ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
জনাব রায়হান একটি রপ্তানিমুখী গামেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। এজন্য একটি প্রতিষ্ঠান তাকে তৈরি পোশাক সংক্রান্ত সব তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছিল। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে ৫০০ শ্রমিক কর্মচারী উৎপাদন কাজে নিয়োজিত ।
- ক)(1)
বণিক সভা বলতে কী বোঝায়?
- খ)(2)
WTO কী উদ্দেশ্য নিয়ে গঠন করা হয়? ব্যাখ্যা করো ।
- গ)(3)
জনাব রায়হানকে সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
জনাব রায়হানের প্রতিষ্ঠানটির মান উন্নয়নে আরও কী কী করা যায়। এ ব্যাপারে তোমার মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নির্দিষ্ট এলাকা বা দেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের স্বার্থরক্ষা, ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রসার ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ব্যবসায়ীদের পেশাগত ও স্বায়ত্তশাসিত সংগঠনকে বণিক সভা (Chamber of Commerce) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে অবাধ, উন্মুক্ত, নিয়মমাফিক ও বিরোধমুক্ত করার উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশের মধ্যকার শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করা, বাণিজ্যে সমসুযোগ সৃষ্টি করা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংক্রান্ত বহুপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনাব রায়হানকে সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠানটি একটি ব্যবসায় সহায়ক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, বিশেষত এটি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB) কিংবা পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (যেমন- BGMEA)-এর মতো একটি প্রাতিষ্ঠানিক বাণিজ্য সংগঠন বা সরকারি/আধাসরকারি সহযোগী সংস্থা। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি হলো বাণিজ্য তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণ, বৈদেশিক বাজার অনুসন্ধান, নতুন শিল্পোদ্যোক্তাদের পরামর্শ ও নীতিগত সহায়তা প্রদান এবং রপ্তানিমুখী খাতের জন্য দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করা।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনাব রায়হানের রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানটির মান ও উৎপাদনশীলতা আরও উন্নয়নের জন্য নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা যায়:
১. শ্রমিক-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত সেলাই পদ্ধতির ওপর নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
২. আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা।
৩. মাননিয়ন্ত্রণ (Quality Control) বিভাগের কঠোর নজরদারি বৃদ্ধি করে পণ্যের ত্রুটিহীনতা নিশ্চিত করা।
৪. কর্মীদের ন্যায্য মজুরি, প্রণোদনা ও অন্যান্য কল্যাণমূলক সুবিধা নিশ্চিত করে তাদের মনোবল বৃদ্ধি করা।
৫. উৎপাদন প্রক্রিয়ায় আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় মেশিনারিজের ব্যবহার বৃদ্ধি করা।
এসব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সামগ্রিক মান বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও