যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
যুক্তিবাক্যের কয়টি অংশ?
- খ)(2)
সকল বাক্যকে যুক্তিবাক্য বলা যায় না কেন?
- গ)(3)
ছক-২ কোন যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
ছক-১ এবং ছক-৩ নির্দেশিত যুক্তিবাক্যের পার্থক্য আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
একটি আদর্শ যুক্তিবাক্যের ৩টি অংশ থাকে (উদ্দেশ্য, সংযোজক ও বিধেয়)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যাকরণে মনের যেকোনো ভাব প্রকাশের জন্য বাক্য গঠিত হতে পারে, যেমন— আদেশ, উপদেশ, প্রার্থনা, বিস্ময়সূচক বা প্রশ্নবোধক বাক্য। কিন্তু যুক্তিবিদ্যায় কেবল বর্ণনামূলক বা ঘোষণামূলক বাক্যকেই যুক্তিবাক্য বলা হয়, যা সত্য বা মিথ্যা হতে পারে এবং যাতে উদ্দেশ্য ও বিধেয় একটি সংযোজক দ্বারা যুক্ত থাকে। ব্যাকরণের অন্যান্য বাক্য সত্য বা মিথ্যা নির্ণয়যোগ্য নয় বলে সকল বাক্যকে যুক্তিবাক্য বলা যায় না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র বা ছক-২ সার্বিক নঞর্থক বা 'E' যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে।
ছক-২ তে দেখা যায়, উদ্দেশ্য পদ (a) এবং বিধেয় পদ (b) উভয়ই রেখাঙ্কিত অর্থাৎ উভয় পদই ব্যাপ্য। যুক্তিবিদ্যার পদের ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুসারে—
১. সার্বিক সদর্থক (A) যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য কিন্তু বিধেয় পদ অব্যাপ্য।
২. সার্বিক নঞর্থক (E) যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য।
৩. বিশেষ সদর্থক (I) যুক্তিবাক্যে উভয় পদই অব্যাপ্য।
৪. বিশেষ নঞর্থক (O) যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য অব্যাপ্য কিন্তু বিধেয় ব্যাপ্য।যেহেতু ছক-২ তে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই সার্বিক নঞর্থক বা 'E' যুক্তিবাক্যকে (যেমন: "কোনো মানুষ নয় অমর") নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ছক-১ নির্দেশ করে সার্বিক সদর্থক বা 'A' যুক্তিবাক্যকে (যেখানে উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ অব্যাপ্য) এবং ছক-৩ নির্দেশ করে বিশেষ নঞর্থক বা 'O' যুক্তিবাক্যকে (যেখানে উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ ব্যাপ্য)। নিচে এদের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করা হলো:
১. প্রকৃতিগত পার্থক্য: 'A' যুক্তিবাক্য হলো সার্বিক সদর্থক বাক্য, যেখানে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে বিধেয়কে স্বীকার করা হয়। অপরদিকে, 'O' যুক্তিবাক্য হলো বিশেষ নঞর্থক বাক্য, যেখানে উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে বিধেয়কে অস্বীকার করা হয়।
২. পরিমাণের দিক থেকে পার্থক্য: 'A' যুক্তিবাক্য পরিমাণের দিক থেকে সার্বিক (Universal), কারণ এটি সমগ্র উদ্দেশ্যকে নির্দেশ করে। অন্যদিকে 'O' যুক্তিবাক্য পরিমাণের দিক থেকে বিশেষ (Particular), কারণ এটি উদ্দেশ্যের নির্দিষ্ট অংশকে নির্দেশ করে।
৩. গুণের দিক থেকে পার্থক্য: গুণের দিক থেকে 'A' যুক্তিবাক্য সদর্থক (Affirmative), কারণ এতে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক বিদ্যমান। অপরদিকে, 'O' যুক্তিবাক্য গুণের দিক থেকে নঞর্থক (Negative), কারণ এতে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যকার সম্পর্ক অস্বীকার বা নেতিবাচক করা হয়।
৪. পদের ব্যাপ্যতার পার্থক্য: 'A' যুক্তিবাক্যে কেবল উদ্দেশ্য পদটি ব্যাপ্য এবং বিধেয় পদটি অব্যাপ্য থাকে। বিপরীতভাবে, 'O' যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি অব্যাপ্য এবং বিধেয় পদটি ব্যাপ্য থাকে।
৫. উদাহরণ: 'A' যুক্তিবাক্যের উদাহরণ— "সকল মানুষ হয় মরণশীল"। পক্ষান্তরে 'O' যুক্তিবাক্যের উদাহরণ— "কিছু মানুষ নয় সৎ"।
সুতরাং, গুণ ও পরিমাণ উভয় দিক থেকেই ছক-১ (A বাক্য) এবং ছক-৩ (O বাক্য) পরস্পরের বিপরীতধর্মী বা বিরুদ্ধ সম্পর্কযুক্ত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও