‍অর্থনীতি ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

‍অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    মৌলিক অর্থনৈতিক সমস্যা কি?

    (1)
  2. খ)

    মিশ্র অর্থব্যবস্থায় মূল্য কিভাবে নির্ধারিত হয়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন ধরনের ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে কর একজন উৎপাদনকারীর পক্ষে E ও F এবং C বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অসীম অভাব এবং সীমিত সম্পদের মধ্যকার সমন্বয় সাধন করতে গিয়ে যে মৌলিক সমস্যার সৃষ্টি হয়, তাকে মৌলিক অর্থনৈতিক সমস্যা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মিশ্র অর্থব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণ—এই দুইয়ের সমন্বয়ে মূল্য নির্ধারিত হয়।

    এই অর্থব্যবস্থায় বেসরকারি খাতের উৎপাদিত অধিকাংশ দ্রব্য ও সেবার মূল্য বাজার চাহিদা ও জোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হয়। তবে জনস্বার্থে এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা খাতের ওপর মূল্য নিয়ন্ত্রণ বা সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করতে পারে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'সুযোগ ব্যয়' (Opportunity Cost)-এর কথা বলা হয়েছে।

    কোনো একটি দ্রব্যের অতিরিক্ত উৎপাদন পাওয়ার জন্য অপর একটি দ্রব্যের যে পরিমাণ উৎপাদন ছেড়ে দিতে হয়, তাকে প্রথম দ্রব্যটির সুযোগ ব্যয় বলে।

    উদ্দীপকের চিত্রে AD হলো উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা। উৎপাদক যখন B বিন্দু থেকে C বিন্দুতে যায়, তখন X দ্রব্যের উৎপাদন x1x_1 থেকে বৃদ্ধি পেয়ে x2x_2 হয় (বৃদ্ধি পায় x1x2x_1x_2 পরিমাণ)। কিন্তু এর ফলে Y দ্রব্যের উৎপাদন y1y_1 থেকে হ্রাস পেয়ে y2y_2 হয় (কমে যায় y1y2y_1y_2 পরিমাণ)। অর্থাৎ, অতিরিক্ত x1x2x_1x_2 পরিমাণ X দ্রব্য উৎপাদনের জন্য উৎপাদককে y1y2y_1y_2 পরিমাণ Y দ্রব্যের উৎপাদন ত্যাগ করতে হয়। এই ত্যাগকৃত y1y2y_1y_2 পরিমাণ হলো x1x2x_1x_2 পরিমাণ X দ্রব্যের সুযোগ ব্যয়। সুতরাং চিত্রে সুযোগ ব্যয়ের ধারণা প্রতিফলিত হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের আলোকে একজন উৎপাদনকারীর পক্ষে C বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব হলেও E ও F বিন্দুতে কাম্য বা সম্ভবপর উৎপাদন করা যথাযথ নয়।

    নিম্নে প্রতিটি বিন্দুর সম্ভাব্যতা বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. C বিন্দু: C বিন্দুটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা (AD)-র ওপর অবস্থিত। এই বিন্দুতে দেশের বিদ্যমান সম্পদ ও চলতি প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষ ও পূর্ণ নিয়োগ স্তরে উৎপাদন করা সম্ভব। সুতরাং C বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্পূর্ণরূপে সম্ভব এবং যৌক্তিক।

    ২. F বিন্দু: চিত্রে F বিন্দুটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখার বাইরে অবস্থিত। বিদ্যমান সম্পদ ও প্রযুক্তি দিয়ে এই বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। তাই একে অর্জন-অযোগ্য (Unattainable) অঞ্চল বা বিন্দু বলা হয়।

    ৩. E বিন্দু: চিত্রে E বিন্দুটি সাধারণত উৎপাদন সম্ভাবনা রেখার ভেতরের কোনো বিন্দুকে (যেমন অক্ষদ্বয়ের অন্তর্গত আয়তক্ষেত্রের ভেতরে) নির্দেশ করে। রেখার অভ্যন্তরের বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব হলেও সেখানে সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার বা বেকারত্ব বিরাজ করে, যা অদক্ষ উৎপাদন নির্দেশ করে।

    অতএব, একজন সচেতন উৎপাদনকারী কখনোই F বিন্দুতে উৎপাদন করতে পারবে না এবং E বিন্দুতে সম্পদের অপব্যবহার থাকায় সেখানে উৎপাদন কাম্য নয়; বরং C বিন্দুতেই পূর্ণ দক্ষতা সহকারে উৎপাদন করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন