ভূগোল ২য় পত্র • মানব ভূগোল • Combined Board • রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

'ক' দেশটি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছে। দেশটির দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং তিনদিকে 'খ' দেশের স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত।

  1. ক)

    আঞ্চলিক ভূগোল কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    স্থানভেদে সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটে-ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে 'ক' ইঙ্গিতকৃত দেশটির মানচিত্র অঙ্কন করে প্রশাসনিক বিভাগগুলো চিহ্নিত কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে 'খ' দেশের ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থান বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও পার্থক্যের ভিত্তিতে সমগ্র পৃথিবীকে বা কোনো অংশকে নির্দিষ্ট অঞ্চলে ভাগ করে তার সামগ্রিক বিষয়ের সুশৃঙ্খল পাঠকে আঞ্চলিক ভূগোল বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ভৌগোলিক পরিবেশ, জলবায়ু, ভূমিরূপ এবং মানুষের জীবনযাত্রার পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটে। ভৌগোলিক সান্নিধ্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মানুষের খাদ্যভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, বাসস্থান, ভাষা ও আচার-অনুষ্ঠানের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। যেমন—মরু অঞ্চলের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি পাহাড়ি বা নদীমাতৃক অঞ্চলের সংস্কৃতি থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়। ফলে স্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে মানব সংস্কৃতির ধরনও পরিবর্তিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ১৯৭১ সালে স্বাধীন হওয়া এবং তিনদিকে স্থলভাগ ও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর দ্বারা বেষ্টিত 'ক' দেশটি হলো বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কন ও প্রশাসনিক বিভাগ চিহ্নিতকরণ:
    পরীক্ষায় বাংলাদেশের একটি রূপরেখা মানচিত্র এঁকে তাতে ৮টি প্রশাসনিক বিভাগ চিহ্নিত করতে হবে:
    ১. রংপুর বিভাগ (উত্তরাঞ্চল)
    ২. রাজশাহী বিভাগ (উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল)
    ৩. ময়মনসিংহ বিভাগ (উত্তর-মধ্যাঞ্চল)
    ৪. সিলেট বিভাগ (উত্তর-পূর্বাঞ্চল)
    ৫. ঢাকা বিভাগ (মধ্যাঞ্চল)
    ৬. খুলনা বিভাগ (দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল)
    ৭. বরিশাল বিভাগ (দক্ষিণাঞ্চল)
    ৮. চট্টগ্রাম বিভাগ (দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল)

    মানচিত্রে এই আটটি প্রশাসনিক বিভাগের সীমানা ও অবস্থান যথাযথভাবে নির্দেশ করতে হবে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত 'খ' দেশটি হলো ভারত, কারণ বাংলাদেশের তিন দিক ভারত দ্বারা বেষ্টিত। ভারতের ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থান অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। ভূ-প্রকৃতির বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ভারতকে প্রধানত পাঁচটি অংশে বিভক্ত করা যায়:

    ১. উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল: ভারতের উত্তর সীমান্তে সুবিশাল হিমালয় পর্বতমালা অবস্থিত, যা চিরতুষারে আবৃত শৃঙ্গসমূহ (যেমন- কাঞ্চনজঙ্ঘা) নিয়ে গঠিত।
    ২. উত্তরের বিশাল সমভূমি অঞ্চল: হিমালয় থেকে উৎপন্ন সিন্ধু, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পলি সঞ্চয়ের ফলে এ উর্বর সমভূমি গড়ে উঠেছে।
    ৩. উপদ্বীপীয় মালভূমি অঞ্চল: সমভূমির দক্ষিণে প্রাচীন আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলা দ্বারা গঠিত ত্রিভুজাকৃতির দাক্ষিণাত্যের মালভূমি অবস্থিত, যা পশ্চিমঘাট ও পূর্বঘাট পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।
    ৪. উপকূলীয় সমভূমি: উপদ্বীপীয় মালভূমির পূর্ব ও পশ্চিমে যথাক্রমে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর ঘেঁষে পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলীয় সমভূমি বিস্তৃত।
    ৫. দ্বীপপুঞ্জ: বঙ্গোপসাগরে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং আরব সাগরে লাক্ষাদ্বীপ ভারতের ভূ-প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    সুতরাং, পর্বত, মালভূমি, উর্বর সমভূমি ও উপকূলীয় অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত ভারতের ভূ-প্রকৃতি অত্যন্ত বৈশিষ্ট্যপূর্ণ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন