সমাজকর্ম ২য় পত্র • Combined Board • রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল বোর্ড ২০১৮
সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন
গণমাধ্যম বিষয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের এক পর্যায়ে শিক্ষক গণমাধ্যম বিষয়ক আলোচনা করেন। গণমাধ্যম জনগণের নিকট প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তথ্য সরবরাহ করে। জনগণ সরাসরি তা দেখতে, শুনতে ও পড়তে পারেন। তিনি কিছু গণমাধ্যমের উদাহরণ দেন। যেমন- রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ইত্যাদি। এসব মাধ্যমসমূহ জনমত গঠনে সহায়তা করে।
- ক)(1)
"ধর্ম হলো অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস"- এটি কার উক্তি?
- খ)(2)
উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত কী? বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত গণমাধ্যমের প্রকারভেদ উল্লেখপূর্বক ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বিবৃত উদাহরণসমূহ কী প্রক্রিয়ায় জনমত গঠনে সহায়তা করে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
"ধর্ম হলো অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস"- এটি নৃবিজ্ঞানী ই. বি. টেইলর (E. B. Tylor)-এর উক্তি।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিচার বিভাগের প্রধান দুটি স্তর হলো উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত।
একটি দেশের সংবিধান অনুযায়ী বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ স্তর হলো উচ্চ আদালত (যেমন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ), যা সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে এবং আইনের ব্যাখ্যা দেয়। অন্যদিকে, দেশের জেলা বা স্থানীয় পর্যায়ে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির জন্য গঠিত বিচারিক প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো নিম্ন আদালত (অধস্তন আদালত), যা সরাসরি উচ্চ আদালতের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত গণমাধ্যমকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: মুদ্রিত মাধ্যম (Print Media) এবং ইলেকট্রনিক বা সম্প্রচার মাধ্যম (Electronic/Broadcast Media)।
১. মুদ্রিত মাধ্যম: সংবাদপত্র, সাময়িকী, পুস্তিকা ইত্যাদি যা ছাপা আকারে জনগণের কাছে তথ্য পৌঁছে দেয়।
২. ইলেকট্রনিক মাধ্যম: রেডিও, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, ইন্টারনেট ইত্যাদি যা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শব্দ ও চিত্রের মাধ্যমে মানুষের কাছে তথ্য সম্প্রচার করে।উদ্দীপকে উল্লেখিত রেডিও ও সঙ্গীত হলো শ্রবণ মাধ্যম এবং টিভি ও চলচ্চিত্র হলো দৃশ্য-শ্রব্য মাধ্যম, যা ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের অন্তর্ভুক্ত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বিবৃত গণমাধ্যমের উদাহরণসমূহ (রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ইত্যাদি) বহুমুখী তথ্য প্রচার, সামাজিক সচেতনতা তৈরি ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় জনমত গঠনে সহায়তা করে।
রেডিও ও টেলিভিশনে সংবাদ, টকশো, প্রামাণ্যচিত্র ইত্যাদি পরিবেশনার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইস্যু জনগণের সামনে বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপিত হয়। জনগণ এসব তথ্য জেনে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে ইতিবাচক বা নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করতে শেখে।
অপরদিকে চলচ্চিত্র এবং সঙ্গীত মানুষের আবেগ, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতিকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। দেশপ্রেমমূলক সঙ্গীত, সামাজিক সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র বা নাটকের মাধ্যমে অন্যায়, কুসংস্কার ও অবিচারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে ওঠে। এভাবে এসব মাধ্যম জনগণকে সচেতন ও সংগঠিত করে সমাজ সংস্কার এবং নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও