যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৪
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
অমাধ্যম অনুমানে কয়টি যুক্তিবাক্য থাকে?
- খ)(2)
মধ্যপদ সিদ্ধান্তে থাকে না কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে 'A' অংশের মধ্যপদের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের আলোকে 'A' এবং 'B' অংশের মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অমাধ্যম অনুমানে মোট ২টি যুক্তিবাক্য থাকে (১টি আশ্রয়বাক্য ও ১টি সিদ্ধান্ত)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সহানুমান বা মাধ্যম অনুমানে মধ্যপদের মূল কাজ হলো দুটি আশ্রয়বাক্যের প্রধান পদ ও অপ্রধান পদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে দেওয়া।
মধ্যপদ দুটি আশ্রয়বাক্যেই উপস্থিত থেকে তাদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে এবং সিদ্ধান্তের ভিত্তি রচনা করে। সিদ্ধান্ত গঠিত হয়ে গেলে তাদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে যায়, ফলে মধ্যপদের আর কোনো প্রয়োজনীয়তা অবশিষ্ট থাকে না। এ কারণে মধ্যপদ কখনই সিদ্ধান্তে উপস্থিত থাকে না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ছকে 'A' অংশটি 'মাধ্যম অনুমান'কে নির্দেশ করছে, কারণ এতে 'একাধিক আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্ত' রয়েছে।
মাধ্যম অবরোহ অনুমানে (যেমন: সহানুমানে) মধ্যপদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
১. সংযোজক বা সেতুবন্ধন হিসেবে: মধ্যপদ উভয় আশ্রয়বাক্যে বিদ্যমান থেকে প্রধান পদ ও অপ্রধান পদের মধ্যে পারস্পরিক সম্বন্ধ বা যোগসূত্র তৈরি করে।
২. সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠায় সহায়ক: মধ্যপদের মাধ্যমেই আশ্রয়বাক্য দুটি যৌক্তিকভাবে যুক্ত হয় এবং তাদের ভিত্তিতে একটি অনিবার্য সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয়।
৩. মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা: দুটি ভিন্ন ধারণার মধ্যে সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য তুলনা করতে মধ্যপদ মাপকাঠি বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর মধ্যপদ সিদ্ধান্তে বিলুপ্ত হয়ে যায়। সুতরাং, মাধ্যম অনুমানের সিদ্ধান্ত গঠনে মধ্যপদের ভূমিকা অপরিহার্য। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ছকে 'A' অংশটি নির্দেশ করে মাধ্যম অবরোহ অনুমান এবং 'B' অংশটি নির্দেশ করে অমাধ্যম অবরোহ অনুমান। নিম্নে এদের মধ্যকার তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো:
১. আশ্রয়বাক্যের সংখ্যাগত পার্থক্য: মাধ্যম অনুমানে ('A') সিদ্ধান্তটি একাধিক (সাধারণত দুটি) আশ্রয়বাক্য থেকে নিঃসৃত হয়। অন্যদিকে, অমাধ্যম অনুমানে ('B') সিদ্ধান্তটি সরাসরি মাত্র একটি আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়।
২. যুক্তিবাক্যের মোট সংখ্যা: মাধ্যম অনুমানে কমপক্ষে তিনটি যুক্তিবাক্য থাকে (দুটি আশ্রয়বাক্য ও একটি সিদ্ধান্ত)। কিন্তু অমাধ্যম অনুমানে মোট দুটি যুক্তিবাক্য থাকে (একটি আশ্রয়বাক্য ও একটি সিদ্ধান্ত)।
৩. পদের সংখ্যা ও মধ্যপদের উপস্থিতি: মাধ্যম অনুমানে তিনটি ভিন্ন পদ থাকে (প্রধান পদ, অপ্রধান পদ এবং মধ্যপদ), যেখানে মধ্যপদ আশ্রয়বাক্যদ্বয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। অন্যদিকে, অমাধ্যম অনুমানে কেবল দুটি পদ থাকে (উদ্দেশ্য ও বিধেয়) এবং এতে কোনো মধ্যপদের অস্তিত্ব থাকে না।
৪. প্রকৃতি ও জটিলতা: মাধ্যম অনুমান তুলনামূলকভাবে জটিল এবং এতে মধ্যপদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়। পক্ষান্তরে, অমাধ্যম অনুমান তুলনামূলকভাবে সরল এবং প্রত্যক্ষ প্রক্রিয়ায় আশ্রয়বাক্য থেকেই সরাসরি সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।
অতএব, উদ্দীপকের 'A' (মাধ্যম) এবং 'B' (অমাধ্যম) উভয়ই অবরোহ অনুমানের প্রকারভেদ হলেও এদের আশ্রয়বাক্যের সংখ্যা, মধ্যপদের ভূমিকা এবং সিদ্ধান্ত অনুধাবনের পদ্ধতিতে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও