ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১

ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র প্রশ্ন

ইসলামি আইনকানুন ও ইবাদাত সম্পর্কিত মৌলিক বিষয়সমূহ ব্যতীত . সেগুলোর শাখা-প্রশাখাতে মুসলিম আইন বিশারদগণের বিভিন্ন মতামত পাওয়া যায়। এরকম একজন আইনবিশারদ ৮০ হিজরি সনে কুফায় জন্ম গ্রহণ করেন। সতেরো বছর বয়সে বিশেষভাবে বিদ্যার্জনে মনোনিবেশ করেন। তিনি হাম্মাদের নিকট ১০ বছর যাবৎ মাস'আলা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন । খলিফা মনসুর তাঁকে কারাগারে বন্দি করেন এবং সেখানেই ১৫০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

  1. ক)

    ফিক্হশাস্ত্রের চারটি উৎসের নাম লেখ ।

    (1)
  2. খ)

    ‘নেতৃত্ব হাসিল করার পূর্বে তোমরা ফিক্হ হাসিল করো'- এ কথা কেন বলা হয়েছে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে মুসলিম আইন বিশারদগণের বিভিন্ন মতামত বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা কর ।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে কার কথা বলা হয়েছে? ফিকহশাস্ত্রে তাঁর অবদান মূল্যায়ন কর ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ফিক্হশাস্ত্রের চারটি প্রধান উৎস হলো: আল-কুরআন, সুন্নাহ (হাদিস), ইজমা এবং কিয়াস।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হযরত উমর (রা.) বলেছেন, ‘নেতৃত্ব হাসিল করার পূর্বে তোমরা ফিক্হ হাসিল করো।’ কারণ নেতা বা দায়িত্বশীল হলে মানুষের ওপর হুকুম জারি করতে হয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে হয়। শরিয়তের গভীর জ্ঞান ও ফিকহি উপলব্ধি না থাকলে নেতৃত্বের আসনে বসে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এবং জাতিকে সঠিক পথে পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। নেতৃত্বলাভের পর ব্যস্ততার কারণে জ্ঞানার্জনের সুযোগও কমে যায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ‘মুসলিম আইন বিশারদগণের বিভিন্ন মতামত’ বলতে শরিয়তের শাখাগত (ফুরুঈ) মাসআলা-মাসায়েলে ফকিহদের ভিন্ন ভিন্ন ইজতিহাদি অভিমত বা মতভেদকে বোঝানো হয়েছে। কুরআনে ও সুন্নাহর মৌলিক বিধান যেমন— নামাজ, রোজা, তাওহিদ ইত্যাদিতে কোনো মতভেদ নেই। কিন্তু আধুনিক ও নিত্যনতুন সমস্যাবলি সমাধান কিংবা যেসব ক্ষেত্রে স্পষ্ট পাঠ নেই, সেখানে ফকিহগণ নিজ নিজ গবেষণা ও ইজতিহাদের ভিত্তিতে বিভিন্ন মতামত দিয়েছেন, যার ওপর ভিত্তি করে হানাফি, শাফেয়ি, মালিকি ও হাম্বলি মাযহাব গড়ে উঠেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ৮০ হিজরিতে কুফায় জন্মগ্রহণকারী এবং ১৫০ হিজরিতে আব্বাসীয় খলিফা আল-মনসুরের কারাগারে মৃত্যুবরণকারী বিশিষ্ট আইনবিশারদ ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর কথা বলা হয়েছে।
    ফিকহশাস্ত্রে তাঁর অবদান অপরিসীম। তিনি ছিলেন ফিকহশাস্ত্রের সুশৃঙ্খল বিন্যাসকারী এবং হানাফি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি প্রায় ৪০ জন বিজ্ঞ শিষ্যের সমন্বয়ে একটি ‘আইন সম্পাদনা বোর্ড’ গঠন করে হাজার হাজার দৈনন্দিন ও সম্ভাব্য আইনি সমস্যার সমাধান কুরআন, সুন্নাহ ও কিয়াসের আলোকে সংকলন করেন। তিনি সর্বপ্রথম বিষয়ভিত্তিক অধ্যায়ে ফিকহকে বিন্যস্ত করেন। এ কারণে তাঁকে ‘ইমামে আজম’ বা সর্বশ্রেষ্ঠ ইমাম বলা হয় এবং বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিম তাঁর ফিকহি সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে থাকেন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন