পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব সুমন স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। তিনি ছাড়াও সেখানে নির্বাচিত নয়জন সাধারণ সদস্য এবং তিনজন সংরক্ষিত। মহিলা সদস্য রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটির কার্যকাল পাঁচ বছর।
- ক)(1)
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার পদবি কী?
- খ)(2)
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের অনুরূপ যে প্রতিষ্ঠান শহর এলাকায়। রয়েছে তার গঠন বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
এলাকার সার্বিক উন্নয়নে উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার পদবি হলো অ্যাটর্নি জেনারেল (Attorney General)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন (Local Self-Government) বলতে এমন এক ধরনের শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত সংস্থা স্থানীয় প্রশাসন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে নিজস্ব আয়ের উৎস ও আইনের সীমার মধ্যে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করে থাকে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটি হলো ইউনিয়ন পরিষদ (একজন চেয়ারম্যান, নয়জন সাধারণ সদস্য ও তিনজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নিয়ে গঠিত এবং এর মেয়াদ পাঁচ বছর)। এর অনুরূপ শহর এলাকার স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হলো পৌরসভা (ছোট শহর এলাকায়) বা সিটি কর্পোরেশন (বড় মেট্রোপলিটন শহর এলাকায়)।
পৌরসভার গঠন নিম্নরূপ:
১. পৌরসভা একজন মেয়র, ওয়ার্ডভিত্তিক সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
২. পৌর এলাকাকে জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
৩. প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে একজন করে সাধারণ কাউন্সিলর সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
৪. প্রতি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একজন করে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
৫. পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মেয়র সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং এর কার্যকাল সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম সভা থেকে পাঁচ বছর। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামীণ অবকাঠামো ও সার্বিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে এর কার্যাবলি মূল্যায়ন করা হলো:
১. অবকাঠামোগত উন্নয়ন: ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামীণ রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার করে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখে।
২. কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা: কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সার ও বীজ সরবরাহ সহায়তা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।
৩. শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য: প্রাথমিক ও বয়স্ক শিক্ষার বিস্তার, বিদ্যালয় তদারকি, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য নলকূপ স্থাপন এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করে।
৪. সমাজকল্যাণ ও দারিদ্র্য দূরীকরণ: ভিজিডি, ভিজিএফ ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর নানা ভাতা (যেমন বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা) প্রকৃত সুবিধাভোগীদের মধ্যে বণ্টন করে।
৫. বিরোধ নিষ্পত্তি: গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করে সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখে।সুতরাং, গ্রামীণ এলাকার সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও