সমাজকর্ম ২য় পত্র • সমাজকর্মের বিভিন্ন ক্ষেত্র • Combined Board • কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন

আরিফ সাহেব সমাজকর্ম বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে বর্তমানে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। সেই প্রতিষ্ঠানে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মালিকপক্ষের সাথে শ্রমিকরা আলোচনা করে। মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দাবি প্রত্যাখ্যান করে। এতে শ্রমিকরা ধর্মঘটে যায়। আরিফ দু'পক্ষের দ্বন্দ্ব নিরসনে ভূমিকা রাখে।

  1. ক)

    বাংলাদেশে প্রথম কত সালে চিকিৎসা সমাজকর্ম চালু হয়?

    (1)
  2. খ)

    বিদ্যালয় সমাজকর্ম কেন প্রয়োজন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের আরিফ সাহেব সমাজকর্মের কোন শাখার জ্ঞান প্রয়োগ করে দ্বন্দ্ব নিরসন করবেন? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের ইঙ্গিতকৃত শাখায় সমাজকর্মীর ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশে ১৯৫৮ সালে প্রথম চিকিৎসা সমাজকর্ম চালু হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নানাবিধ মানসিক, শারীরিক, পারিবারিক ও আচরণগত সমস্যা দূর করে বিদ্যালয়ের পরিবেশের সাথে তাদের সুষ্ঠু অভিযোজন ঘটাতে বিদ্যালয় সমাজকর্ম প্রয়োজন। এটি শিক্ষার্থীদের ড্রপ-আউট বা ঝরে পড়া রোধ করতে, মানসিক হতাশা কাটিয়ে তুলতে এবং তাদের শারীরিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে সহায়তা করে থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের আরিফ সাহেব সমাজকর্মের 'শিল্প সমাজকর্ম' (Industrial Social Work) শাখার জ্ঞান প্রয়োগ করে দ্বন্দ্ব নিরসন করবেন।

    শিল্প সমাজকর্ম হলো সমাজকর্মের এমন একটি বিশেষায়িত শাখা, যা শিল্প কারখানায় মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন, শ্রমকল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং শিল্পসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও বিরোধ সমাধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগ করে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, আরিফ সাহেব যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেখানে বেতন-ভাতা নিয়ে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয় এবং শ্রমিকরা ধর্মঘটে যায়। শিল্পক্ষেত্রে মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি, ন্যায্য দাবি আদায় ও কাজের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা শিল্প সমাজকর্মের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অতএব, আরিফ সাহেব শিল্প সমাজকর্মের জ্ঞান প্রয়োগ করে এই শিল্প বিরোধ ও দ্বন্দ্ব নিরসন করবেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত শাখাটি হলো 'শিল্প সমাজকর্ম'। শিল্প সমাজকর্মে একজন সমাজকর্মীর ভূমিকা অত্যন্ত ব্যাপক ও গুরুত্বপূর্ণ।

    শিল্প সমাজকর্মীর প্রধান ভূমিকাসমূহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
    ১. মধ্যস্থতাকারী হিসেবে: মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো বিরোধ বা দ্বন্দ্ব দেখা দিলে সমাজকর্মী নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী (Mediator) হিসেবে কাজ করেন এবং ফলপ্রসূ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান নিশ্চিত করেন।
    ২. মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সমন্বয় সাধন: শ্রমিকদের কর্মদক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনার ব্যবস্থা করা এবং প্রশাসন ও শ্রমিকদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করা সমাজকর্মীর কাজ।
    ৩. শ্রমকল্যাণ নিশ্চিতকরণ: শ্রমিকদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, ন্যায্য মজুরি, বাসস্থান এবং সন্তানদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে সমাজকর্মী পরামর্শ ও সেবা প্রদান করেন।
    ৪. মানসিক স্বাস্থ্য ও অভিযোজন সহায়তা: শিল্প পরিবেশের একঘেয়েমি, মানসিক চাপ ও পারিবারিক জটিলতা কাটিয়ে উঠতে শ্রমিকদের কাউন্সেলিং প্রদান করা সমাজকর্মীর দায়িত্ব।

    পরিশেষে বলা যায়, শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বজায় রাখা এবং মালিক-শ্রমিকের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করে শিল্পশান্তি প্রতিষ্ঠায় শিল্প সমাজকর্মীর ভূমিকা অপরিসীম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন