পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

পৃথিবীর অধিকাংশ রাষ্ট্রেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাংলাদেশে এটি দৃশ্যমান ও সাংবিধানিকভাবে তৈরি যার রয়েছে নিজস্ব সচিবালয়। উত্ত সংগঠনের সদস্যগণ দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি কর্তৃক নির্বাচিত।

  1. ক)

    রাজনৈতিক দল কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    'এক ব্যক্তি, এক ভোট' পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো ?

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির ক্ষমতা ও কার্যাবলি? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    রাজনৈতিক দল হলো একই রাজনৈতিক আদর্শ ও লক্ষ্যে বিশ্বাসী নাগরিকদের সংগঠিত গোষ্ঠী, যারা নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন বা তাতে অংশ নিয়ে নিজেদের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে চায়।

  2. খ)

    'এক ব্যক্তি, এক ভোট' পদ্ধতিতে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ভোটার কেবল একটি ভোট দিতে পারেন। ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ বা শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে সবার ভোটের মূল্য সমান। এ পদ্ধতিতে একজন ভোটার একই নির্বাচনে একাধিকবার ভোট দিতে পারেন না। এটি রাজনৈতিক সমতার নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

  3. গ)

    উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচন কমিশন।

    গঠন প্রক্রিয়া:
    ১. সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও আইনে নির্ধারিত সংখ্যক অন্যান্য কমিশনার নিয়ে গঠিত।
    ২. রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগ দেন। উদ্দীপকের 'দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি' বলতে রাষ্ট্রপতিকে বোঝানো হয়েছে।
    ৩. প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিত্ব করেন। তাঁদের চাকরির মেয়াদ ও শর্ত আইন দ্বারা নির্ধারিত হয়।
    ৪. কমিশনের কাজে সহায়তার জন্য নিজস্ব সচিবালয় রয়েছে।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন। সংবিধান অনুযায়ী এটি স্বাধীন সংস্থা এবং নির্বাচন পরিচালনায় এর ব্যাপক ক্ষমতা ও কার্যাবলি রয়েছে।

    ক্ষমতা:
    ১. সংবিধানের আলোকে নির্বাচন পরিচালনা এবং ভোটার তালিকা প্রণয়নের ক্ষমতা।
    ২. নির্বাচনি আচরণবিধি প্রণয়ন ও তা লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা।
    ৩. প্রয়োজনে নির্বাচন বাতিল বা স্থগিত করা এবং এ কাজে সরকারি কর্মচারীদের সহযোগিতা চাওয়া।

    কার্যাবলি:
    ১. রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনও পরিচালনা।
    ২. ভোটার তালিকা তৈরি ও হালনাগাদ করা এবং নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ।
    ৩. রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, ব্যালট পেপার ও ভোট গণনার ব্যবস্থা।
    ৪. নির্বাচনি বিরোধের নিষ্পত্তি ও ফলাফল ঘোষণা।

    সুতরাং, নির্বাচন কমিশনের এসব ক্ষমতা ও কার্যাবলি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করে গণতন্ত্র সুসংহত করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন