পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫

পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    আলোর অপবর্তন কি?

    (1)
  2. খ)

    বিপদ সংকেত বুঝাতে লাল আলো ব্যবহার করা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের আলোকে ব্যতিচার সজ্জায় উৎপন্ন কেন্দ্রীয় উজ্জ্বল ডোরা থেকে তৃতীয় উজ্জ্বল ডোরার মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় কর।

    (3)
  4. ঘ)

    P বিন্দুতে গঠনমূলক না ধ্বংসাত্মক ডোরা উৎপন্ন হবে? গাণিতিকভাবে মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো প্রতিবন্ধকের ধার ঘেঁষে বা সরু ছিদ্রের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় আলোর কিছুটা বেঁকে যাওয়ার ঘটনাকে আলোর অপবর্তন (Diffraction) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। র্যালের (Rayleigh) বিক্ষেপণ সূত্রানুসারে, আলোর বিক্ষেপণের তীব্রতা তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চতুর্থ ঘাতের ব্যস্তানুপাতিক (I∝1λ4I \propto \frac{1}{\lambda^4})।

    লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণা বা কুয়াশার দ্বারা এর বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম হয়। ফলে লাল আলো অনেক দূর থেকেও স্পষ্ট ও উজ্জ্বলভাবে চোখে পড়ে। এজন্য বিপদ সংকেত হিসেবে লাল আলো ব্যবহার করা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপক হতে পাই,
    আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, λ=600 nm=600×10−9 m=6×10−7 m\lambda = 600\text{ nm} = 600 \times 10^{-9}\text{ m} = 6 \times 10^{-7}\text{ m}
    চিড়দ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব, a=0.2 mm=0.2×10−3 ma = 0.2\text{ mm} = 0.2 \times 10^{-3}\text{ m}
    চিড় থেকে পর্দার দূরত্ব, D=1 mD = 1\text{ m}
    উজ্জ্বল ডোরার ক্রম, n=3n = 3

    আমরা জানি,
    কেন্দ্রীয় উজ্জ্বল ডোরা থেকে nn-তম উজ্জ্বল ডোরার দূরত্ব,
    xn=nλDax_n = \frac{n \lambda D}{a}

    অতএব, ৩য় উজ্জ্বল ডোরার ক্ষেত্রে:
    x3=3×6×10−7 m×1 m0.2×10−3 mx_3 = \frac{3 \times 6 \times 10^{-7}\text{ m} \times 1\text{ m}}{0.2 \times 10^{-3}\text{ m}}
    =9×10−3 m=9 mm= 9 \times 10^{-3}\text{ m} = 9\text{ mm}

    উত্তর: কেন্দ্রীয় উজ্জ্বল ডোরা থেকে তৃতীয় উজ্জ্বল ডোরার মধ্যবর্তী দূরত্ব 9 mm9\text{ mm} (বা 9×10−3 m9 \times 10^{-3}\text{ m})।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্রানুসারে,
    P বিন্দুতে আপতিত আলোক তরঙ্গদ্বয়ের মধ্যকার পথপার্থক্য,
    Δx=900 nm=900×10−9 m\Delta x = 900\text{ nm} = 900 \times 10^{-9}\text{ m}

    ব্যবহৃত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, λ=600 nm=600×10−9 m\lambda = 600\text{ nm} = 600 \times 10^{-9}\text{ m}

    এখন, পথপার্থক্য ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অনুপাত:
    Δxλ=900 nm600 nm=1.5=32\frac{\Delta x}{\lambda} = \frac{900\text{ nm}}{600\text{ nm}} = 1.5 = \frac{3}{2}
    ∴Δx=32λ=(2×1+1)λ2\therefore \Delta x = \frac{3}{2} \lambda = (2 \times 1 + 1)\frac{\lambda}{2}

    দেখা যাচ্ছে যে, P বিন্দুতে তরঙ্গদ্বয়ের পথপার্থক্য অর্ধ-তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (λ2\frac{\lambda}{2}) বিজোড় গুণিতক।

    আমরা জানি, কোনো বিন্দুতে ব্যতিচার সৃষ্টির ক্ষেত্রে আলোক তরঙ্গদ্বয়ের পথপার্থক্য যদি অর্ধ-তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিজোড় গুণিতক অর্থাৎ (2n+1)λ2(2n + 1)\frac{\lambda}{2} হয়, তবে সেখানে ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার বা অন্ধকার ডোরা সৃষ্টি হয়।

    অতএব, P বিন্দুতে ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার ডোরা (অন্ধকার ডোরা) উৎপন্ন হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন