পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

জনাব 'X' প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত একটি সংস্থায় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন। সংস্থাটি কয়েকটি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। সংগঠনটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য কাজ করে। এটির প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর পাঁচটি স্তর আছে। অপরদিকে জনাব 'Y' বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন কর্মকর্তা। তিনি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংস্থার একটি শাখায় কর্মরত। তিনি আফ্রিকার একটি দেশে শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত। তিনি সেখানকার বিদ্যমান বিরোধ মীমাংসায় সফল হন।

  1. ক)

    আন্তর্জাতিক আদালত কী?

    (1)
  2. খ)

    ওআইসি গঠিত হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    জনাব 'X' কোন সংস্থায় কাজ করছেন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    জনাব 'Y' এর কর্মরত সংস্থায় বাংলাদেশের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice) হলো জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ, যা নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত এবং রাষ্ট্রসমূহের মধ্যকার আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করে।

  2. খ)

    ওআইসি (Organisation of Islamic Cooperation) মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন। ১৯৬৯ সালে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যের প্রয়োজন দেখা দেয়। এর ফলে মরক্কোর রাবাতে সম্মেলনের মাধ্যমে ওআইসি গঠিত হয়। মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা, ঐক্য ও সংহতি বৃদ্ধি এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষা এর উদ্দেশ্য।

  3. গ)

    উদ্দীপকে বলা হয়েছে সংস্থাটি প্রতিবেশী কয়েকটি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত, সদস্যদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য কাজ করে এবং এর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর পাঁচটি স্তর আছে। তাই জনাব 'X' সার্ক (SAARC) সংস্থায় কাজ করছেন।

    সার্ক ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা। এর কাঠামো ধাপে ধাপে সাজানো: ১. শীর্ষ সম্মেলন, ২. মন্ত্রী পরিষদ, ৩. স্থায়ী কমিটি, ৪. কারিগরি কমিটি এবং ৫. সচিবালয়। সদস্য রাষ্ট্রের জনগণের কল্যাণ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এর লক্ষ্য। প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৮৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

  4. ঘ)

    জনাব 'Y' আফ্রিকার একটি দেশে শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিরোধ মীমাংসার কাজ করছেন এবং তিনি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংস্থার একটি শাখায় কর্মরত। এটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী। এ বাহিনীতে বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশংসনীয়।

    ১. অংশগ্রহণ: বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
    ২. শান্তি প্রতিষ্ঠা: বাংলাদেশের সদস্যরা সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, শৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় কাজ করেছেন।
    ৩. সুনাম অর্জন: পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। এতে বিশ্বসভায় বাংলাদেশের মর্যাদা বেড়েছে।

    সুতরাং, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সফল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন