সমাজকর্ম ১ম পত্র • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০১৫

সমাজকর্ম ১ম পত্র প্রশ্ন

প্রফেসর শহিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক ও চারজন বিজ্ঞ সদস্যকে অর্ন্তভুক্ত করে সরকার মাদকাসক্তদের জন্য করণীয় নির্ধারণের জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মতামত নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করেন ও সরকারের কাছে রিপোর্টটি জমা দেন।

  1. ক)

    বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত শিক্ষানীতি কখন প্রণীত হয় ?

    (1)
  2. খ)

    পরিকল্পনা বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে সামাজিক নীতি প্রণয়নের যেসব ধাপ বিবৃত হয়েছে তার বর্ণনা দাও।

    (3)
  4. ঘ)

    সামাজিক নীতি প্রণয়নে উদ্দীপকে বর্ণিত পদক্ষেপগুলো পর্যাপ্ত নয়'- যুক্তি দেখাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশে ২০১০ সালে বর্তমান জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণীত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পরিকল্পনা হলো কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের একটি সুশৃঙ্খল ও অগ্রিম রূপরেখা বা নকশা। অর্থাৎ ভবিষ্যতে কী করা হবে, কখন করা হবে, কীভাবে করা হবে এবং কার দ্বারা সম্পাদিত হবে—তা পূর্বেই সুচিন্তিতভাবে নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকেই পরিকল্পনা বলে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সামাজিক নীতি প্রণয়নের প্রাথমিক দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বিবৃত হয়েছে। এগুলো হলো—

    ১. কমিটি গঠন ও দায়িত্ব বণ্টন: নীতি প্রণয়নের প্রথম দিকে সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উপায় নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। উদ্দীপকে সরকার প্রফেসর শহিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে।

    ২. জনমত যাচাই ও তথ্য সংগ্রহ: নীতি প্রণয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো অংশীজন ও সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ। উদ্দীপকের কমিটি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছ থেকে মতামত ও সুপারিশ সংগ্রহ করেছে।

    ৩. প্রতিবেদন প্রণয়ন ও পেশ: সংগৃহীত তথ্য ও মতামতের ভিত্তিতে সুপারিশমালা তৈরি করে তা নীতি-নির্ধারণী কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করা। উদ্দীপকের কমিটি রিপোর্ট প্রস্তুত করে তা সরকারের কাছে জমা দিয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সামাজিক নীতি প্রণয়নে উদ্দীপকে বর্ণিত পদক্ষেপগুলো (কমিটি গঠন, মতামত গ্রহণ ও রিপোর্ট পেশ) গুরুত্বপূর্ণ হলেও নীতি প্রণয়নের পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়ার তুলনায় পর্যাপ্ত নয়।

    সামাজিক নীতি প্রণয়ন একটি দীর্ঘমেয়াদি, বহুমুখী ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। উদ্দীপকে শুধুমাত্র সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও খসড়া সুপারিশ পেশের অংশটি তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু একটি নীতি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য আরও বেশ কিছু অপরিহার্য ধাপ অতিক্রম করতে হয়:

    ১. নীতি বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন: পেশকৃত রিপোর্টের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবিক উপযোগিতা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
    ২. খসড়া নীতি প্রণয়ন ও মন্ত্রিসভায় অনুমোদন: বিশেষজ্ঞ রিপোর্টের আলোকে খসড়া নীতি তৈরি করে তা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করাতে হয়।
    ৩. আইনগত বৈধতা ও জাতীয় সংসদে পাস: অনেক সামাজিক নীতিকে আইনের রূপ দিতে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন ও পাস করতে হয়।
    ৪. সম্পদ ও অর্থ বরাদ্দ: নীতিটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক, মানবীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদের সংস্থান নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
    ৫. বাস্তবায়ন, পর্যবেক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন: নীতি মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের পর তা কার্যকর হচ্ছে কি না তার নিয়মিত মনিটরিং ও সময়োপযোগী সংশোধন দরকার।

    উদ্দীপকে কেবল প্রাথমিক তথ্য অনুসন্ধান ও রিপোর্ট পেশের কথা বলা হয়েছে; কিন্তু চূড়ান্ত অনুমোদন, আইনগত রূপ ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত পরবর্তী ধাপগুলো অনুপস্থিত থাকায় বর্ণিত পদক্ষেপগুলো নীতি প্রণয়নের জন্য এককভাবে পর্যাপ্ত নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন