সমাজকর্ম ২য় পত্র • সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০২৬
সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশ। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা, অপরাধ দমন ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা এবং যে কোনো জরুরি অবস্থায় সরকার ও জনগণকে সাহায্য করতে বাংলাদেশে একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।
- ক)(1)
ধর্ম কী?
- খ)(2)
গণমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ বলা হয় কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে?—ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
সামাজিক সমস্যা নিরসনে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা যথেষ্ট কিনা? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ধর্ম হলো অতিপ্রাকৃতিক শক্তিতে বিশ্বাস এবং সেই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা কতগুলো আচার-অনুষ্ঠান, বিধিবিধান ও মূল্যবোধের সমষ্টি।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গণমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ বলা হয় কারণ এটি সমাজের বাস্তব চিত্র, সুখ-দুঃখ, সমস্যা, অন্যায়-অবিচার ও সার্বিক ঘটনাবলি নিরপেক্ষভাবে জনগণের সামনে প্রতিফলিত করে। আয়না যেমন মানুষের আসল রূপ দেখায়, তেমনি গণমাধ্যমও সমাজের সঠিক চিত্রটি তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'পুলিশ' (বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করে, অপরাধ দমন ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে এবং জরুরি অবস্থায় সরকার ও জনগণকে সাহায্য করে। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় পুলিশ বাহিনী একটি গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক সামাজিক নিয়ন্ত্রণমূলক প্রতিষ্ঠান। এটি সমাজের অভ্যন্তরে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সামাজিক সমস্যা নিরসনে উক্ত প্রতিষ্ঠানের (পুলিশ বাহিনী) ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা একাই 'যথেষ্ট নয়'।
এর সপক্ষে যুক্তিগুলো নিম্নরূপ:
১. সমস্যা সৃষ্টির বহুমুখী কারণ: সামাজিক সমস্যাগুলো যেমন দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অজ্ঞতা, কুসংস্কার, পারিবারিক ভাঙন ইত্যাদির মূলে রয়েছে গভীর আর্থ-সামাজিক কারণ। পুলিশ কেবল সমস্যাগুলোর ফলস্বরূপ ঘটা অপরাধ দমন করতে পারে, কিন্তু মূল কারণ নির্মূল করতে পারে না।
২. সামাজিক প্রতিরোধ ও সচেতনতা: মাদকাসক্তি, যৌতুক, বাল্যবিয়ে কিংবা নারী নির্যাতনের মতো সমস্যাগুলো কেবল আইন প্রয়োগ বা গ্রেপ্তারের মাধ্যমে বন্ধ করা সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের সম্মিলিত সচেতনতা।
৩. পুনর্বাসন ও সামাজিক সেবা: অপরাধীদের শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হয় না, তাদের উপযুক্ত সংশোধন, মানসিক উন্নয়ন এবং পুনর্বাসনের প্রয়োজন হয়, যা সমাজকর্ম ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কাজ।সুতরাং, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য হলেও সামাজিক সমস্যা সম্পূর্ণরূপে নিরসনে অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের যৌথ উদ্যোগ অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও