যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজ • মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    পদের ব্যাপ্যতা কী?

    (1)
  2. খ)

    বিশেষ যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    চিত্র-১ পদের ব্যাপ্যতা অনুসারে কোন যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    পদের যোগ্যতার ভিত্তিতে চিত্র-২ ও চিত্র-৩-এর মধ্যকার পার্থক্য নির্ণয় কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো যুক্তিবাক্যে একটি পদ তার সমগ্র ব্যক্তর্থ বা সমগ্র বাচ্যার্থ নিয়ে ব্যবহৃত হলে তাকে সেই পদের ব্যাপ্যতা বলে। অন্যকথায়, কোনো পদের সামগ্রিক ব্যক্তর্থকে স্বীকার বা অস্বীকার করাকেই পদের ব্যাপ্যতা বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদের ব্যাপ্যতা নির্ধারিত হয় বাক্যটির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে। বিশেষ যুক্তিবাক্যে (I এবং O বাক্য) উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্তর্থের ক্ষেত্রে বিধেয় পদটিকে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয় না; বরং উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্তর্থের ক্ষেত্রে বিধেয় পদকে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়। যেহেতু বিশেষ যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি তার সমগ্র ব্যক্তর্থ প্রকাশ করতে পারে না, তাই বিশেষ যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ সর্বদা অব্যাপ্য হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিত্র-১ পদের ব্যাপ্যতা অনুসারে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বা 'A' যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে।

    উদ্দীপকের চিত্র-১-এ দেখা যায়, 'ক' বৃত্তটি ভরাট (ছায়াবৃত্ত), যা দ্বারা 'ব্যাপ্য' নির্দেশ করা হয়েছে এবং 'খ' বৃত্তটি ফাঁকা, যা দ্বারা 'অব্যাপ্য' নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে উল্লেখ আছে যে, 'ক' হলো উদ্দেশ্য পদ এবং 'খ' হলো বিধেয় পদ। অর্থাৎ, চিত্র-১ এমন একটি যুক্তিবাক্য নির্দেশ করছে যার উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য কিন্তু বিধেয় পদ অব্যাপ্য।

    যুক্তিবিদ্যায় চার প্রকার নিরপেক্ষ যুক্তিবাক্যের মধ্যে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য (A)-এর উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ অব্যাপ্য হয়। যেমন: "সকল মানুষ হয় মরণশীল"। এখানে 'মানুষ' উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্তর্থকে গ্রহণ করায় তা ব্যাপ্য, কিন্তু বিধেয় পদ 'মরণশীল' দ্বারা সমগ্র মরণশীল শ্রেণীকে বোঝানো হয়নি, ফলে তা অব্যাপ্য। সুতরাং, চিত্র-১ স্পষ্টভাবে 'A' যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্র-২ ও চিত্র-৩ পদের ব্যাপ্যতা বা পরিমাণের ভিত্তিতে যথাক্রমে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য (E বাক্য) এবং বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য (I বাক্য)-কে নির্দেশ করে। এদের মধ্যকার পার্থক্য নিচে তুলে ধরা হলো:

    ১. যুক্তিবাক্যের স্বরূপগত পার্থক্য: চিত্র-২-এ উদ্দেশ্য (ক) ও বিধেয় (খ) উভয় পদই ভরাট বৃত্ত অর্থাৎ ব্যাপ্য। এটি সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বা 'E' বাক্য (যেমন: "কোনো মানুষ নয় অমর")। অপরদিকে চিত্র-৩-এ উভয় পদই ফাঁকা বৃত্ত অর্থাৎ অব্যাপ্য। এটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বা 'I' বাক্য (যেমন: "কিছু মানুষ হয় সৎ")।

    ২. পরিমাণের ভিত্তিতে পার্থক্য: চিত্র-২ (E বাক্য) হলো সার্বিক বাক্য, যার সমগ্র উদ্দেশ্য শ্রেণীর ক্ষেত্রে বক্তব্য প্রযোজ্য। কিন্তু চিত্র-৩ (I বাক্য) হলো বিশেষ বাক্য, যা উদ্দেশ্য শ্রেণীর একটি অংশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

    ৩. গুণের ভিত্তিতে পার্থক্য: চিত্র-২ একটি নঞর্থক বাক্য, যেখানে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে কোনো সম্পর্ক বা গুণকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করা হয়। পক্ষান্তরে, চিত্র-৩ একটি সদর্থক বাক্য, যেখানে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে আংশিক সম্পর্ক স্বীকার করা হয়।

    ৪. পদের ব্যাপ্যতার পার্থক্য: চিত্র-২ বা E যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই সমগ্র ব্যক্তর্থের ক্ষেত্রে গৃহীত হওয়ায় উভয় পদ ব্যাপ্য। কিন্তু চিত্র-৩ বা I যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই আংশিক ব্যক্তর্থ প্রকাশ করায় উভয় পদই অব্যাপ্য।

    সুতরাং, গুণ ও পরিমাণ এবং ব্যাপ্যতার বিচারে চিত্র-২ এবং চিত্র-৩ পরস্পর বিপরীত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন