যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২১
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
‘Term' শব্দের অর্থ কী?
- খ)(2)
অবধারণ ও যুক্তিবাক্যের মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য লেখো।
- গ)(3)
ছক 'খ' নির্দেশিত বিষয়টি ব্যাখ্যা করো ।
- ঘ)(4)
ছক ‘ক' ও ‘গ’ মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ দেখাও ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
‘Term' শব্দের অর্থ পদ। এটি লাতিন শব্দ ‘Terminus’ থেকে এসেছে, যার অর্থ প্রান্ত বা সীমা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অবধারণ ও যুক্তিবাক্যের মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য হলো:
১. অবধারণ হলো দুটি ধারণার মধ্যকার সম্পর্কের মানসিক প্রক্রিয়া বা স্বীকৃতি, যা মনের ভেতর থাকে। পক্ষান্তরে, অবধারণ যখন ভাষায় বা শব্দে প্রকাশিত হয়, তখন তাকে যুক্তিবাক্য বলে।
২. অবধারণের কোনো দৃশ্যমান বা ব্যাকরণগত গঠন বা অংশ থাকে না; কিন্তু একটি আদর্শ যুক্তিবাক্যের তিনটি সুস্পষ্ট অংশ থাকে— উদ্দেশ্য, সংযোজক ও বিধেয়। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ছক 'খ'-তে নির্দেশিত বিষয়টি হলো 'সহ-পদযোগ্য শব্দ' (Co-categorematic words)।
যেসব শব্দ নিজে নিজে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু অন্য কোনো পদযোগ্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠনে সাহায্য করে, সেগুলোকে সহ-পদযোগ্য শব্দ বলে। উদ্দীপকে ছক 'খ'-তে 'টি', 'টা' ইত্যাদি নির্দেশ করা হয়েছে, যা মূলত সহ-পদযোগ্য শব্দের উদাহরণ। যেমন: 'মানুষ' একটি পদযোগ্য শব্দ, কিন্তু এর সাথে 'টি' যুক্ত হয়ে 'মানুষটি' গঠিত হলে তা যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে। একইভাবে এবং, বা, কিন্তু, সকল, কিছু, টি, টা, খানা, খানি ইত্যাদি শব্দগুলো এককভাবে কোনো অর্থপূর্ণ পদ হিসেবে যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না, বরং অন্য পদের সাথে বসে সেই পদের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে। অতএব, ছক 'খ' দ্বারা যুক্তিশাস্ত্রের সহ-পদযোগ্য শব্দকে নির্দেশ করা হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ছক ‘ক’ নির্দেশ করছে 'পদযোগ্য শব্দ' (কলম, মানুষ) এবং ছক ‘গ’ নির্দেশ করছে 'পদ-অযোগ্য শব্দ' (বাহ্! আহা!)। নিচে এদের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ আলোচনা করা হলো:
১. সংজ্ঞাগত পার্থক্য: যে শব্দ অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে এককভাবে ব্যবহৃত হতে পারে, তাকে পদযোগ্য শব্দ বলে (যেমন: কলম, মানুষ)। পক্ষান্তরে, যেসব শব্দ কখনো কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, তাকে পদ-অযোগ্য শব্দ বলে (যেমন: বাহ্!, আহা!, হায়!)।
২. অর্থ প্রকাশে ভূমিকা: পদযোগ্য শব্দ একটি নির্দিষ্ট ধারণা বা অর্থ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে পারে। অন্যদিকে, পদ-অযোগ্য শব্দ মূলত মনের আবেগ, অনুভূতি, বিস্ময়, দুঃখ ইত্যাদি প্রকাশ করে, কিন্তু কোনো যৌক্তিক চিন্তা বা ধারণা তৈরি করে না।
৩. যুক্তিবাক্যে অবস্থান: একটি আদর্শ যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য এবং বিধেয় অংশ পদযোগ্য শব্দ ছাড়া গঠিত হতে পারে না। কিন্তু পদ-অযোগ্য শব্দ কখনো যুক্তিবাক্যের অংশ হিসেবে স্থান পায় না।
৪. স্বাতন্ত্র্য: পদযোগ্য শব্দ স্বাধীনভাবে অর্থ বহন করে এবং পদের মর্যাদা লাভ করে। পদ-অযোগ্য শব্দ অন্য কোনো শব্দের সাথে যুক্ত হলেও কোনো অবস্থাতেই যুক্তিবাক্যের পদ হতে পারে না।
সুতরাং দেখা যায়, ছক ‘ক’-এর পদযোগ্য শব্দ যুক্তিবাক্য গঠনের মূল উপাদান হলেও ছক ‘গ’-এর পদ-অযোগ্য শব্দের যুক্তিবিদ্যায় সরাসরি কোনো স্থান নেই।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও