতি রোধ করে সৎ ও যোগ্য জনবল প্রশাসনে অন্তর্ভুক্ত করে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, বদলি ও শৃঙ্কলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারকে নিরপেক্ষ পরামর্শ প্রদান করে। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত এই জনবলই মূলত রাষ্ট্রের নীতি বাস্তবায়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ফলে একটি স্বচ্ছ, গতিশীল, দক্ষ ও জনকল্যাণমুখী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলতে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান অনস্বীকার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও