গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল বোর্ড ২০১৮

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

সহপাঠী রুবেল ও পলাশ প্রায় পাঁচ বছর আগে এম.এ পাশ করেছে। মায়ের একমাত্র সন্তান রুবেল অনেক চেষ্টা করলেও এখনও তার চাকুরী অনিশ্চিত। পলাশ চার বছর ধরে পুলিশ বিভাগে চাকুরী করছে। কাজ ও প্রশিক্ষণ একই সাথে চলার কারণে তাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। পলাশের কর্মস্থল দূরে হওয়ায় বাসায় ফিরতে তার রাত হয়। বাড়ি ফিরে তারা দুজনেই ক্লান্তি অনুভব করে।

  1. ক)

    কাজ সহজকরণ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    সময় তালিকা বাস্তবায়নে সচেতনতা আবশ্যক- বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    রুবেল কোন ধরনের ক্লান্তিতে ভুগছে? এই ক্লান্তি দূরীকরণের তার মা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে- ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ভিন্ন দুটি কারণে পলাশ ক্লান্ত হচ্ছে- উক্তিটি সমর্থনে যুক্তি দেখাও ও তা নিরসনের উপায় বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কম সময় ও শক্তি ব্যয় করে কোনো কাজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিকে কাজ সহজকরণ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সময় তালিকা অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের জন্য সচেতনতা একান্ত আবশ্যক। শুধু একটি সুন্দর সময় তালিকা তৈরি করলেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয় না, বরং তা সঠিকভাবে মেনে চলার মানসিকতা ও সতর্কতা থাকতে হয়। সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং কাজের অগ্রগতির প্রতি সচেতন না হলে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করা যায় না এবং পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যায়। তাই সময় তালিকা বাস্তবায়নে সচেতনতা প্রয়োজন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত রুবেল মানসিক ক্লান্তিতে ভুগছে।

    এম.এ পাশ করার প্রায় পাঁচ বছর পরও চাকরি না পাওয়ায় রুবেলের মধ্যে হতাশা ও একঘেয়েমি তৈরি হয়েছে, যা মানসিক বা মনস্তাত্ত্বিক ক্লান্তির বহিঃপ্রকাশ। এই ক্লান্তি দূরীকরণে তার মা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। মা রুবেলকে মানসিক সাহস ও অনুপ্রেরণা দিতে পারেন, তাকে ধৈর্য ধরতে উৎসাহিত করতে পারেন। এছাড়া রুবেলের কাজের পরিবেশ পরিবর্তন, রুচিসম্মত খাদ্যাভ্যাস এবং পরিবারের সান্নিধ্য দিয়ে তার মানসিক অবসাদ কমাতে মা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পলাশের ক্লান্তি শারীরিক ও মানসিক—এই দুটি ভিন্ন কারণে ঘটছে।

    পলাশকে পুলিশ বিভাগের কঠিন কাজের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ নিতে হয় এবং তার কর্মস্থল দূরে হওয়ায় যাতায়াতে অনেক সময় ব্যয় হয় ও কায়িক পরিশ্রম হয়, যার ফলে সে শারীরিক ক্লান্তিতে ভোগে। একই সাথে দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, অতিরিক্ত কাজের চাপ ও ঘরে ফিরতে দেরি হওয়ার ফলে তার মধ্যে মানসিক চাপ বা একঘেয়েমি তৈরি হয়, যা মানসিক ক্লান্তির উৎস।

    তা নিরসনের উপায়:
    ১. কাজের মাঝে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পরিমিত ঘুমের ব্যবস্থা করা।
    ২. পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে দৈহিক শক্তি বৃদ্ধি করা।
    ৩. কর্মস্থলে কাজ সহজকরণের নিয়ম প্রয়োগ করা এবং কাজের অতিরিক্ত চাপ কমানোর পরিকল্পনা করা।
    ৪. অবসর সময়ে গঠনমূলক বিনোদন বা পরিবারের সাথে গুণগত সময় কাটিয়ে মানসিক অবসাদ দূর করা।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন