ভূগোল ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট বোর্ড ২০১৯
ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
মেগাসিটি কী?
- খ)(2)
গ্রামীণ জীবনযাত্রায় হাটের ভূমিকা অসামান্য- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থান প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের জনসংখ্যার ঘনত্বের তারতম্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সাধারণত ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) বা তার অধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত কোনো বৃহৎ পৌর বা মহানগরীয় এলাকাকে মেগাসিটি (Megacity) বলা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক মেলবন্ধনে হাটের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনাবেচা, কৃষি ও হস্তশিল্পজাত পণ্যের বিপণন মূলত স্থানীয় হাটের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। এতে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পান। এছাড়া হাট কেবল অর্থনৈতিক লেনদেনের কেন্দ্র নয়, বরং গ্রামীণ জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষার একটি অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের মানচিত্রে 'ক' চিহ্নিত স্থানটি হলো বাংলাদেশের রাজধানী 'ঢাকা'। ঢাকা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার কারণসমূহ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. ভৌগোলিক অবস্থান: ঢাকা বাংলাদেশের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং নদী ও সড়কপথে সারা দেশের সাথে সহজে যোগাযোগযোগ্য।
২. ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব: মোঘল আমল থেকে শুরু করে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল পর্যন্ত ঢাকা সর্বদা ক্ষমতার কেন্দ্র ছিল এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এটি বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
৩. প্রশাসনিক দপ্তরসমূহ: সরকারের প্রধান সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির ভবন (বঙ্গভবন), জাতীয় সংসদ ভবন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত হওয়ায় এটি দেশের সকল নীতিনির্ধারণ ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানটি হলো ঢাকা এবং 'খ' চিহ্নিত স্থানটি হলো রাজশাহী/উত্তরবঙ্গ অঞ্চল (অথবা মানচিত্রে নির্দেশিত অপর ভৌগোলিক অঞ্চল)। এই দুই অঞ্চলের জনসংখ্যার ঘনত্বের মধ্যে সুস্পষ্ট তারতম্য বিদ্যমান, যার কারণসমূহ নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা ও নগরায়ণ: 'ক' (ঢাকা) দেশের রাজধানী ও প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে শিল্প-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এবং সেবা খাতের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। ফলে সারা দেশ থেকে জীবিকার তাগিদে মানুষ এখানে অভিবাসন করে, যা ঢাকাকে বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহরে রূপ দিয়েছে। পক্ষান্তরে, 'খ' অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও শিল্পায়নের হার তুলনামূলক সীমিত এবং তা মূলত কৃষিনির্ভর হওয়ায় এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব ঢাকার চেয়ে অনেক কম।
২. শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা: ঢাকায় দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ, মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালগুলো কেন্দ্রীভূত। উন্নত জীবনযাত্রা, উচ্চশিক্ষা ও আধুনিক চিকিৎসার আশায় মানুষ ঢাকামুখী হয়। বিপরীতে, 'খ' অঞ্চলে পর্যাপ্ত ও উচ্চমানের সেবা সীমিত পরিসরে বিদ্যমান।
৩. যাতায়াত ও অবকাঠামো: রাজধানী ঢাকার অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এবং আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা দেশের যেকোনো অঞ্চলের তুলনায় উন্নত, যা বিপুল জনসংখ্যাকে আকর্ষণ করে।সুতরাং, অনুকূল অর্থনৈতিক সুযোগ, কর্মসংস্থান, উন্নত সেবা ও অবকাঠামোগত কারণে 'ক' (ঢাকা) অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব মাত্রাতিরিক্ত বেশি, যেখানে 'খ' অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে পরিমিত বা স্বাভাবিক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও