ইতিহাস ১ম পত্র • মুক্তিযুদ্ধে আন্তর্জাতিক ভূমিকা • Combined Board • কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩
ইতিহাস ১ম পত্র প্রশ্ন
অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাবুল ও ইসমাইল ছুটিতে বাংলাদেশে এসে ১৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে এবং বিশ্বের ইতিহাসের এই অসাধারণ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃতি লাভের পরিকল্পনা করে। অস্ট্রেলিয়া ফিরে বাবুল তার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে বহুজাতিক সংগঠন গড়ে তোলে। এ সরকারের তৎপরতা ও সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গৃহীত হয়।
- ক)(1)
পাকিস্তানের সংবিধান কবে রচিত হয়?
- খ)(2)
পূর্ব বাংলা পূর্ব পাকিস্তান হয় কিভাবে?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বাবুল ও ইসমাইলের কর্মকান্ডের সাথে পাঠ্য পুস্তকের ৪৭ পরবর্তী কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উক্ত মহৎ প্রচেষ্টা সফলতার মুখ দেখবে বলে কি বিশ্বাস কর? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান রচিত ও কার্যকর হয় ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৫৫ সালের আগে পর্যন্ত ভূখণ্ডটির সরকারি নাম ছিল পূর্ব বাংলা। ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান সরকার সমগ্র পশ্চিম পাকিস্তানকে একত্রিত করে 'এক ইউনিট' (One Unit) গঠন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সমতা নীতির অজুহাতে এবং ১৯৫৬ সালের সংবিধানের মাধ্যমে 'পূর্ব বাংলা'-র নাম পরিবর্তন করে 'পূর্ব পাকিস্তান' রাখা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বাবুল ও ইসমাইলের কর্মকাণ্ডে মূলত ২১শে ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগের সাদৃশ্য ফুটে ওঠে (যদিও উদ্দীপকে ১৪ ডিসেম্বরের কথা বলা হয়েছে, প্রবাসীদের বহুজাতিক সংগঠন 'মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভার্স অব দ্য ওয়ার্ল্ড'-এর মাধ্যমে সালাম ও রফিকের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি আদায়ের প্রচেষ্টার সাথে এর সুস্পষ্ট মিল রয়েছে)।
কানাডাপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম জাতিসংঘে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির জন্য বহুজাতিক সংগঠন গড়ে তুলে আবেদন করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের সরাসরি কূটনৈতিক তৎপরতায় ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঐতিহাসিক স্বীকৃতি দেয়। উদ্দীপকেও বাবুল ও ইসমাইলের বহুজাতিক সংগঠন গঠন ও সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিষয়টি এই মহতী উদ্যোগের প্রতিফলন। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি বিশ্বাস করি উক্ত মহৎ প্রচেষ্টা সফলতার মুখ দেখবে।
ইতিহাস সাক্ষী দেয় যে, সঠিক উদ্দেশ্য, কার্যকর সামাজিক সংগঠন এবং সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সমন্বয় ঘটলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সাফল্য অর্জন সম্ভব। ঠিক যেভাবে ১৯৯৯ সালে প্রবাসীদের উদ্যোগ ও তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের সক্রিয় কূটনীতির মাধ্যমে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছিল, একইভাবে উদ্দীপকের পদক্ষেপসমূহও কার্যকর পরিকল্পনা ও সরকারি সহযোগিতার কারণে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভে সমর্থ হবে। বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যা বা জাতীয় যেকোনো ঐতিহাসিক ত্যাগের স্বীকৃতি আদায়ে সম্মিলিত উদ্যোগ বিশ্বসম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও