যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

ঘটনা-১: দেশের জনগণ যতই পরিশ্রমী হয় দেশের সমৃদ্ধি ততই বৃদ্ধি পায় এবং জনগণ পরিশ্রমী না হলে দেশের সমৃদ্ধি হ্রাস পায়।ঘটনা-২:: পূর্বগ PQR PRS PSTঅনুগ UVW UWX UXY P হলো U এর কারণ

  1. ক)

    সহপরিবর্তন পদ্ধতি কী?

    (1)
  2. খ)

    সহপরিবর্তন পদ্ধতির অপনয়ন সূত্রটি ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    ঘটনা-১ এ কোন ধরনের পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতির প্রতিফলন হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ঘটনা-২ এ কার্যকারণ সম্পর্কের যে পদ্ধতির নির্দেশ কর হয়েছে, তার সুবিধা-অসুবিধাসমূহ আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতিতে কোনো ঘটনার একটি বিশেষ পরিবর্তনের সাথে অন্য একটি ঘটনার অনুরূপ পরিবর্তন লক্ষ্য করে তাদের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়, তাকে সহপরিবর্তন পদ্ধতি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সহপরিবর্তন পদ্ধতির অপনয়ন সূত্রটি হলো: "একটি ঘটনা যেভাবে পরিবর্তিত হয়, অন্য একটি ঘটনাও যদি ঠিক সেভাবে পরিবর্তিত হয়, তবে সেই ঘটনাটি হয় অপর ঘটনাটির কারণ বা কার্য, অথবা কোনো কার্যকারণ সূত্রের দ্বারা তার সাথে সম্পর্কিত।" অর্থাৎ, কোনো বিষয়ের বৃদ্ধি বা হ্রাসের সাথে যদি অপর কোনো বিষয়ের সুনির্দিষ্ট হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে, তবে অপরিবর্তিত বা অসংলগ্ন বিষয়গুলোকে বাদ দিয়ে তাদের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত করা যায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ঘটনা-১ এ জন স্টুয়ার্ট মিলের পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতির 'সহপরিবর্তন পদ্ধতি'র (Method of Concomitant Variation) প্রতিফলন ঘটেছে।
    সহপরিবর্তন পদ্ধতি অনুযায়ী, দুটি বিষয়ের একটির হ্রাস বা বৃদ্ধির সাথে যদি অন্যটিরও নিয়মিতভাবে হ্রাস বা বৃদ্ধি ঘটে, তবে তাদের মধ্যে একটি কার্যকারণ সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে।
    উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ দেখা যাচ্ছে, দেশের জনগণ যত বেশি পরিশ্রমী হচ্ছে, সমৃদ্ধি তত বাড়ছে এবং পরিশ্রম কমলে সমৃদ্ধিও হ্রাস পাচ্ছে। এখানে পরিশ্রমের পরিবর্তন এবং সমৃদ্ধির পরিবর্তন সমমুখীভাবে ঘটছে। অর্থাৎ, পরিশ্রম এবং সমৃদ্ধি পরস্পর সহপরিবর্তিত হচ্ছে। সুতরাং, এটি স্পষ্টতই সহপরিবর্তন পদ্ধতির প্রতিফলন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ঘটনা-২ এ কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ে মিলের 'অন্বয়ী পদ্ধতি' (Method of Agreement) নির্দেশ করা হয়েছে। কারণ এখানে একাধিক দৃষ্টান্তে কেবল 'P' এবং 'U' এর সাধারণ মিল রয়েছে। অন্বয়ী পদ্ধতির সুবিধা ও অসুবিধা নিচে আলোচনা করা হলো:

    সুবিধাসমূহ:
    ১. আবিষ্কারের পদ্ধতি: অন্বয়ী পদ্ধতি মূলত একটি আবিষ্কারের পদ্ধতি, যা নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক প্রকল্প গঠনে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে অত্যন্ত কার্যকর।
    ২. প্রয়োগক্ষেত্রের ব্যাপকতা: নিরীক্ষণমূলক যেকোনো প্রাকৃতিক ও সামাজিক ঘটনায় যেখানে পরীক্ষণ চালানো সম্ভব নয়, সেখানে অন্বয়ী পদ্ধতি সহজেই প্রয়োগ করা যায়।

    অসুবিধাসমূহ:
    ১. নিরীক্ষণের ত্রুটি ও বহুকারণবাদ: এ পদ্ধতিতে নিরীক্ষণের ওপর নির্ভর করতে হয় বলে কোনো গোপন বা অপ্রাসঙ্গিক শর্ত কারণ হিসেবে গণ্য হতে পারে। এছাড়া এতে বহুকারণবাদের সম্ভাবনা থেকে যায়।
    ২. কাকতালীয় ভ্রান্তি: দুটি ঘটনা পাশাপাশি কেবল উপস্থিত থাকার কারণে তাদের মধ্যে কার্যকারণ সম্বন্ধ কল্পনা করলে কাকতালীয় অনুপপত্তির সৃষ্টি হতে পারে।

    সুতরাং, অন্বয়ী পদ্ধতি কার্যকারণ সম্পর্কের সূচনা হিসেবে কার্যকর হলেও সতর্কতার সাথে এর সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করা আবশ্যক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন