জীববিজ্ঞান ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৫

জীববিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    অমরাবিন্যাস কী?

    (1)
  2. খ)

    স্পাইকলেট পুষ্পবিন্যাস বলতে কী বুঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের চিত্র-R সংশ্লিষ্ট গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লেখ।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের চিত্র-P ও Q এর মধ্যে পার্থক্য লেখ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ডিম্বাশয়ের ভেতরে যে বিশেষ টিস্যু থেকে ডিম্বক সৃষ্টি হয় ও পুষ্টি লাভ করে তাকে অমরা (Placenta) বলে এবং ডিম্বাশয়ে অমরা বা ডিম্বকের বিন্যাস পদ্ধতিকে অমরাবিন্যাস (Placentation) বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    স্পাইকলেট হলো এক ধরনের যৌগিক মঞ্জরি বা স্পাইক পুষ্পবিন্যাস, যা মূলত Poaceae (ঘাস) গোত্রের উদ্ভিদে দেখা যায়। এতে একটি ক্ষুদ্র অক্ষের ওপর এক বা একাধিক অবৃন্তক ফুল পর্যায়ক্রমে সাজানো থাকে। এর গোড়ায় সাধারণত দুটি বন্ধ্যা অপুষ্পক মঞ্জরিপত্র (Glume) থাকে এবং এর উপরে পুষ্পক গ্লুম বা লেমা (Lemma) ও প্যালিয়া (Palea)-এর অভ্যন্তরে ফুলগুলো সুরক্ষিত অবস্থায় অবস্থান করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্র-R হলো একটি জবা ফুল, যা Malvaceae (মালভেসি) গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।

    Malvaceae গোত্রের প্রধান শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
    ১. উদ্ভিদের কচি অংশ সাধারণত মিউসিলেজ (পিচ্ছিল) রসযুক্ত এবং রোমশ (তারকাকার রোম বিদ্যমান)।
    ২. পাতায় মুক্তপার্শ্বীয় উপপত্র (free lateral stipules) উপস্থিত থাকে।
    ৩. পুষ্প একক এবং সাধারণত উপবৃতি (epicalyx) যুক্ত।
    ৪. দলমণ্ডল বা পাপড়ির এস্টিভেশন বা পুষ্পপত্রবিন্যাস সাধারণত ব্যবর্তিত বা টুইস্টেড (twisted)।
    ৫. পুংকেশর বহু এবং একগুচ্ছক (monadelphous); পুংকেশরীয় নালী গর্ভদণ্ডকে ঘিরে অবস্থান করে।
    ৬. পরাগধানী একপ্রকোষ্ঠী ও বৃক্কাকার (reniform)।
    ৭. পরাগরেণু বৃহৎ এবং কণ্টকিত (spiny)।
    ৮. অমরাবিন্যাস অক্ষীয় (axile)।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্র-P হলো সাইকাস (Cycas)-এর পুং-রেণুপত্র (Microsporophyll) এবং চিত্র-Q হলো স্ত্রী-রেণুপত্র (Megasporophyll)। এদের মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য নিচে তুলে ধরা হলো:

    ১. প্রকৃতি ও ভূমিকা: চিত্র-P হলো পুং-প্রজনন অঙ্গ যা মাইক্রোস্পোর বা পরাগরেণু তৈরি করে; অপরদিকে চিত্র-Q হলো স্ত্রী-প্রজনন অঙ্গ যা মেগাস্পোর বা ডিম্বক ধারণ করে।

    ২. গঠন ও আকৃতি: পুং-রেণুপত্রটি কাষ্ঠল, চ্যাপ্টা এবং ত্রিকোণাকার বা কীলকাকার; এর শীর্ষভাগ সরু হয়ে 'অ্যাপোফাইসিস' গঠন করে। স্ত্রী-রেণুপত্রটি দেখতে সর্পের ফণার মতো এবং এর কিনারা গভীরভাবে খাঁজকাটা (পিন্যুলযুক্ত)।

    ৩. অঙ্গসংস্থানিক সমাবেশ: বহুসংখ্যক পুং-রেণুপত্র সর্পিলাকারে সজ্জিত হয়ে একটি সুসংগঠিত ঘন ও শক্ত মোচাকৃতি গঠন বা পুং-স্ট্রবিলাস (Cone) তৈরি করে। কিন্তু স্ত্রী-রেণুপত্রগুলো কোনো সুসংগঠিত কোন বা স্ট্রবিলাস গঠন করে না; এগুলো কাণ্ডের মাথায় আলগাভাবে সর্পিলাকারে সজ্জিত থাকে।

    ৪. স্পোরোসাইট/উৎপাদিত গঠন: পুং-রেণুপত্রের অঙ্কীয় বা নিম্নতলে অসংখ্য স্পোরাঞ্জিয়া তৈরি হয় (যা ২-৫টি একত্রে সোরাস গঠন করে) এবং এর অভ্যন্তরে পরাগরেণু সৃষ্টি হয়। স্ত্রী-রেণুপত্রের মধ্যভাগের দু'পাশে কিনারা বরাবর নিষেকের জন্য ডিম্বক (Ovule) সজ্জিত থাকে, কোনো স্পোরাঞ্জিয়া থাকে না।

    ৫. পৃষ্ঠীয় রূপতত্ত্ব: পুং-রেণুপত্র অপেক্ষাকৃত পুরু ও শক্ত এবং এতে কোনো ডিম্বক থাকে না। স্ত্রী-রেণুপত্রের নিচের অংশ প্রসারিত বৃন্তাকার এবং এর কিনারা হতে লাল বা বাদামি বর্ণের ডিম্বক উৎপন্ন হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন