যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৪

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    বিধেয় কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    কোন ধরনের যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক থাকে না?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে 'প্রাণী' পদটি কোন ধরনের বিধেয়ক? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের আলোকে 'A' এর সাথে 'B' ও 'C' এর পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়, তাকে বিধেয় বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিশিষ্ট বা একক উদ্দেশ্যবিশিষ্ট যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক থাকে না।

    কারণ বিধেয়ক হলো উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যকার একটি শ্রেণিগত সম্পর্ক। বিধেয়ক কেবল সাধারণ পদ বা শ্রেণিবাচক পদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়। কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য যদি কোনো বিশিষ্ট পদ বা একটি মাত্র ব্যক্তি/বস্তু (যেমন- সক্রেটিস, ঢাকা) নির্দেশ করে, তবে তার কোনো উপশ্রেণি বা শ্রেণিগত সম্বন্ধ থাকে না। তাই একক বা বিশিষ্ট যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক থাকে না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'প্রাণী' পদটি হলো 'জাতি' (Genus) নামক বিধেয়ক।

    দুটি শ্রেণিবাচক পদের মধ্যে অপেক্ষাকৃত ব্যাপক পদটি যদি অন্য পদটিকে নিজের অন্তর্ভুক্ত করে, তবে ব্যাপকতর পদটিকে সংকীর্ণতর পদের 'জাতি' বলা হয়। উদ্দীপকে 'A' স্থানে রয়েছে 'প্রাণী' পদটি এবং তার নিচে রয়েছে 'B' (দ্বিপদ প্রাণী) ও 'C' (চতুষ্পদ প্রাণী)।

    এখানে 'প্রাণী' শ্রেণির ব্যক্ত্যর্থ বা আওতা 'দ্বিপদ প্রাণী' ও 'চতুষ্পদ প্রাণী'র চেয়ে বেশি এবং প্রাণী শ্রেণিটি এদের উভয়কেই নিজের মধ্যে ধারণ করে। সুতরাং, 'দ্বিপদ প্রাণী' এবং 'চতুষ্পদ প্রাণী' সাপেক্ষে 'প্রাণী' পদটি হলো উচ্চতর শ্রেণি বা জাতি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'A' হলো 'প্রাণী', 'B' হলো 'দ্বিপদ প্রাণী' এবং 'C' হলো 'চতুষ্পদ প্রাণী'। যুক্তিবিদ্যার বিধেয়কের ধারণা অনুযায়ী এদের পারস্পরিক সম্পর্ক হলো জাতি (Genus) ও উপজাতি (Species)-র সম্পর্ক।

    ১. A এর সাথে B ও C এর সম্পর্ক (জাতি ও উপজাতি):
    দুটি শ্রেণিবাচক পদের মধ্যে যেটি ব্যাপকতর, তাকে বলা হয় জাতি; আর যেটি সংকীর্ণতর, তাকে বলা হয় উপজাতি। উদ্দীপকে 'A' (প্রাণী) হলো একটি ব্যাপক শ্রেণি, যার অন্তর্ভুক্ত দুটি সংকীর্ণ শ্রেণি বা উপশ্রেণি হলো 'B' (দ্বিপদ প্রাণী) ও 'C' (চতুষ্পদ প্রাণী)। কাজেই 'B' এবং 'C'-এর সাপেক্ষে 'A' হলো একটি 'জাতি'। বিপরীতভাবে, 'A' (প্রাণী)-এর সাপেক্ষে 'B' ও 'C' হলো দুটি 'উপজাতি'।

    ২. B ও C এর পারস্পরিক সম্পর্ক (সহ-উপজাতি):
    একই জাতির অন্তর্গত একাধিক উপজাতিকে পরস্পরের সহ-উপজাতি (Co-species) বলা হয়। এখানে 'দ্বিপদ প্রাণী' (B) এবং 'চতুষ্পদ প্রাণী' (C) উভয়েই একই সাধারণ জাতি 'প্রাণী' (A)-এর অন্তর্গত হওয়ায় এরা একে অপরের সহ-উপজাতি। এদের মধ্যে পার্থক্যকারী লক্ষণ হলো তাদের পায়ের সংখ্যা (দ্বিপদ বনাম চতুষ্পদ), যা যুক্তিবিদ্যায় লক্ষণ বা ব্যবচ্ছেদক লক্ষণ (Differentia) হিসেবে কাজ করে।

    অতএব, উদ্দীপকের চিত্রে 'A' হলো মূল জাতি, এবং তার অধীনে 'B' ও 'C' হলো পারস্পরিক সহ-উপজাতি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন