ভূগোল এবং পরিবেশ • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
শিলা | উদাহরণ
ক | চুনাপাথর, কেওলিন
খ | স্লেট, গ্রাফাইট
গ | গ্রানাইট, ব্যাসল্ট
- ক)(1)
দোয়াব কাকে বলে?
- খ)(2)
ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে সৃষ্টি হয়?
- গ)(3)
'ক' দ্বারা কোন শিলা নির্দেশ করা হয়েছে? বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
'খ' ও 'গ' চিহ্নিত শিলার তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
দুটি নদীর মধ্যবর্তী উর্বর ভূমিকে দোয়াব বলে।
- খ)
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তির কারণে ভূত্বকে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হলে ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টি হয়। সাধারণত সাগর বা বড় জলাশয়ের তলদেশে পলি জমে পাললিক শিলার স্তর তৈরি হয়। দুই পাশ থেকে প্রবল চাপে এই স্তরগুলো ভাঁজ খেয়ে উঁচু হয়ে ওঠে। এভাবে ভাঁজযুক্ত পর্বত বা ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। যেমন হিমালয় ও আল্পস।
- গ)
'ক' চিহ্নিত শিলা পাললিক শিলা (Sedimentary Rock)।
চুনাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ। আগ্নেয়, রূপান্তরিত বা অন্য শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নদী, বাতাস বা হিমবাহের দ্বারা বাহিত হয়ে পলি আকারে জমা হয়। স্তরে স্তরে জমা হয়ে চাপে ও সংযুক্তিতে এই শিলা তৈরি হয়। এর বৈশিষ্ট্য হলো:
১. এতে স্তর থাকে।
২. অনেক সময় জীবাশ্ম পাওয়া যায়।
৩. তুলনামূলকভাবে নরম।তাই 'ক' দ্বারা পাললিক শিলা নির্দেশ করা হয়েছে।
- ঘ)
'খ' চিহ্নিত শিলা রূপান্তরিত শিলা (স্লেট, গ্রাফাইট) এবং 'গ' চিহ্নিত শিলা আগ্নেয় শিলা (গ্রানাইট, ব্যাসল্ট)। এদের তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো।
বিষয় 'খ' রূপান্তরিত শিলা 'গ' আগ্নেয় শিলা উৎপত্তি তাপ ও চাপে অন্য শিলার রূপ ও গঠন বদলে তৈরি ম্যাগমা বা লাভা ঠান্ডা হয়ে জমে তৈরি স্তর অনেক ক্ষেত্রে পাতলা স্তর বা পাত আকারে সাধারণত স্তর থাকে না কঠিনতা তুলনামূলক কম বা বেশি, মূল শিলার ওপর নির্ভরশীল সাধারণত কঠিন ও দানাদার জীবাশ্ম সাধারণত পাওয়া যায় না পাওয়া যায় না উদাহরণ স্লেট, গ্রাফাইট গ্রানাইট, ব্যাসল্ট সুতরাং, উৎপত্তি ও গঠনের দিক থেকে রূপান্তরিত ও আগ্নেয় শিলা ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও