পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২১
পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
উদ্দীপকে একটি NPN ট্রানজিস্টর দেখানো হলো :

- ক)(1)
তরঙ্গমুখ কী?
- খ)(2)
যে লজিক গেটের দুটি ইনপুট একই হলে আউটপুট শূন্য হয় তা ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
ট্রানজিস্টরটির কারেন্ট বিবর্ধন গুণক নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
চিত্রের ইনপুট সংকেতকে যদি বিবর্ধিত আকারে আউটপুটে দেখতে চাই তবে উদ্দীপকের কী ধরনের পরিবর্তন করতে হবে? বিশ্লেষণসহ মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো তরঙ্গের ওপর অবস্থিত সমদশাসম্পন্ন কণাগুলোর গতিপথ বা তলকে তরঙ্গমুখ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে লজিক গেটের দুটি ইনপুট একই হলে আউটপুট শূন্য (০) হয়, তা হলো এক্সক্লুসিভ-অর বা এক্স-অর (XOR) গেট।
XOR গেটের বুলিয়ান সমীকরণ হলো:
১. যখন দুটি ইনপুটই 0 হয় (), তখন ।
২. যখন দুটি ইনপুটই 1 হয় (), তখন ।
অর্থাৎ, ইনপুট দুটি সদৃশ বা একই (উভয়ই 0 বা উভয়ই 1) হলে এর আউটপুট মান শূন্য (০) পাওয়া যায়। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপক থেকে পাই,
নিঃসারক প্রবাহ,
পীঠ বা বেস প্রবাহ,আমরা জানি,
বা, সংগ্রাহক প্রবাহ,
সাধারণ পীঠ (Common Base) সংযোগে কারেন্ট বিবর্ধন গুণক (Current amplification factor), হলে:
[অথবা, সাধারণ নিঃসারক (Common Emitter) সংযোগ বিবেচনায় কারেন্ট বিবর্ধন গুণক (বা প্রবাহ লাভ), হলে:
]অতএব, ট্রানজিস্টরটির কারেন্ট বিবর্ধন গুণক (বা )।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
চিত্রের ইনপুট সংকেতকে আউটপুটে বিবর্ধিত আকারে দেখতে হলে ট্রানজিস্টরটিকে একটি বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। এজন্য বর্তনীতে নিম্নোক্ত পরিবর্তনসমূহ আনতে হবে:
১. সঠিক কনফিগারেশন নির্বাচন: ট্রানজিস্টরকে বিবর্ধক হিসেবে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ও বহুল ব্যবহৃত কনফিগারেশন হলো সাধারণ নিঃসারক (Common Emitter - CE) সংযোগ। সুতরাং ট্রানজিস্টরটির নিঃসারক (Emitter)-কে ইনপুট ও আউটপুট উভয় বর্তনীর জন্য সাধারণ বা কমন করতে হবে।
২. সঠিক বায়াসিং (ঝোঁক প্রদান):
- ট্রানজিস্টরের ইনপুট বর্তনীতে অর্থাৎ নিঃসারক-পীঠ (Emitter-Base) সংযোগকে উপযুক্ত ডিসি ভোল্টেজ () দিয়ে সম্মুখী বায়াস (Forward bias) দিতে হবে।
- আউটপুট বর্তনীতে অর্থাৎ নিঃসারক-সংগ্রাহক (Emitter-Collector) সংযোগকে উচ্চমানের ডিসি ভোল্টেজ () দিয়ে বিমুখী বায়াস (Reverse bias) দিতে হবে।
৩. লোড রোধ এবং ইনপুট সংযোগ:
- ইনপুট সংকেতটিকে (Input Signal) একটি কাপলিং ক্যাপাসিটরের মাধ্যমে পীঠ ও নিঃসারকের মধ্যে প্রয়োগ করতে হবে।
- সংগ্রাহক বর্তনীতে একটি উপযুক্ত মানের লোড রোধ () যুক্ত করতে হবে, যার দুই প্রান্ত থেকে বিবর্ধিত আউটপুট সংকেত সংগ্রহ করা যাবে।
বিশ্লেষণ:
সাধারণ নিঃসারক সংযোগে ইনপুট সংকেতের ক্ষুদ্র পরিবর্তনের কারণে বেস প্রবাহ -এর পরিবর্তন ঘটে। ট্রানজিস্টরের উচ্চ কারেন্ট লাভ এর কারণে সংগ্রাহক প্রবাহে একটি বৃহৎ পরিবর্তন () সৃষ্টি হয়। এই পরিবর্তিত সংগ্রাহক প্রবাহ লোড রোধ -এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে এর দুই প্রান্তে বৃহৎ ভোল্টেজ পরিবর্তন পাওয়া যায়, যা ইনপুট সংকেতের একটি বিবর্ধিত রূপ (এবং সাধারণত ১৮০° দশা পরিবর্তিত)।সুতরাং, উল্লিখিত উপায়ে ডিসি বায়াসিং এবং রোধ যুক্ত করে যথাযথ অ্যামপ্লিফায়ার বর্তনীতে রূপান্তর করার মাধ্যমেই ইনপুট সংকেতের বিবর্ধিত রূপ আউটপুটে পাওয়া সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও