সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল বোর্ড ২০১৮
সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার যে প্রচেষ্টা চলছে সে প্রচেষ্টায় বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- ক)(1)
NGO'র পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
সামাজিক উন্নয়ন অর্থ মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত নোবেলজয়ী সংস্থা কোনটি? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার প্রচেষ্টায়। বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ"- তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
NGO-র পূর্ণরূপ হলো Non-Governmental Organization (বেসরকারি সংস্থা)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সামাজিক উন্নয়ন বলতে কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নয়, বরং সমাজের মানুষের সার্বিক জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তনকে বোঝায়। এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, পুষ্টি, নারী ক্ষমতায়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ন্যায়ভিত্তিক সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা ও কল্যাণ বৃদ্ধি করে। তাই সামাজিক উন্নয়ন অর্থ মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লেখিত নোবেলজয়ী সংস্থাটি হলো 'গ্রামীণ ব্যাংক'।
২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। উদ্দীপকে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে, যা গ্রামীণ ব্যাংককে নির্দেশ করে।
গ্রামীণ ব্যাংক জামানতহীন ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের দরিদ্র গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর, বিশেষ করে নারীদের আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নে ঐতিহাসিক অবদান রেখে আন্তর্জাতিকভাবে এই স্বীকৃতি অর্জন করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, "বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার প্রচেষ্টায় বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ"— আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণরূপে একমত।
উন্নয়নশীল দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক সূচকের উন্নয়ন অপরিহার্য। ব্র্যাক, আশা, গ্রামীণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন এনজিও বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুদ্রঋণ প্রদান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে।
তাছাড়া শিক্ষা বিস্তার, স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কর্মসূচি, স্যানিটেশন, পরিবার পরিকল্পনা, নারী উন্নয়ন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের পাশাপাশি এনজিওগুলোর অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তৃণমূল পর্যায়ের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করে তারা সার্বিক মানবসম্পদ উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে।
অতএব, একটি টেকসই মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের জন্য বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও