Combined Board সমন্বিত বোর্ড ২০১৫

72টি প্রশ্ন

  1. 1.

    আফ্রিকা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। বৈচিত্র্যময় এই মহাদেশ প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। পাশাপাশি বিশাল জনগোষ্ঠীও আফ্রিকার সম্পদ। অনেক আগে থেকে আফ্রিকার সম্পদের ওপর বাইরের দেশের নজর ছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীতে এখানকার সম্পদের ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ইউরোপীয়দের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। আফ্রিকায় দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, পর্তুগালসহ ইউরোপীয় জাতিগুলোর প্রতিযোগিতার সমাপ্তি হয়।

  2. 2.

    সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে তিনি ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব করা। এই নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এই নীতি অনুসরণ করেছিলেন।

  3. 3.

    'ক' একটি বিশাল রাজ্য। এই রাজ্যের নিরাপত্তার জন্য শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ছিল। সামরিক বাহিনীতে বিভিন্ন অঞ্চলের, বিভিন্ন জাতির সৈনিকের সমাবেশ ছিল। এক সময় দেখা গেলো শাসক শ্রেণির জাতিভুক্ত সৈন্যদের আলাদাভাবে বেতন প্রদান করা হচ্ছে। এতে করে সৈন্যদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। তারা বেতন বৈষম্যের অবসান চেয়ে বিক্ষুব্ধ হয়। পারিপার্শ্বিক কিছু বিষয় সৈন্যদেরকে আন্দোলনের দিকে ঠেলে দেয়।

  4. 4.

    ১৯৯০ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধে ইরাক কুয়েত আক্রমণ করলে বিশ্বশান্তি বিঘ্নিত হয়। কুয়েত হতে হাজার হাজার শরণার্থী এ সময় পার্শ্ববর্তী দেশ তুরস্ক ও জর্ডানে আশ্রয় নেয়। পরবর্তীতে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ইরাক অস্ত্র বিরতিতে সম্মত হয়। তবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় প্রচুর ধনসম্পদ, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো।

  5. 5.

    'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।'

  6. 6.

    আরবের জাহেলিয়া যুগে নারীর কোনো সামাজিক মর্যাদা ছিল না। এ সময় কন্যাসন্তানের জন্ম ছিল অত্যন্ত লজ্জাজনক ব্যাপার। প্রধানত সামাজিক দিক থেকে লজ্জা এবং দারিদ্র্যের ভয়ে অনেকে। কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দিত। বনু কুরাইশ ও বনু তামিম গোত্রের লোকেরা কন্যাসন্তানকে হত্যা করে গর্বিত পিতার সম্মান অর্জন করত। অবশেষে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের পর সমাজে নারীর অবস্থার উন্নয়ন ঘটে এবং তাদের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়।

  7. 7.

    আলেকজান্ডার ৩২৭ খ্রি.পূর্বাব্দে ভারতে অভিযান চালান। এ অভিযান অনেক সহজ হয়ে যায় যখন তক্ষশিলার রাজা অম্ভি আলেকজান্ডারকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। নিজ ক্ষমতা রক্ষার আশায় অম্ভি ভারতবর্ষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন।

  8. 8.

    শুধু প্রশাসনিক অসুবিধার কথা বলে ক ও খ অঞ্চল ভাগ করা হলেও মূলত এর পিছনে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক নানাবিধ কারণ ছিল। একটি সম্প্রদায় এই বিভাজনকে সহজভাবে নিতে পারেনি। এমতাবস্থায় বর্তমান কালের বহুল প্রচারিত একটি স্লোগান 'স্বদেশি পণ্য কিনে হও ধন্য' এরূপ একটি প্রচারণাকে প্রাধান্য দিয়ে একটি আন্দোলন গড়ে ওঠে যা শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয় ।

  9. 9.

    বর্তমান বিশ্ববাসী শান্তি চায়। কোনো পরিস্থিতিতেই তারা যুদ্ধকে মেনে নিতে চায় না। কিন্তু ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে আমরা দেখেছি, ইসরায়েল একটি গৌণ বিষয়কে কেন্দ্র করে গাজাতে অমানবিক হামলা চালায়। এতে প্রায় কয়েক হাজার নিরস্ত্র, অসহায় ফিলিস্তিনি নারী, শিশু, পুরুষ নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করে। অনেক রক্তক্ষয়ের পর অবশ্য ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনের সাথে একটি চুক্তি করতে সম্মত হয়। বন্ধ হয় গণহত্যা।

  10. 10.

    শাকপুরা একটি কৃষিনির্ভর গ্রাম। সম্প্রতি সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ায় পাম্পের সাহায্যে জলসেচ ও যন্ত্রের মাধ্যমে মাড়াই করা হচ্ছে। ফলে অল্প সময়ে বেশি কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। গ্রামবাসীর পেশাতেও এসেছে আমূল পরিবর্তন। ফসল উৎপাদন ছাড়াও তারা বিপণনের কাজ করছে, যা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হচ্ছে।

  11. 11.

    ভারতে পরবর্তী বৈদিকযুগে সমাজে শ্রেণিভেদ প্রথা প্রকট আকার ধারণ করে। ব্রাহ্মণরা উঁচুশ্রেণিভূক্ত হওয়ায় অপর তিন শ্রেণিকে ঘৃণার চোখে দেখত। বিশেষত বৈশ্য ও শূদ্র শ্রেণির সঙ্গে তারা পারস্পরিক ও বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করত না। যদিও সমাজ বিনির্মাণে সকল শ্রেণির অবদান রয়েছে।

  12. 12.

    বিশ্বব্যাংক, জাইকা প্রভৃতি বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক সংস্থা। এদের প্রধান কাজ হলো বিশ্বের অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা দেওয়া। এই দেশগুলোতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হওয়ার পাশাপাশি কাজের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে উন্নত দেশগুলোও বিশ্বব্যাপী পণ্য রপ্তানীর সুযোগ পায়।

  13. 13.

    ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনকে বেগবান করতে তমদ্দুন মজলিসের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। বিভিন্ন প্রবন্ধ লেখার মাধ্যমে তারা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ধরে ভাষা আন্দোলনের মনস্তাত্ত্বিক পটভূমি সৃষ্টিতে তাদের অবদান অনস্বীকার্য, তবে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক শোষণ ও ভাষা আন্দোলনে পরোক্ষ ভূমিকা রেখেছিল ।

  14. 14.

    ষোড়শ শতাব্দীতে সংঘটিত ত্রিশ বর্ষব্যাপী যুদ্ধে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ জড়িয়ে পড়ে। রক্তক্ষয়ী এ যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানী ও সম্পদহানী ঘটে। বহুলোক পঙ্গুত্ব বরণ করে, অনেক শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। যুদ্ধ পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমও অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কোনো কোনো দেশ পুনর্বাসনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করে ।

  15. 15.

    গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির জন্য জমি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন । তাঁর উদ্দেশ্য সৎ হলেও ইজারাদাররা বেশি রাজস্ব আদায়ের জন্য কৃষকদের উপর নির্যাতন চালাত। হেস্টিংসের এই উদ্যোগ ব্যর্থ হলে কর্নওয়ালিশ চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারদের সাথে চুক্তি করেন। এতে জমিদারগণ ভূমির মালিক ও কৃষকরা রায়তে পরিণত হয় ।

  16. 16.

    গোলাপবাগ ইউনিয়নের দুটি গ্রামের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয় এতে দুটি গ্রামেরই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। শালিসে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একটি গ্রামকে দোষী করে ক্ষতিপূরণ আদায় করেন। কিন্তু শুধুমাত্র একটি গ্রামকে এই সংঘর্ষের জন্য দোষী করায় গ্রামের নেতা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিশোধ স্পৃহা জেগে উঠে ।

  17. 17.

    ১৯৮৫ সালে দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতামূলক সংস্থা সার্ক গঠিত হয়। দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের মধ্যে আঞ্চলিক সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তৈরি করা ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। একই সাথে প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছ হতে বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার সুযোগ পায়। তবে বড় দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের বৈরী সম্পর্কের কারণে অনেক সিদ্ধান্ত কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না। দু'দেশ অনেক ক্ষেত্রেই একমত হতে পারেনা ।

  18. 18.

    গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একাধিক দল ও মতের অংশগ্রহণ থাকে। বিরোধী দলের যৌক্তিক সমালোচনা, পরামর্শ নিয়ে সরকারি দল সুষ্ঠুভাবে দেশকে শাসন করতে পারে। শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে স্বৈর-শাসনের উদ্ভব হতে পারে। সেচ্ছাচারীভাবে তারা যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। ফলে যে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হতে পারে।

  19. 19.

    লালসালু উপন্যাসের নায়ক মজিদ লালসালুকে ঘিরে যে মিথ্যা মাজারটি তৈরি করেছে সেটা দিয়েই তার জীবন-জীবিকা নির্বাহ হয়। তার এ ব্যবসাকে নিরাপদ করার জন্য সে একদল ভক্ত শ্রেণিও তৈরি করে। এলাকার শিক্ষিত শ্রেণি যখন মজিদের এই মিথ্যার প্রতিরোধে সোচ্চার হয় তখন সে তার ভক্তদের নিয়ে প্রতিরোধকারীদের ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লাগে। ফলে উভয় পক্ষ প্রথম সরাসরি যে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়। তাতে শিক্ষিত শ্রেণিই জয়লাভ করে।

  20. 20.

    উসমানের প্রতিষ্ঠিত এশিয়া মাইনরের ছোট উসমানীয় শাসনকে সুলতান ২য় মুরাদ এক বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন তার সৌভাগ্য যে বেশ কিছু রণনিপুণ সেনাপতির কর্মক্ষমতা তিনি কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি তার সাম্রাজ্যকে ইউরোপ এশিয়া ও আফ্রিকায় বিস্তৃত করে সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্টা করেছিলেন। তবে তার এই রাজ্য বিজয়ে দেশের যেই স্থিতিশীলতা এবং অর্থের যে প্রয়োজন ছিল, তার ব্যবস্থা পূর্ববর্তী সম্রাট, তার পিতা রেখে গিয়েছিলেন।

  21. 21.

    পদ্মার ভাঙন কবলিত একদল লোক নদীর অপর পাড়ে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। ও পাড়ের উর্বর ভূমির আশ্রয় প্রদানকারীদের উঠতি নেতা জাহাঙ্গীরসহ প্রায় সকলে মিলে আশ্রিতদের সহযোগিতা করে। কেউ যাতে অসহযোগিতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে সেজন্য উভয় পক্ষ মিলে একটি সমঝোতা দলিলও স্বাক্ষর করে। নদীভাঙা আশ্রিতরা আশ্রয়দাতাদের সাথে মিলেমিশে তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এলাকাটিকে একটি আদর্শ বসতিতে রূপান্তর করে। কিন্তু এ অবস্থায় এলাকার নেতৃত্ব যোগ্যতার কারণে আশ্রিতদের হাতে চলে যাওয়ায় জাহাঙ্গীর তার কিছুসংখ্যক লোকজনসহ আশ্রিতদের উৎখাতে ষড়যন্ত্র করতে থাকে।

  22. 22.

    জাপানের রাজা হিরোহিতো যখন জনসমক্ষে আসেন তখন সবাই অবাক। তিনি তো তাদের মতোই একজন মানুষ। অথচ একদল পুরোহিত এতদিন বলে আসছিল তিনি মানুষ নন বরং দেবতা। পুরোহিতদের বলা এসব কাহিনি যখন রাজার গোচরে যায় তখন তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে, জনগণের মাঝে মিলেমিশেই দেশ শাসন করবেন। বে সমস্ত পুরোহিত এসব কাহিনি প্রচার করেছিল তাদের তিনি কঠোর শাস্তি প্রদান করেন। রাজা হিরোহিতোর শাসন বিষয়ক সিদ্ধান্ত তাঁকে জাপানের প্রথম রাজা হিসেবে অমর করে রাখে।

  23. 23.

    ভাগ্য বিপর্যয়ের কারণে সুলতানপুরের শাকিল চৌধুরী পূর্বপুরুষের জমিদারি হতে বিতাড়িত হন। তিনি নিজের ঘনিষ্ঠ সহচরদের কয়েকজনকে নিয়ে দূরবর্তী মামার বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করেন এবং জমিদারির অংশবিশেষ পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন। শাকিল চৌধুরী এখানে অবস্থান গ্রহণের পর পার্শ্ববর্তী শাক্তিশালী শাসকের শান্তিপ্রস্তাব গ্রহণের ভান করে কৌশলে তার শাসিত অঞ্চল দখল করে নেয়। কিন্তু এতেও তার চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয় না। তাকে একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয়। অবশেষে শুধু জয়লাভই নয় বরং তিনি জনগণের আস্থাও অর্জন করেন।

  24. 24.

    এটলাস নামক সমবায় সমিতির কলেবর বৃদ্ধি পেলে এটির সম্পদ-সম্পত্তিও অনেক গুণ বেড়ে যায়। ফলে পরিচালনা কর্তৃপক্ষ সমিতির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ গ্রহণের নিমিত্তে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করে। তাছাড়া সম্পদ-সম্পত্তি সংরক্ষণ ও লভ্যাংশ বিলি-বণ্টনের জন্য একটি আলাদা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করে সেখানে একটি ক্যাশ কাউন্টার সস্থাপন করে। এই কার্যালয় সকল প্রকার মুনাফা সংগ্রহ করে কোষাগারে ভামা রাখে এবং সদস্যদের মধ্যে তা সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করে দেয়।

  25. 25.

    রোমান রাজা ফিউডাল খুবই ধার্মিক ছিলেন। তবে রাজনৈতিক স্বার্থে তিনি খুবই নৃশংস ছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে ভেবে তিনি তার প্রধান সেনাপতিকে হত্যা করলে সেনাপতির সমর্থকদের দ্বারা যে বিদ্রোহ দেখা দেয় রাজা তাও অতি কঠোর হাতে দমন করেন। তার ধার্মিকতার সুযোগে একদল প্রজা তাকে প্রভু বলে পূল করতে এলে এক মারাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হয়। সৌভাগ্যক্রমে রাজা সবকিছু মোকাবিলা করতে সক্ষম হন।

  26. 26.

    রহিমা বিবি মিরপুর শাহ আলীর মাজারের নিকটবর্তী এলাকায় বসবাস করে। সে মাজারের মান-মর্যাদা ও দান-দক্ষিণার মাধ্যমে। প্রতিদিন মাজারের আয়-ইনকামের প্রাচুর্য দেখে নিজেই একটি মাজার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হয়। সে নিজের ঘরের মধ্যে একটি মিথ্যা মাজার নির্মাণ করে লোভ-লালসা দিয়ে কিছু ভক্তশ্রেণিও তৈরি করে। বিষয়টি সরকারের নজরে এলে সরকার রহিমা বিবিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে বলে। কিন্তু লোভের বশে সে তা অমান্য করে এবং, সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করে তোলে। তার প্ররোচনায় পার্শ্ববর্তী ব্যবসায়ীরাও সরকারকে ট্যাক্স প্রদানে বিরত থাকে। ফলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

  27. 27.

    সিন্ধু সভ্যতা প্রাচীন সভ্যতাগুলোর অন্যতম। এটি একটি নগরভিত্তিক সভ্যতা। এদের লিখন পদ্ধতি ছিল চিত্রভিত্তিক সিন্ধু। সভ্যতা নগরভিত্তিক হলেও তাদের ছিল উন্নত কৃষি ব্যবস্থা। যব, গম, তুলাসহ নানা রকম ফসল তারা উৎপন্ন করত। উন্নত ফসল উৎপাদনের জন্য তারা জমিতে বাঁধ দিত। বন্যার পানিকে সংরক্ষণ করে কাজে লাগাত। আবার নালা কেটে জলসেচের মাধ্যমে পানি এনে ফসলের মাঠে সরবরাহ করত।

  28. 28.

    ভুটানের 'কিংস কাপ' ফুটবল ফাইনাল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের রক্ষণভাগের সাহসী খেলোয়াড় ইয়াছিন তার চমৎকার ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করে ভারতের শক্তিশালী পুনে ক্লাবের বিরুদ্ধে জয় এনে দেন। ইয়াছিন ডিফেন্স থেকে প্রতিপক্ষের দুর্বলতাগুলো লক্ষ করেন এবং সুযোগ বুঝে মধ্যমাঠ দিয়ে না গিয়ে বরং সাইড লাইন ঘেঁষে ক্ষিপ্র গতিতে গিয়ে গোলপোস্ট ছেড়ে দূরে দাঁড়ানো বিপক্ষে গোল কিপারকে বোকা বানিয়ে বলটিকে অতর্কিতে প্রতিপক্ষের জালে পাঠিয়ে দেন। বাকি সময়ে প্রতিপক্ষ সে গোল আর শোধ করতে পারেনি। অথচ জয়ের নায়ক ইয়াছিন ইতোপূর্বে জাতীয় দলসহ বিভিন্ন ক্লাবে নিজের নাম অন্তর্ভুক্তির প্রাণপণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিলেন।

  29. 29.

    ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট মার্কোস আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব ও চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। তার চরিত্রে দোষ ও গুণের সমাবেশ ছিল। তিনি একই সাথে কোমল ও কঠোর ছিলেন। তিনি অনেক জনকল্যাণমূলক। কাজ সম্পন্ন করেন এবং ন্যায়বিচারও প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু তার শাসনামলে তার স্ত্রী ইমেলদা এতই প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন যে, সমস্ত প্রশাসনযন্ত্র তাকে প্রেসিডেন্টের চালিকাশক্তি হিসেবে গণ্য করে।

  30. 30.

    একটি পাঁচ টাকার কয়েন গলিয়ে ২টি চা-চামচ তৈরি করে। তা দশ টাকায় বিক্রি করার ফলে হঠাৎ 'ক' দেশে ধাতব মুদ্রার অভাব দেখা দেয়। অভাব মোকাবিলায় সরকার উর্বর দক্ষিণ অঞ্চলের কর বৃদ্ধি করে। ওদিকে ব্যবসায়ীরা মুদ্রার অভাবে সিলযুক্ত কাগজের স্লিপ ব্যবহার করতে থাকে। কিন্তু অসাধু ব্যক্তিরা এসব স্লিপ জাল করে দেশের অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।

  31. 31.

    উসমানের পূর্বপুরুষরা গোবি মরুভূমির একটি ক্ষুদ্র রাজ্যের শাসক ছিলেন। যেখানে শত্রুপক্ষের শক্তির কারণে সুবিধা করতে না পেরে তারা এশিয়া মাইনরে চলে আসেন। এশিয়া মাইনরে বহুদিন ধরে সেলজুকরা শাসন করলেও উত্তরাঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বেশকিছু স্বাধীন ও শক্তিশালী গ্রিক রাজ্য বিদ্যমান ছিল। উসমান শেষ সেলজুক সুলতান, আলাউদ্দিনের পতন ঘটিয়ে সেখানে উসমানীয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি শক্তিশালী গ্রিক রাজাদেরও পরাজিত করে যে বিশাল উসমানীয় সাম্রাজ্য গঠন করেন তা কয়েক শতাব্দী স্থায়ী হয়েছিল।

  32. 32.

    বাসির উদ্দিন মোল্লা অগাধ ধন-সম্পত্তির মালিক ছিলেন। কিন্তু তিনি অপুত্রক হওয়ায় তার সমস্ত সম্পত্তি মৃত্যুর পূর্বে মেয়ের জামাই হারুন মিয়াকে উইল করে দিয়ে যান। হারুন মিয়া চরাঞ্চলের একজন উচ্চ শিক্ষিত মানুষ হলেও তার এলাকায় কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। তাই হারুন মিয়া প্রাপ্ত অর্থ ব্যয়ে শ্বশুরের নামে একটি কলেজ, মায়ের নামে একটি মাদ্রাসা এবং নিজের নামে একটি স্কুল অত্র-এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গরিব ও মেধাবী ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার জন্য বৃত্তিরও ব্যবস্থা করেন।

  33. 33.

    উত্তরাধিকার সূত্রে তকী খান এক বিশাল জমিদারির মালিক। হন। তিনি এতিম ও অসহায়দের সাহায্যার্থে বিভিন্ন দফতর প্রতিষ্ঠা করেন এবং এ কাজে রাজকোষের প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন। এ ছাড়া জমিদারি পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ করে খাজনা-ট্যাক্স আদায়ে যথেষ্ট নমনীয়তার পরিচয় দেন। এতে জমিদারের প্রতি জনগণের ভালোবাসা ও আনুগত্য প্রকাশ পেলেও রাজ্যে সুদূরপ্রসারী আর্থিক সংকট দেখা দেয়, যার পরিণতিতে ধীরে ধীরে জমিদারি পতনের দিকে ধাবিত হয়।

  34. 34.

    কীর্তিপাশার জমিদার মহিম রায় চৌধুরী খুবই রুচিবান ও শৌখিন মানুষ ছিলেন। তিনি জমিদারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি জাঁকজমকপূর্ণ দরবারহল নির্মাণ করেছিলেন। পাশাপাশি তার নির্মিত কাচারি বাড়ি নায়েব মহল আজও স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে। একই সময়ে নির্মিত নাট মন্দিরটি এখনও ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত হয়। তাঁর স্ত্রী কমলাদেবী অনিন্দ্য সুন্দরী ও বিদুষী রমনী ছিলেন। জমিদার মহিম রায় চৌধুরীর স্ত্রীর প্রতি ছিল অপরিসীম ভালোবাসা। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় পড়ে কমলাদেবী অকালে মৃত্যুবরণ করলে জমিদার খুবই মুষড়ে পড়েছিলেন। তিনি স্ত্রীর স্মৃতি রক্ষার্থে বহু অর্থ ব্যয়ে যে সৌধটি নির্মাণ করেন, আজও তা বিদ্যমান রয়েছে।

  35. 35.

    যুগোশ্লাভিয়ার বসনিয়া-হার্জেগোভিনা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল। সংখ্যালঘিষ্ঠ, সার্ব শাসকগোষ্ঠীর নিকট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই শোষিত ও নিষ্পেষিত হয়ে আসছিল বসনীয় জনগোষ্ঠী। ফলে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা তাদের বিক্ষুব্ধ করে তোলে এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার ডাক দেয়। সার্ব-ক্রোট যৌথশক্তি এ আন্দোলন দমনে গণহত্যা, লুণ্ঠন, নারী ও শিশুদের প্রতি পাশবিক নির্যাতন চালায়। অবশেষে লক্ষ লোকের আত্মদান ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বসনিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে।

  36. 36.

    আফ্রিকার খনিজ সম্পদে ভরপুর একটি দেশ সুদান। এদেশের উত্তরাঞ্চলের আয়তন দক্ষিণাঞ্চলের চেয়ে অনেক বড় হলেও জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এছাড়া উত্তরাঞ্চলে নদী-নালা কম থাকার কারণে এখানকার ভূমি ছিল অনুর্বর এবং কোথাও কোথাও মধুময়। অন্যদিকে নদীবিধৌত দক্ষিণ সুদান ছিল উর্বর এবং খনিজ সম্পদগুলোও এ অঞ্চলে অবস্থিত ছিল। রাষ্ট্রক্ষমতায় উত্তর সুদানের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকায় তারা দক্ষিণ সুদানকে অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত করে উত্তরে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে এ অবস্থায় দক্ষিণ সুদান। সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতার ডাক দিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় গণভোটের মাধ্যমে দক্ষিণ সুদান স্বাধীনতা অর্জন করে।

  37. 37.

    বঙ্গ-ভারতের ইতিহাসে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ একটি স্মরণীয় ঘটনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ইংরেজদের ভুল খাদ্যনীতির ফলে উক্ত দুর্ভিক্ষে সমগ্র বাংলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হয়। দুর্ভিক্ষ ও অনাহারের ফলশ্রুতিতে ভবঘুরে প্রবণতার বিস্তৃতি ঘটে। পরিশেষে ভিক্ষাবৃত্তিকে নিষিদ্ধ করে প্রণীত হয় Bengal Vagrancy Control Act, 1943.

  38. 38.

    মোহন একটি সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থায় কর্মরত। তার সংস্থাটি গ্রামীণ ভূমিহীনদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়। নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। আবার নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘ. কারণ অনুসন্ধান করে তা মোকাবিলার উপায় উদ্ভাবনে নিয়োজিত থাকে

  39. 39.

    সুমনা হক একটি সরকারি শিশু পরিবারের তত্ত্বাবধায়ক। সালমা নামে অতি দরিদ্র পরিবারের পিতৃহীন একটি মেয়েকে তাঁর প্রতিষ্ঠানে আনা হলে তিনি মেয়েটিকে সাদরে গ্রহণ করলেন। মেয়েটির মতামত নিয়ে তার ঝোঁক বুঝে অঙ্কন ও সংগীত শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করলেন।

  40. 40.

    আঃ রহমান গ্রামের একজন সচ্ছল কৃষক। তিনি প্রতি বৎসর তার সম্পদের একটি অংশ দরিদ্র ও অসহায়দের মধ্যে বিতরণ করেন। সম্প্রতি ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী মাইকেল এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ রহিমা খাতুনকেও তিনি ঐ অর্থ থেকে দান করেন। তবে তিনি নির্দিষ্ট কয়েকটি খাতেরবাইরে ঐ অর্থ বিতরণ করেন না

  41. 41.

  42. 42.

    সফিক ও শাহেদ উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্র। সফিক ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে যে বিষয়টি পড়ছে তাতে সামাজিক সমস্যার কারণ উদঘাটনেরপাশাপাশি সামাজিক সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সমাধান ও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কীভাবে খাপ খাওয়াতে হয় তার বিবরণ আছে। অন্যদিকে শাহেদের পাঠ্যক্রমে মানুষের অভাব, প্রাপ্ত সম্পদ, সম্পদের বহুমুখী ব্যবহার, আয়-ব্যয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে ব্যক্তিগত ও জাতীয় উন্নয়নের বিবরণ রয়েছে।

  43. 43.

    মালিহার বয়স ১০ বছর। সড়ক দুর্ঘটনায় তার মা-বাবা মারা গেলে সে অসহায় হয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা তাকে শিশু পরিবারে ভর্তি করে দেন। শিশু পরিবারের পরিবেশ মালিহার ভালো লাগে না। সব সময় সে মন খারাপ করে থাকে। এমতাবস্থায় শিশু পরিবারের তত্ত্বাবধায়ক মালিহার সমস্যার প্রকৃতি নির্ণয় করে তার কল্যাণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। মালিহা এখন অন্য শিশুদের সাথে মিলেমিশে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেয়।

  44. 44.

    প্রফেসর শহিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক ও চারজন বিজ্ঞ সদস্যকে অর্ন্তভুক্ত করে সরকার মাদকাসক্তদের জন্য করণীয় নির্ধারণের জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মতামত নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করেন ও সরকারের কাছে রিপোর্টটি জমা দেন।

  45. 45.

    আদিবের বয়স ১২ বছর। সমাজবিরোধী কিছু লোকের সংস্পর্শে এসে অপরাধপ্রবণ হয়ে পড়ে। সংশোধনের জন্য তাকে একটি সরকারি সমাজসেবা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়। ঐ প্রতিষ্ঠানের কিছু সমস্যার কারণে আদিব অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়। দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়হীনতার কারণে আদিবের বর্তমান অবস্থা বেশ শোচনীয় হয়ে পড়েছে।

  46. 46.

    গার্মেন্টস কর্মী নাসরিন সাভারে ভাড়া বাসায় থাকে। নাসরিন ও তার স্বামী যে মজুরি পায় তা দিয়ে সংসার চালানো কষ্টসাধ্য। অন্যান্য শ্রমিকের মতো নাসরিন কর্তৃপক্ষের কাছে বেতন বৃদ্ধির দাবি জানায়। গার্মেন্টস শ্রমিকদের সংগঠনও এ দাবির সাথে একাত্মতা জানায়। নাসরিনের স্বামী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে পরিচালিত একটি বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে নাসরিনের স্বামীর চিকিৎসায় সহায়তা করা হয়। এ কর্মসূচির মাধ্যমে রোগীকে বিনামূল্যে ঔষধ-পথ্যও সরবরাহ করা হয়।

  47. 47.

    গ্রামের কৃষক মফিজ উদ্দিনের চার ছেলে। সামান্য পৈতৃক জমিতে তিন ছেলেসহ চাষ-বাস করে কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করেন। আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যেও অনেক আশা করে ছোট ছেলে কাসেমকে শিক্ষিত করেছেন। তবে কাসেম অনেক চেষ্টা করেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারছে না। এতে তার মধ্যে হতাশা কাজ করলেও চেষ্টা চালাচ্ছে লক্ষ্যে পৌছানোর।

  48. 48.

    নিচের আনুমানিক তথ্য সম্বলিত পাই চার্টটি পর্যবেক্ষণ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

  49. 49.

    মি. করিম তার আদরের মেয়েকে রহিমের ছেলের সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের সময় মি. করিম ছেলেকে একটি মোটর সাইকেল ও ৫০,০০০ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু মোটর সাইকেল দিতে পারলেও ৫০,০০০ টাকার মাত্র ১০,০০০ টাকা দিতে পারেন। বিয়ের ৬ মাসের মধ্যেই বাকি টাকা এনে দেয়ার জন্য রহিম পুত্রবধুর উপর চাপ প্রয়োগ করেন।

  50. 50.

    জনাব রহমান সমাজসেবা বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বে থাকাকালীন লক্ষ করলেন আমাদের দেশে ১৯৫৫ সাল হতে শহরের ছিন্নমূল দরিদ্র, বস্তিবাসীর জন্য সরকারি সমাজসেবা কার্যক্রম থাকলেও গ্রামের মানুষের জন্য এ ধরনের কর্মসূচি নেই। সেজন্য তিনি গ্রামের অতিদরিদ্র নারী ও পুরুষের জন্য ক্ষুদ্রঋণ, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণসহ বহুমুখী কর্মসূচি সমৃদ্ধ একটি কার্যক্রম গ্রহণ করলেন।