পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
বাংলাদেশের একজন ছাত্র রতন আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পায়। স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাওয়ায় রতন দেশে এসে সুমনাকে বিয়ে করে আমেরিকা নিয়ে যায়।
- ক)(1)
অধিকার কাকে বলে?
- খ)(2)
সুনাগরিক বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকর 'রতন' কোন নীতির ভিত্তিতে আমেরিকার নাগরিকত্ব অর্জন করেছে?। ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
অধিকার ভোগের ক্ষেত্রে সুমনা কি রতনের মতো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় যেসব সুযোগ-সুবিধা সমাজ স্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত, তাকে অধিকার বলে।
- খ)
সুনাগরিক হলেন সেই নাগরিক, যিনি জ্ঞান, বুদ্ধি, সততা, কর্তব্যবোধ ও আত্মসংযমের মাধ্যমে নিজের অধিকার ভোগ করেন এবং রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি কর্তব্য পালন করেন। তিনি আইন মানেন এবং সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করেন।
- গ)
রতন আমেরিকায় শিক্ষক হিসেবে চাকরি পেয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেয়েছেন। তাই তিনি অনুমোদন সূত্রে আমেরিকার নাগরিকতা অর্জন করেছেন।
১. জন্মসূত্র ছাড়া অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকতা পেতে আবেদন করে সরকারের অনুমোদন নিতে হয়।
২. চাকরি গ্রহণ ও স্থায়ী বসবাস অনুমোদন সূত্রে নাগরিকতা পাওয়ার উপায়।সুতরাং, রতন চাকরি ও স্থায়ী বসবাসের নীতিতে অনুমোদন সূত্রে আমেরিকার নাগরিকতা অর্জন করেছেন।
- ঘ)
হ্যাঁ, সুমনা আমেরিকার নাগরিকতা পেলে রতনের মতোই সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।
১. বিবাহসূত্রে নাগরিকতা: সুমনা রতনকে বিয়ে করে আমেরিকায় গেছেন। দেশটির আইনের শর্ত পূরণ করে আবেদনের মাধ্যমে তিনি নাগরিকতা পেতে পারেন।
২. সমান অধিকার: নাগরিকতা পেলে তিনি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করবেন, যেমন রতন করছেন।
৩. কর্তব্য পালন: একই সাথে তাঁকেও আইন মান্য করা, কর দেওয়া ইত্যাদি কর্তব্য পালন করতে হবে।নাগরিকতা না পাওয়া পর্যন্ত তিনি বিদেশি হিসেবে সীমিত অধিকার ভোগ করবেন।
সুতরাং, নাগরিকতা পাওয়ার পর সুমনা রতনের মতো অধিকার ভোগ করবেন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও