‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

'ক' একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। তিনি গরিব ও দুস্থদের জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত পণ্য বন্টন না করে গোপন বিক্রি করে দেন। স্থানীয় জনগণের সহায়তায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হয়।

  1. ক)

    AIDS- এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    মৌলিক গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' এর কর্মকাণ্ড কোন নাগরিক সমস্যা কে চিহ্নিত করে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত নাগরিক সমস্যা নিরসনকল্পে তোমার সুপারিশ সমূহ লেখ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    AIDS-এর পূর্ণরূপ হলো Acquired Immune Deficiency Syndrome (অ্যাকোয়ার্ড ইমিউন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মৌলিক গণতন্ত্র হলো ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান কর্তৃক ১৯৫৯ সালে প্রবর্তিত চার স্তরবিশিষ্ট একটি বিশেষ সীমিত প্রতিনিধিত্বমূলক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রকৃত রাজনৈতিক দল ও প্রত্যক্ষ জনভোটের ক্ষমতা খর্ব করে স্থানীয় ৮০,০০০ (পরবর্তীতে ১,২০,০০০) নির্বাচিত প্রতিনিধির (বেসিক ডেমোক্র্যাট) মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও আইনসভার সদস্যদের নির্বাচন নিশ্চিত করে তাঁর স্বৈরাচারী শাসনকে দীর্ঘায়িত করা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' এর কর্মকাণ্ড 'দুর্নীতি' নামক মারাত্মক সামাজিক ও নাগরিক সমস্যাকে চিহ্নিত করে।

    সাধারণভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত অনৈতিক সুবিধা অর্জন বা জনসাধারণের অধিকার হরণ করাকে দুর্নীতি বলা হয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে দুর্নীতি সবচেয়ে বড় অন্তরায়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও জনসাধারণের কল্যাণে প্রাপ্ত সরকারি ত্রাণ বা বরাদ্দকৃত পণ্য অসহায় মানুষের মধ্যে বণ্টন না করে গোপনে বিক্রি করে আত্মসাৎ করেছেন। এটি সরাসরি অর্পিত দায়িত্বের বরখেলাপ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত দুর্নীতি। তাই 'ক'-এর এ ধরনের অপকর্ম সুস্পষ্টভাবে দুর্নীতির মতো নাগরিক সমস্যাকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত নাগরিক সমস্যাটি হলো 'দুর্নীতি'। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে দুর্নীতি নিরসনকল্পে নিম্নোক্ত সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা যেতে পারে:

    ১. আইনের কঠোর প্রয়োগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় এনে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।
    ২. স্বাধীন ও কার্যকর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক): দুদককে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করার পূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করা।
    ৩. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ: সরকারি বরাদ্দ, ত্রাণ বিতরণ ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জনগণের কাছে তথ্য উন্মুক্ত রাখা।
    ৪. নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ: পরিবার, বিদ্যালয় ও সামাজিক পর্যায়ে নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
    ৫. সুশীল সমাজ ও মিডিয়ার সক্রিয় ভূমিকা: গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের মাধ্যমে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও সোচ্চার প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন