উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯
উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র প্রশ্ন
বর্তমানে আমাদের দেশের শহরে দম্পতিদের মধ্যে দুজনেই চাকরি করে এমন দম্পত্তির সংখ্যা বাড়ছে। অনেকেই অফিস থেকে ফেরার পথে ডিপার্টমেন্ট স্টোর থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী কিনে থাকে। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন আবার দোকানে না গিয়েও অনলাইনে অর্ডার করে ঘরে বসেই যে কোনো পণ্য পাওয়া যায়।
- ক)(1)
প্রত্যক্ষ বিপণন কী?
- খ)(2)
অনলাইন বিপণন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
কোন ধরনের বিপণন কেনার কাজকে সহজ করে? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"অনলাইন শপিং কেনাকাটার পুরনো ধ্যান-ধারনা বদলে দিচ্ছে" - মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের সাহায্য ছাড়া সরাসরি নির্দিষ্ট বা চিহ্নিত ভোক্তার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে পণ্য বা সেবা বিক্রয় করার প্রক্রিয়াকে প্রত্যক্ষ বিপণন (Direct Marketing) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য বা সেবার প্রচার, বিপণন ও বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করাকে অনলাইন বিপণন বলে।
অনলাইন বিপণনে ক্রেতা ও বিক্রেতা সরাসরি মুখোমুখি না হয়ে কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। বিক্রেতারা তাদের পণ্য বা সেবার তালিকা, মূল্য ও বিবরণ ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরে এবং ক্রেতারা ঘরে বসেই পণ্যের অর্ডার দিতে পারে ও ডিজিটাল মাধ্যমে অথবা পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ করতে পারে। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের আলোকে অনলাইন বিপণন কেনার কাজকে সহজ করে।
অনলাইন বিপণনের মাধ্যমে ক্রেতারা কোনো দোকানে শারীরিকভাবে উপস্থিত না হয়ে ঘরে বসেই ইন্টারনেট সংযোগের সাহায্যে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত পণ্যের অর্ডার দিয়ে পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এতে ক্রেতার সময়, অর্থ ও শ্রমের সাশ্রয় হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, বর্তমান সময়ে শহুরে কর্মজীবী দম্পতিদের জন্য অফিস শেষ করে কেনাকাটা করা অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তাই দোকানে যাওয়ার ঝামেলা ছাড়াই তারা ইন্টারনেটে অর্ডার করে ঘরে বসেই নিত্যপ্রয়োজনীয় যে কোনো পণ্য পেয়ে যাচ্ছে। ইন্টারনেটভিত্তিক এই বিপণন বা অনলাইন বিপণন ব্যবস্থা ক্রেতাদের সময় বাঁচিয়ে ও ঝামেলাহীনভাবে পণ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করে তাদের ক্রয়ের কাজটিকে অনেক সহজ করে তুলেছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ, কারণ অনলাইন শপিং কেনাকাটার সনাতন পদ্ধতি ও প্রচলিত ধ্যান-ধারণায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
সনাতন বা ঐতিহ্যগত কেনাকাটায় ক্রেতাকে সশরীরে বাজারে বা দোকানে উপস্থিত হতে হতো, দরদাম করতে হতো এবং পণ্য বহন করে বাড়ি নিয়ে আসতে হতো। এর ফলে ক্রেতার বিপুল পরিমাণ সময় ও শ্রম ব্যয় হতো। কিন্তু আধুনিক অনলাইন শপিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসেই ইন্টারনেটের সাহায্যে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যের মান ও মূল্য তুলনা করে পছন্দমতো পণ্য অর্ডার করা সম্ভব হচ্ছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, শহুরে ব্যস্ত জীবনে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে চাকরিজীবী হওয়ায় তাদের কেনাকাটার জন্য পর্যাপ্ত সময় বের করা কঠিন। তারা পূর্বে অফিস থেকে ফেরার পথে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে গিয়ে কেনাকাটা করলেও এখন প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ঘরে বসেই অনলাইনে পণ্যের অর্ডার দিয়ে ডেলিভারি পাচ্ছেন। ফলে কেনাকাটার জন্য দীর্ঘ যানজট পেরিয়ে বাজারে যাওয়া বা দোকানে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা দূর হয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, অনলাইন শপিং ক্রেতাদের ২৪ ঘণ্টা কেনাকাটার সুযোগ, ক্যাশলেস পেমেন্ট এবং হোম ডেলিভারি সুবিধা প্রদান করে কেনাকাটার সনাতন প্রক্রিয়াকে রূপান্তরিত করেছে। তাই বলা যায়, অনলাইন শপিং কেনাকাটার পুরোনো ধ্যান-ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিচ্ছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও