ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
রনি, জনি ও তাদের আরও ৫ বন্ধু মিলে সমঝোতার ভিত্তিতে একটি কম্পিউটার ব্যবসায় শুরু করলেন। সুমি কম্পিউটার বিষয়ক জ্ঞানে পারদর্শী। সে কারণে এ ব্যবসায়ে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু সুমি কোনো মূলধন সরবরাহ করেনি। হঠাৎ রনি পাগল হয়ে গেলে তাদের ব্যবসায়টি জটিলতার সম্মুখীন হয়।
- ক)(1)
ঘুমন্ত অংশীদার কাকে বলে?
- খ)(2)
নাবালক কি অংশীদার হতে পারে? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে সুমি কোন ধরনের অংশীদার? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
রনির পাগল হওয়ায় ব্যবসায়টির কীরূপ বিলোপসাধন ঘটবে? তোমার মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে অংশীদার ব্যবসায়ে মূলধন বিনিয়োগ করে ও মুনাফা ভোগ করে, কিন্তু ব্যবসায়ের দৈনন্দিন পরিচালনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে না, তাকে ঘুমন্ত বা নিষ্ক্রিয় অংশীদার বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আইনগতভাবে নাবালক পূর্ণাঙ্গ অংশীদার হতে পারে না, তবে সকল অংশীদারের সম্মতিতে কেবল সুবিধার জন্য ব্যবসায়ে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
চুক্তি আইনের দৃষ্টিতে নাবালক চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য। যেহেতু চুক্তি অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি, তাই নাবালক সাধারণ অংশীদারের মতো দায় গ্রহণ করতে পারে না। তবে ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৩০ ধারা অনুযায়ী বিদ্যমান সকল অংশীদারের সর্বসম্মত সম্মতিক্রমে কোনো নাবালককে কেবল ব্যবসায়ের মুনাফা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগের অধিকার দিয়ে সীমাবদ্ধ দায়ের অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সুমি একজন কর্মী অংশীদার (Working Partner)।
যে অংশীদার কারবারে কোনো মূলধন বিনিয়োগ না করেও শুধুমাত্র নিজস্ব দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও শ্রম দিয়ে ব্যবসায় পরিচালনা ও দায়িত্ব পালনে সক্রিয় ভূমিকা রাখে এবং চুক্তি অনুসারে মুনাফার অংশ পায়, তাকে কর্মী অংশীদার বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রনি ও তার বন্ধুরা সমঝোতার ভিত্তিতে একটি কম্পিউটার ব্যবসায় শুরু করে। সুমি কম্পিউটার বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষ ও পারদর্শী হওয়ায় তাকে কোনো মূলধন সরবরাহ না করা সত্ত্বেও অংশীদার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সুমি তার ব্যক্তিগত জ্ঞান ও শ্রম দিয়ে ব্যবসায়ে ভূমিকা রাখছে বিধায় অংশীদারি ব্যবসায়ের প্রকৃতি অনুযায়ী সুমি একজন কর্মী অংশীদার।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রনির পাগল হওয়ায় ব্যবসায়টির আদালত কর্তৃক বাধ্যতামূলক বিলোপসাধন ঘটতে পারে।
১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৪৪(ক) ধারা অনুসারে, কোনো অংশীদার অপ্রকৃতিস্থ বা মস্তিষ্কবিকৃত (পাগল) হলে অন্য যেকোনো অংশীদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপসাধনের নির্দেশ দিতে পারেন।
উদ্দীপকে রনি কম্পিউটার ব্যবসায়ের অন্যতম অংশীদার ছিল। হঠাৎ সে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায় পরিচালনায় আইনি ও বাস্তবিক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ের অন্য যেকোনো সুস্থ অংশীদার যদি আদালতে ব্যবসায়ের বিলোপসাধনের জন্য আবেদন করেন, তবে আদালত বিষয়টি বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানের বিলোপসাধনের আদেশ প্রদান করতে পারে। অতএব, রনির পাগল হওয়ার ঘটনায় আদালত কর্তৃক অংশীদারি ব্যবসায়ের সমাপ্তি বা বিলোপসাধন ঘটার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও