রসায়ন ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫
রসায়ন ২য় পত্র প্রশ্ন
M(CnH2n−2)→450∘Cউত্তপ্তFe নলN→H2SO4(গাঢ়)HNO3(গাঢ়), 60∘CO→Sn/HCl (গাঢ়)P \text{M}(\text{C}{\text{n}}\text{H}{2\text{n}-2}) \xrightarrow[450^\circ\text{C}]{\begin{array}{c} \text{উত্তপ্ত} \ \text{Fe নল} \end{array}} \text{N} \xrightarrow[\text{H}_2\text{SO}_4(\text{গাঢ়})]{\text{HNO}_3(\text{গাঢ়}),\ 60^\circ\text{C}} \text{O} \xrightarrow{\text{Sn/HCl (গাঢ়)}} \text{P} [n এর সর্বনিম্ন মান প্রযোজ্য]
- ক)(1)
TDS কী?
- খ)(2)
ব্যাপক শিল্পায়নে এসিড বৃষ্টির একটি অন্যতম কারণ—ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
'M' এর অম্লধর্মিতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
‘O’ ও ‘P’ এর নাইট্রেশন বিক্রিয়ায় একই অবস্থানে প্রতিস্থাপন ঘটবে কি-না—কারণ বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
TDS (Total Dissolved Solids) বা মোট দ্রবীভূত কঠিন পদার্থ হলো পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় উপস্থিত সকল অজৈব লবণ এবং স্বল্প পরিমাণ জৈব পদার্থের মোট পরিমাণ, যা সাধারণত মিলিগ্রাম পার লিটার (mg/L) বা ppm এককে প্রকাশ করা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যাপক শিল্পায়নের ফলে কলকারখানা এবং তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো হয়। এর ফলে বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই-অক্সাইড () ও নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ () নির্গত হয়। এই গ্যাসগুলো বৃষ্টির পানির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে সালফিউরিক এসিড () ও নাইট্রিক এসিড () তৈরি করে। পরবর্তীতে এই এসিড মিশ্রিত বৃষ্টি রূপে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়, যা এসিড বৃষ্টি নামে পরিচিত। তাই ব্যাপক শিল্পায়ন এসিড বৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে যৌগের সাধারণ সংকেত , যেখানে এর সর্বনিম্ন মান । অতএব, যৌগটি হলো ইথাইন ( বা অ্যাসিটিলিন)।
ইথাইনের কার্বন-কার্বন ত্রিবন্ধনযুক্ত কার্বন পরমাণুদ্বয় সংকরিত। সংকরণযুক্ত অরবিটালে -অরবিটালের বৈশিষ্ট্য বা চরিত্র ৫০% থাকে, যা (৩৩.৩৩%) বা (২৫%) অপেক্ষা বেশি। -অরবিটালের চরিত্র বেশি হওয়ায় এই কার্বন পরমাণুগুলোর নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ ক্ষমতা তথা তড়িৎ-ঋণাত্মকতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি হয়। ফলে বন্ধনের শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগল কার্বন পরমাণু নিজের দিকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করে এবং বন্ধনটি পোলার বা দুর্বল হয়ে পড়ে।
এর ফলে উপযুক্ত তীব্র ক্ষারকের (যেমন— সোডিয়াম ধাতু বা অ্যামোনিয়াযুক্ত সিলভার নাইট্রেট দ্রবণ) উপস্থিতিতে বন্ধন বিয়োজিত হয়ে প্রোটন () হিসেবে অপসারিত হতে পারে। একারণেই ইথাইন বা যৌগটি অম্লধর্মিতা প্রদর্শন করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপক অনুযায়ী,
হলো ইথাইন ()।
ইথাইনকে তাপমাত্রায় উত্তপ্ত Fe নলের মধ্য দিয়ে চালনা করলে পলিমারাকরণের মাধ্যমে বেনজিন () উৎপন্ন হয়। অতএব, হলো বেনজিন।
বেনজিনকে গাঢ় ও গাঢ় সহ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে নাইট্রোবেনজিন উৎপন্ন হয়। অতএব, হলো নাইট্রোবেনজিন ()।
নাইট্রোবেনজিনকে দ্বারা বিজারিত করলে অ্যানিলিন উৎপন্ন হয়। অতএব, হলো অ্যানিলিন ()।'O' ও 'P' যৌগের নাইট্রেশন বিক্রিয়ায় প্রতিস্থাপনের অবস্থান বিশ্লেষণ:
১. 'O' যৌগ (নাইট্রোবেনজিন):
নাইট্রোবেনজিনের মূলকটি একটি বেনজিন বলয় নিষ্ক্রিয়কারী এবং মেটা () নির্দেশক মূলক। নাইট্রোজেন পরমাণু বেশি তড়িৎ-ঋণাত্মক অক্সিজেনের সাথে দ্বিবন্ধনে যুক্ত থাকায় এটি রেজোন্যান্সের মাধ্যমে বেনজিন বলয় থেকে ইলেকট্রন নিজের দিকে টেনে নেয় ( বা ফল)। ফলে বেনজিন বলয়ের অর্থো () ও প্যারা () অবস্থানে ইলেকট্রন ঘনত্ব মেটা অবস্থানের তুলনায় হ্রাস পায়। তাই আগত ইলেকট্রোফাইল () তুলনামূলক বেশি ইলেকট্রন ঘনত্বযুক্ত মেটা () অবস্থানে আক্রমণ করে। ফলে নাইট্রোবেনজিনের নাইট্রেশনে মূলত মেটা-ডাইনাইট্রোবেনজিন উৎপন্ন হয়।২. 'P' যৌগ (অ্যানিলিন):
অ্যানিলিনের মূলকটি একটি বেনজিন বলয় সক্রিয়কারী এবং অর্থো-প্যারা () নির্দেশক মূলক। নাইট্রোজেন পরমাণুর নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন যুগল রেজোন্যান্সের মাধ্যমে বেনজিন বলয়ে প্রদান করে ( বা ফল)। এতে বেনজিন বলয়ের অর্থো () ও প্যারা () অবস্থানে ইলেকট্রন ঘনত্ব মেটা অবস্থানের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পায়। তাই আগত ইলেকট্রোফাইল () অর্থো ও প্যারা অবস্থানে আক্রমণ করে। ফলে অ্যানিলিনের নাইট্রেশনে অর্থো- ও প্যারা-অবস্থানে প্রতিস্থাপন ঘটে।সুতরাং, 'O' যৌগের নাইট্রেশন মেটা অবস্থানে এবং 'P' যৌগের নাইট্রেশন অর্থো-প্যারা অবস্থানে ঘটে। অতএব, এদের নাইট্রেশন বিক্রিয়ায় একই অবস্থানে প্রতিস্থাপন ঘটবে না।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও