রসায়ন ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩
রসায়ন ১ম পত্র প্রশ্ন
[এখানে B, C এবং E মৌলের প্রচলিত প্রতীক নয়।]
শ্রেণি→\rightarrow পর্যায়↓\downarrow | 6 | 12 | 16
3 | | | B
4 | C | E |
- ক)(1)
অরবিটালের সংজ্ঞা দাও।
- খ)(2)
HCI অপেক্ষা HBr অধিক সবল এসিড – ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
সংকরায়নের সাহায্যে H2B এর গঠন ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
C ও E দ্বারা গঠিত সালফেট যৌগের মধ্যে কোনটি রঙিন হবে? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চারদিকে যে ত্রিমাত্রিক স্থানে আবর্তিত ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৯০-৯৫%), তাকে অরবিটাল বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যালোজেন এসিডগুলোর (HX) মধ্যে Cl অপেক্ষা Br-এর পারমাণবিক আকার বড়। আকার বড় হওয়ার কারণে বন্ধন দৈর্ঘ্য বন্ধন দৈর্ঘ্য অপেক্ষা বেশি হয়। বন্ধন দৈর্ঘ্য বেশি হওয়ায় এর বন্ধন বিয়োজন শক্তি অপেক্ষা কম হয়। ফলে জলীয় দ্রবণে HBr খুব সহজেই বিয়োজিত হয়ে প্রোটন () দান করতে পারে। তাই HCl অপেক্ষা HBr অধিক শক্তিশালী এসিড।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পর্যায় সারণির ৩য় পর্যায় ও ১৬ নং গ্রুপের মৌলটি হলো সালফার (S)। অতএব, B হলো সালফার এবং যৌগটি হলো ।
এর সংকরায়ন ও গঠন:
সালফারের ইলেকট্রন বিন্যাস:যোজ্যতা স্তরে একটি ও তিনটি অরবিটালের মিশ্রণে চারটি সমশক্তির সংকর অরবিটাল গঠিত হয়। এর মধ্যে দুটি সংকর অরবিটালে একজোড়া করে নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন জোড় (lone pair) থাকে এবং অপর দুটি অরবিটালে একটি করে বিজোড় ইলেকট্রন থাকে।
দুটি বিজোড় ইলেকট্রনযুক্ত সংকর অরবিটালের সাথে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর অরবিটালের অধিক্রমণের মাধ্যমে দুটি S-H সিগমা বন্ধন গঠিত হয়।
সংকরায়ন অনুসারে এর আকৃতি চতুস্তলকীয় এবং বন্ধন কোণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু VSEPR তত্ত্ব অনুসারে, সালফারের দুটি নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন জোড়ের মধ্যে তীব্র বিকর্ষণের (lp-lp > lp-bp > bp-bp) কারণে বন্ধন কোণ সংকুচিত হয়ে প্রায় হয়। ফলে অণুটি কৌণিক বা 'V' আকৃতির হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পর্যায় সারণির অবস্থান অনুযায়ী:
৪র্থ পর্যায় ও ৬ষ্ঠ গ্রুপের মৌল C হলো ক্রোমিয়াম ()।
৪র্থ পর্যায় ও ১২তম গ্রুপের মৌল E হলো জিংক ()।এদের গঠিত সালফেট যৌগ দুটি হলো ক্রোমিয়াম সালফেট [ বা ] এবং জিংক সালফেট []।
রঙিন যৌগ গঠনের শর্ত:
সাধারণত যেসব অবস্থান্তর ধাতুর আয়নে অপূর্ণ d-অরবিটাল ( থেকে ) বিদ্যমান থাকে, তারা লিগ্যান্ডের উপস্থিতিতে d-d ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে দৃশ্যমান আলো থেকে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে রঙিন যৌগ গঠন করে।১. ক্রোমিয়াম সালফেট:
যৌগে ক্রোমিয়ামের জারণ মান +3।
এর ইলেকট্রন বিন্যাস:
এখানে ক্রোমিয়ামের d-অরবিটালে ৩টি ইলেকট্রন রয়েছে, অর্থাৎ এটি একটি অপূর্ণ d-অরবিটালযুক্ত অবস্থান্তর আয়ন। লিগ্যান্ডের প্রভাবে d-অরবিটালের বিভাজন ঘটে (t2g এবং eg) এবং d-d ইলেকট্রন স্থানান্তর ঘটে। ফলে এটি দৃশ্যমান আলো শোষণ করে রঙিন (সবুজ/বেগুনী) দ্রবণ তৈরি করে।২. জিংক সালফেট ():
যৌগে জিংকের জারণ মান +2।
এর ইলেকট্রন বিন্যাস:
এখানে আয়নের d-অরবিটাল সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ () থাকে। কোনো অপূর্ণ d-অরবিটাল না থাকায় d-d ইলেকট্রন স্থানান্তর সম্ভব হয় না। ফলে জিংক সালফেট দৃশ্যমান আলো থেকে কোনো আলো শোষণ করে না এবং এটি বর্ণহীন বা সাদা হয়।সুতরাং, C ও E দ্বারা গঠিত সালফেট যৌগের মধ্যে ক্রোমিয়াম সালফেট রঙিন হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও