ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫
ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র প্রশ্ন
ক-ব্যাংকটি জনগণের কল্যাণের উদ্দেশ্যে কাজ করে। প্রয়োজনমাফিক মুদ্রা ছাপানো, এর যথাযথ মূল্যমান সংরক্ষণ, মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে, খ-ব্যাংকটি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে যাবতীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং ক-ব্যাংকের যাবতীয় নির্দেশনা মেনে চলে।
- ক)(1)
মার্চেন্ট ব্যাংক কী?
- খ)(2)
তফসিলি ব্যাংক বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত ক-ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের খ-ব্যাংকটিকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ক-ব্যাংকের নিয়মনীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম করতে হবে-বক্তব্যের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মার্চেন্ট ব্যাংক হলো এমন এক ধরনের বিশেষায়িত আর্থিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, যা মূলত করপোরেট গ্রাহকদের শেয়ার ইস্যু, অবলিখন (Underwriting), পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক পরামর্শ সেবা প্রদান করে থাকে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যেসব বাণিজ্যিক ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকা বা তফসিলভুক্ত হয়ে তার নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেগুলোকে তফসিলি ব্যাংক বলে।
তফসিলি ব্যাংক হতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন, সংরক্ষিত তহবিল ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। এর বিনিময়ে এসব ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিকাশঘর সুবিধা এবং শেষ আশ্রয়ের স্থল হিসেবে ঋণসুবিধাসহ বিভিন্ন প্রত্যক্ষ সহায়তা পায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক-ব্যাংকটি' হলো একটি 'কেন্দ্রীয় ব্যাংক'।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো কোনো দেশের মুদ্রা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার সর্বোচ্চ অভিভাবক ও নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান, যা মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে নয় বরং জনকল্যাণ এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে।
উদ্দীপকে উল্লেখ আছে যে, ক-ব্যাংকটি জনগণের কল্যাণের উদ্দেশ্যে কাজ করে, দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী মুদ্রা ছাপায় ও এর মান সংরক্ষণ করে এবং সামগ্রিক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণে রাখে। মুদ্রা প্রচলন, মুদ্রার মান সংরক্ষণ ও মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ শুধুমাত্র একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরই মৌলিক ও একক দায়িত্ব। অতএব, ক-ব্যাংকটি একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের খ-ব্যাংকটিকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ক-ব্যাংকের নিয়মনীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে—বক্তব্যটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
উদ্দীপকে খ-ব্যাংকটি হলো একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ক-ব্যাংকটি হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের সার্বিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার অভিভাবক, নিয়ন্ত্রক এবং 'ব্যাংকসমূহের ব্যাংক' হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বৈধভাবে ব্যাংকিং পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত হতে হয়।
বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে খ-ব্যাংকটিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (SLR), নগদ জমা অনুপাত (CRR) এবং অন্যান্য ঋণনীতি ও তদারকি নীতিমালা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেনে চলতে হয়। খ-ব্যাংক যদি নিয়ম ভঙ্গ করে, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ওপর জরিমানা আরোপ করতে পারে, নিকাশঘর সুবিধা বাতিল করতে পারে কিংবা ব্যাংকিং লাইসেন্স পর্যন্ত বাতিল করতে পারে। তাছাড়া জরুরি আর্থিক সংকটের মুহূর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকই বাণিজ্যিক ব্যাংকের জন্য 'ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল' হিসেবে রক্ষা করে।
অতএব, নিজের অস্তিত্ব রক্ষা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সুনামের সাথে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খ-ব্যাংকের পক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ক-ব্যাংক)-এর নিয়মনীতি সতর্কতার সাথে মেনে চলা অপরিহার্য ও অত্যন্ত যৌক্তিক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও