ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
মিসেস ফাতিহা একটি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ম্যানেজার। তিনি ইউনিটের জন্য সাপ্তাহিক ১লক্ষ একক পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন। সপ্তাহ শেষে দেখা যায় সেই ইউনিটের উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৮০ হাজার একক। এ অবস্থায় তিনি বেশ চিন্তিত এবং এখন তিনি পরিকল্পনা সংশোধনের কথা ভাবছেন।
- ক)(1)
নিয়ন্ত্রণ কি?
- খ)(2)
নিয়ন্ত্রণ কে পরবর্তী পরিকল্পনার ভিত্তি বলা হয় কেন?
- গ)(3)
নিয়ন্ত্রণে কোন ধাপে এসে মিসেস ফাতিয়া উৎপাদন ঘাটতি লক্ষ্য করেন? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
পরিকল্পনার সংশোধনীর জন্য মিসেস ফাতিহাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ সঠিকভাবে সম্পাদিত হচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করা, বিচ্যুতি থাকলে তা চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল, অভিজ্ঞতা ও বিচ্যুতির কারণগুলো পরবর্তী নতুন ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরিতে দিকনির্দেশনা হিসেবে ব্যবহৃত হয় বলে নিয়ন্ত্রণকে পরবর্তী পরিকল্পনার ভিত্তি বলা হয়।
নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ায় পূর্ববর্তী পরিকল্পনার বাস্তবায়ন মূল্যায়ন করে বিচ্যুতির কারণ শনাক্ত করা হয় এবং সংশোধনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এই মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত উপাত্ত ব্যবহার করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও নির্ভুল, বাস্তবসম্মত ও কার্যকরভাবে প্রণয়ন করা সম্ভব হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নিয়ন্ত্রণের 'প্রকৃত কার্যফল ও আদর্শ মানের তুলনা' ধাপে এসে মিসেস ফাতিহা উৎপাদন ঘাটতি লক্ষ্য করেন।
নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সম্পাদিত কাজের প্রকৃত ফলাফলকে পূর্বনির্ধারিত মান বা লক্ষ্যের সাথে তুলনা করা। এই তুলনার মাধ্যমেই কোনো কাজের বিচ্যুতি বা ঘাটতি হয়েছে কি না তা স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।
উদ্দীপকে মিসেস ফাতিহা সাপ্তাহিক ১ লক্ষ একক পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা (আদর্শ মান) নির্ধারণ করেছিলেন। সপ্তাহ শেষে প্রকৃত উৎপাদন হয় ৮০ হাজার একক। এই পূর্বনির্ধারিত মানের সাথে প্রকৃত উৎপাদন তুলনা করার ফলেই ২০ হাজার এককের উৎপাদন ঘাটতি বা বিচ্যুতি চিহ্নিত হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পরিকল্পনা সংশোধনের জন্য মিসেস ফাতিহাকে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হলো:
১. বিচ্যুতির সঠিক কারণ অনুসন্ধান: প্রথমে ২০ হাজার একক পণ্য কম উৎপাদনের মূল কারণ চিহ্নিত করতে হবে (যেমন: কাঁচামালের অভাব, যন্ত্রপাতির ত্রুটি, কর্মীদের দক্ষতার ঘাটতি বা বিদ্যুৎ বিভ্রাট)।
২. বাস্তবমুখী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ: প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান উৎপাদন ক্ষমতা ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে একটি অর্জনযোগ্য ও বাস্তবসম্মত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।
৩. কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধকরণ: উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে কর্মীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদান এবং উৎসাহব্যঞ্জক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা।
৪. তদারকি ও সমন্বয় জোরদার: উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিক ও কঠোর তদারকি ব্যবস্থা চালু রাখা, যাতে তাৎক্ষণিকভাবে বাধাগুলো দূর করা যায়।
উদ্দীপকে মিসেস ফাতিহা যদি লক্ষ্যমাত্রা ও প্রকৃত ফলাফলের ফারাক অনুধাবন করে উপর্যুক্ত সংশোধনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজান, তবে তিনি সফলভাবে উৎপাদন ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও