‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

মি. 'X' সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে প্রার্থীদের আচরণবিধি প্রণয়ন ও নির্বাচনি ব্যয় পর্যবেক্ষণ করে। অপরদিকে মি. 'Y' প্রজাতন্ত্রের পক্ষে আইনের জটিল প্রশ্নে মত প্রকাশ করেন।

  1. ক)

    'দুদক' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

    (1)
  2. খ)

    ন্যায়পাল কী?

    (2)
  3. গ)

    মি. 'X' এর সাথে তোমার পঠিত যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মিল খুঁজে পাও তার গঠন বর্ণনা করো। ৩

    (3)
  4. ঘ)

    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মি. 'Y' এর প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।৪

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৪ সালের ৯ মে প্রতিষ্ঠিত হয় (দুদক আইন ২০০৪ প্রণয়নের মাধ্যমে ২১ নভেম্বর ২০০৪ থেকে কার্যকর হয়)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ন্যায়পাল (Ombudsman) হলেন সরকার বা সংসদ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত একজন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা, যিনি সরকারি প্রশাসন ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনীত অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগের তদন্ত করেন এবং প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা সুপারিশ করেন। বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল পদের বিধান রয়েছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের মি. 'X'-এর সাথে আমার পঠিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন'-এর মিল রয়েছে।

    বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে। এর গঠন নিম্নরূপ:
    ১. প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার: একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
    ২. নিয়োগকর্তা: সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।
    ৩. মেয়াদ ও পদমর্যাদা: কমিশনারদের পদের মেয়াদ তাঁদের দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক যেভাবে অপসারিত হন, সেই পদ্ধতি ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে তাঁদের অপসারণ করা যায় না।
    ৪. স্বাধীনতা: নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মি. 'Y' প্রজাতন্ত্রের পক্ষে আইনের জটিল প্রশ্নে মত প্রকাশ করেন, যা সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের 'অ্যাটর্নি জেনারেল' পদকে নির্দেশ করে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অ্যাটর্নি জেনারেলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ১. রাষ্ট্রকে আইনি পরামর্শ প্রদান: রাষ্ট্রপতি বা সরকারের পক্ষ থেকে প্রেরিত যে-কোনো জটিল আইনি বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল নিরপেক্ষ ও সংবিধানসম্মত আইনি মতামত প্রদান করেন, যা সরকারের কর্মকাণ্ডকে আইনের সীমারেখার মধ্যে রাখতে সহায়তা করে।
    ২. আদালতে প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব: সুপ্রিম কোর্টসহ যেকোনো আদালতে রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে আদালতকে সহায়তা করা তাঁর অন্যতম প্রধান কাজ।
    ৩. সংবিধান রক্ষা: সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা আইন সংবিধানের মৌলিক অধিকার কিংবা আইনের শাসনের পরিপন্থি হলে সে বিষয়ে সরকারকে অবহিত রাখা এবং সংবিধানের মর্যাদা সমুন্নত রাখা তাঁর দায়িত্ব।
    ৪. ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতা: অ্যাটর্নি জেনারেল কোনো দলীয় ব্যক্তি নন, বরং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা হিসেবে আদালতে সুবিচার প্রতিষ্ঠায় এবং আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

    সুতরাং, প্রজাতন্ত্রের আইনি অভিভাবক হিসেবে আইনের শাসন কার্যকর ও বলবৎ রাখতে অ্যাটর্নি জেনারেলের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন