গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল বোর্ড ২০১৮
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
প্রকৃত আয় কী?
- খ)(2)
বাজেট অর্থের অপচয় রোধ করে- বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
ছক-A কোন সম্পদের ধারণা দেয়? সম্পদগুলো পারস্পরিক বিনিময়যোগ্য নয়- ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
ছক-A এর যথার্থ ব্যবহার পরোক্ষভাবে ছক-B এর সমৃদ্ধি ঘটায়- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নির্দিষ্ট সময়ে পরিবার তার অর্জিত আর্থিক আয় দিয়ে বা পরিবারের সদস্যদের সেবা ও সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের মাধ্যমে যেসব বস্তুগত সামগ্রী ও সেবা লাভ করে, তাকে প্রকৃত আয় বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাজেট হলো পরিবারের নির্দিষ্ট সময়ের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের একটি ভবিষ্যৎ লিখিত পরিকল্পনা।
বাজেটে পরিবারের প্রয়োজনীয়তার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন খাতে ব্যয় বণ্টন করা হয়। এতে কোন খাতে কত খরচ হবে তা পূর্বনির্ধারিত থাকায় অপ্রয়োজনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত খাতে অর্থ ব্যয়ের সুযোগ থাকে না। ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হিসেবি মনোভাব গড়ে ওঠে এবং সীমিত আয়ের সঠিক ও সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয়, যা অর্থের যেকোনো ধরনের অপচয় কার্যকরভাবে রোধ করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ছক-A মানবীয় সম্পদের (Human Resources) ধারণা দেয়।
যেসব সম্পদ মানুষের অভ্যন্তরীণ গুণাবলি বা বৈশিষ্ট্য এবং যা বাইরে থেকে দেখা বা স্পর্শ করা যায় না, সেগুলোকে মানবীয় সম্পদ বলে। উদ্দীপকের ছক-A তে উল্লিখিত সময়, শক্তি, জ্ঞান এবং দক্ষতা মানুষের নিজস্ব সত্তা ও ব্যক্তিত্বের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত।
মানবীয় সম্পদগুলো কোনোভাবেই একজনের কাছ থেকে অন্যজনের কাছে সরাসরি হস্তান্তর বা পারস্পরিক বিনিময় করা যায় না। যেমন—নিজের জ্ঞান, বুদ্ধি বা শারীরিক শক্তি অন্যের কাছে সরাসরি স্থানান্তর বা বিনিময় করে দেওয়া সম্ভব নয়; বরং অন্যকে শেখানো বা সাহায্য করা যেতে পারে। এছাড়া সময় এমন এক সম্পদ, যা অতিবাহিত হয়ে গেলে ফেরত বা বিনিময় পাওয়া যায় না। তাই বলা যায়, ছক-A এর মানবীয় সম্পদগুলো পারস্পরিক বিনিময়যোগ্য নয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ছক-A নির্দেশ করে মানবীয় সম্পদ (সময়, শক্তি, জ্ঞান, দক্ষতা) এবং ছক-B নির্দেশ করে অমানবীয় বা বস্তুগত সম্পদ (অর্থ, জমি, গাড়ি, বাড়ি)। উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত; ছক-A এর যথার্থ ব্যবহার পরোক্ষভাবে ছক-B এর সমৃদ্ধি ঘটায়।
মানুষের অন্তর্নিহিত মানবীয় সম্পদগুলোকে কাজে লাগিয়েই অমানবীয় বা বস্তুগত সম্পদ অর্জন ও বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়। নিচে এর সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো:
১. অর্থ উপার্জন ও বৃদ্ধি: একজন ব্যক্তি যখন তার জ্ঞান ও দক্ষতাকে কর্মক্ষেত্রে বা পেশাগত জীবনে দক্ষতার সাথে কাজে লাগায়, তখন তার উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং এর মাধ্যমে বেশি অর্থ উপার্জন সম্ভব হয়।
২. সময় ও শক্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা: নির্দিষ্ট সময়ের সদ্ব্যবহার এবং শারীরিক ও মানসিক শক্তির সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে কাজের গতি ও গুণগত মান বাড়ে, যা অতিরিক্ত আয় ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনে।
৩. বস্তুগত সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ: জ্ঞান ও দক্ষতার মাধ্যমে ব্যক্তি জমি, গাড়ি, বাড়ি ইত্যাদি বস্তুগত সম্পদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কৃষিকাজে আধুনিক জ্ঞান প্রয়োগ করে অল্প জমিতে অধিক ফসল ফলিয়ে মুনাফা অর্জন করা যায়।সুতরাং, মানবীয় সম্পদের (ছক-A) যথাযথ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই কেবল অমানবীয় সম্পদের (ছক-B) সৃষ্টি, বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি ঘটে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও