সমাজকর্ম ১ম পত্র • সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা এবং সমাজকর্ম • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭
সমাজকর্ম ১ম পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশে ২০১১ সালে একটি সামাজিক নীতি প্রণয়ন করা হয়। এই নীতির মূল লক্ষ্য হলো মহিলাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও আইনগত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা।
- ক)(1)
বাংলাদেশের সর্বশেষ শিক্ষানীতি কবে প্রণীত হয়?
- খ)(2)
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বাংলাদেশের কোন সামাজিক নীতির কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
মহিলাদের অধিকার রক্ষায় উক্ত সামাজিক নীতির ভূমিকা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের সর্বশেষ জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ সালে প্রণীত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক পাঁচ বছর মেয়াদে প্রণীত সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কৌশল সংবলিত উন্নয়ন পরিকল্পনাকে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বলা হয়। এতে নির্ধারিত পাঁচ বছরে কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি খাতে জাতীয় সম্পদ ও অর্থ বরাদ্দের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বাংলাদেশের 'জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১' (National Women Development Policy 2011)-এর কথা বলা হয়েছে।
সামাজিক নীতি হলো জনগণের সামগ্রিক কল্যাণ, সামাজিক সমতা এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক গৃহীত সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও কর্মপরিকল্পনা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত নীতিটি ২০১১ সালে গৃহীত হয় এবং এর মূল লক্ষ্য হলো মহিলাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও আইনগত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ সরকার ২০১১ সালের ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে এ নীতিটি অনুমোদন করে। নারীর সার্বিক ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য থাকায় উদ্দীপকের নীতিটি সুস্পষ্টভাবেই জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১-কে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মহিলাদের অধিকার রক্ষা, বৈষম্য বিলোপ এবং সার্বিক ক্ষমতায়নে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১-এর ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী।
প্রথমত, এই নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে নারীর সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে সর্বস্তরে নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রদান করে। এটি পারিবারিক সহিংসতা, যৌতুক ও যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা জোরদার করতে সহায়তা করে।
দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে এই নীতিতে নারীদের শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র ঋণ প্রাপ্তি এবং কর্মসংস্থানে সমান সুযোগ দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
তৃতীয়ত, রাজনীতি ও প্রশাসনিক পর্যায়ে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার সুস্পষ্ট লক্ষ্য এই নীতিতে রয়েছে। জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকারে সংরক্ষিত নারী আসনের ধারাবাহিকতা এবং উচ্চপদে নারীদের নিয়োগ এর উজ্জ্বল প্রতিফলন।
পরিশেষে, জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ বাংলাদেশের নারীদের মানবাধিকার ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক দলিল, যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজ থেকে জেন্ডার বৈষম্য দূর করে নারীর সক্রিয় অবদান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও