‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

রোদসী এ বছর একাদশ শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে। সে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন সম্পর্কিত বিষয়ে জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী।এছাড়া সে রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক আদর্শ প্রতিষ্ঠার কাজ করতে ইচ্ছুক।

  1. ক)

    বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?

    (1)
  2. খ)

    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত জ্ঞান অর্জনের জন্য রোদসীর কোন বিষয়টি অধ্যয়ন করা প্রয়োজন? ব্যাখ্যা করো। ৩

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ' (বা House of the Nation)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার বলতে এমন এক শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কেন্দ্র ও প্রদেশ বা আঞ্চলিক সরকারগুলোর মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় দুটি স্বতন্ত্র সরকার (কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক) নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত জ্ঞান অর্জনের জন্য রোদসীর 'পৌরনীতি ও সুশাসন' বিষয়টি অধ্যয়ন করা প্রয়োজন।

    পৌরনীতি হলো নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রূপ নিয়ে পৌরনীতি বিশদ আলোচনা করে। এর প্রধান উদ্দেশ্য নাগরিককে সচেতন, দায়িত্বশীল ও আদর্শবান হিসেবে গড়ে তোলা।

    উদ্দীপকের রোদসী পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী। একই সাথে সে রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আদর্শ প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখতে চায়। পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি অধ্যয়নের মাধ্যমেই একজন নাগরিক রাষ্ট্রের গঠন, শাসনব্যবস্থা, সংবিধান, নাগরিকের অধিকার-কর্তব্য ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করতে পারে। অতএব, রোদসীর লক্ষ্য পূরণে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ করা আবশ্যক।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন', যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত কার্যকর ও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

    প্রথমত, পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকদের মধ্যে অধিকার ও কর্তব্যবোধ জাগ্রত করে। এটি পাঠের মাধ্যমে নাগরিকরা জানতে পারে রাষ্ট্রের কাছ থেকে তাদের কী কী মৌলিক অধিকার প্রাপ্য এবং রাষ্ট্রের প্রতি তাদের দায়িত্ব কী। সচেতন নাগরিকরা সরকারের কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়, যা সুশাসনের ভিত্তি তৈরি করে।

    দ্বিতীয়ত, সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন। পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ে অধ্যয়নের ফলে নাগরিক ও শাসক উভয় শ্রেণিই ক্ষমতা ও আইনের সীমা সম্পর্কে অবগত হয়। এর ফলে সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাব হ্রাস পায় এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।

    তৃতীয়ত, এটি পরমতসহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায়। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন জনঅংশগ্রহণ এবং অবাধ তথ্যপ্রবাহ, যা পৌরনীতি ও সুশাসন অধ্যয়নের মাধ্যমেই সুদৃঢ় হয়।

    পরিশেষে বলা যায়, পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিক ও রাষ্ট্রের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন রচনা করে এবং দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের পথ নির্দেশ করে কার্যকর সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা রাখে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন