বাংলা ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লিমায়ের কোল ;ঝাউশাখে যেথা বনলতা বাঁধি হরষে খেয়েছি দোল;কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়েঅমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালী মেয়ে।
- ক)(1)
সনেটের ষটকে কী থাকে?
- খ)(2)
'জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন ?
- গ)(3)
উদ্দীপকের সাথে ‘কপোতাক্ষ নদ' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপক ও 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলসুর অভিন্ন।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সনেটের ষটকে ভাবের পরিণতি বা সিদ্ধান্ত থাকে।
- খ)
প্রবাসে থাকা কবি দূর থেকে কপোতাক্ষ নদের কলকল ধ্বনি শুনতে পান না। তিনি নিশার স্বপ্নে মায়া-মন্ত্রধ্বনি শোনার মতো নদের ধ্বনি শোনেন। এটি বাস্তব নয়, মনের ভ্রম; তবু সেই ভ্রান্তির মধ্য দিয়েই কবি নদের ডাক শুনে কান জুড়ান ও মনে শান্তি পান।
- গ)
উদ্দীপকে বক্তা বহুদিন পর পল্লিমায়ের কোলের কথা মনে করেছেন, যেখানে ঝাউশাখায় দোল খেয়েছেন এবং কুলের কাঁটার আঘাত সয়ে কুল খেয়েছেন। এতে জন্মভূমি ও শৈশবের স্মৃতির প্রতি টান ফুটেছে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায়ও কবি প্রবাসে বসে জন্মভূমি ও নদটির কথা বারবার মনে করেছেন। উভয় ক্ষেত্রে স্মৃতিকাতরতা ও জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা সাদৃশ্যপূর্ণ।
- ঘ)
উদ্দীপক ও 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলসুর অভিন্ন, মন্তব্যটি যথার্থ।
১. উদ্দীপকে বক্তা গ্রামের কোলে কাটানো শৈশবের দিনগুলোর কথা মনে করে স্মৃতিকাতর। কবিতায়ও কবি প্রবাসে বসে জন্মভূমির স্মৃতিতে কাতর।
২. উদ্দীপকে কাঁটার আঘাত সয়েও কুল খাওয়াকে অমৃতের মতো মনে হয়েছে। কবিতায় কবি দূর থেকে কপোতাক্ষের ধ্বনি শুনে ভ্রান্তির ছলনায় কান জুড়ান। দুটোই জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ।
৩. উভয় ক্ষেত্রে জন্মভূমিপ্রেম ও স্মৃতিকাতরতাই মূল সুর।সুতরাং, উদ্দীপক ও কবিতার মূলসুর অভিন্ন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও