অর্থনীতি • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫
অর্থনীতি প্রশ্ন
- ক)(1)
উন্নয়ন বাজেট কাকে বলে?
- খ)(2)
'আবগারি শুষ্ক ধার্যের উদ্দেশ্য শুধু ব্লাজস্ব সংগ্রহ নয়- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
চিত্র-১ দ্বারা কোন ধরনের বাজেটকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
চিত্র-২ দ্বারা ন্নির্দেশিত বাজেটের ইতিবাচক-ও নেতিবাচক দিক তুলে ধরো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যে বাজেটে উন্নয়নমূলক ও অবকাঠামো খাতে সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রস্তাব করা হয়, তাকে উন্নয়ন বাজেট বলে।
- খ)
আবগারি শুল্কের উদ্দেশ্য শুধু রাজস্ব সংগ্রহ নয়। সিগারেট, মদ ও অন্যান্য ক্ষতিকর পণ্যের ওপর উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ করে সেগুলোর ভোগ কমিয়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা হয়। এছাড়া বিলাসদ্রব্যের ওপর শুল্ক বসিয়ে আয় বৈষম্য কমানো এবং দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়াও এর উদ্দেশ্য। এভাবে এটি রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি সামাজিক ও অর্থনৈতিক লক্ষ্য পূরণ করে।
- গ)
চিত্র-১ দ্বারা পরিচালন বাজেট (চলতি বাজেট) নির্দেশ করা হয়েছে।
চিত্র-১-এ ব্যয়ের খাতগুলো হলো বেতন-ভাতা (২০.৫%), সুদ (১৮.০%), পেনশন (৯.১%), ভর্তুকি ও প্রণোদনা (১১.৭%), পণ্য বা সেবা (১০.৬%) ইত্যাদি। এগুলো সরকারের নিয়মিত প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন কাজ পরিচালনার ব্যয়। যে বাজেটে সরকারের প্রশাসন ও নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার আয়-ব্যয়ের হিসাব থাকে, তাকে পরিচালন বাজেট বলে। তাই চিত্র-১ পরিচালন বাজেটকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
চিত্র-২-এ ‘ক’ দেশের মোট আয় ৪,৩৫,০০০ কোটি টাকা এবং মোট ব্যয় ৫,১০,২১০ কোটি টাকা।
ঘাটতি কোটি টাকা।
ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি ঘাটতি বাজেট। এর দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:ইতিবাচক দিক:
১. সরকার বেশি ব্যয় করে অবকাঠামো ও উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারে।
২. নতুন প্রকল্প থেকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং উৎপাদন ও আয় বাড়ে।
৩. মন্দা কাটিয়ে অর্থনীতিকে গতিশীল করা যায়।নেতিবাচক দিক:
১. ঘাটতি পূরণে ঋণ নিলে ঋণের বোঝা ও সুদ ব্যয় বাড়ে।
২. ঘাটতি পূরণে অতিরিক্ত মুদ্রা ছাপালে মূল্যস্ফীতি দেখা দেয়।
৩. বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ে।সুতরাং, ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে এই বাজেট উন্নয়নে সহায়ক, কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত হলে ক্ষতিকর।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও