সমাজকর্ম ১ম পত্র • সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা এবং সমাজকর্ম • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০২৬
সমাজকর্ম ১ম পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশে ২০১১২০১১ সালে একটি নীতি প্রণীত হয় যা নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর সমঅধিকার ও সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব প্রদান করে। অপরপক্ষে মানুষের অন্যতম মৌল মানবিক চাহিদা সম্পর্কিত একটি নীতি ২০১০২০১০ সালে প্রণীত হয় যা একটি দেশের জাতীয় উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে কাজ করে।
- ক)(1)
বাংলাদেশে সর্বশেষ শিক্ষানীতি কত সালে প্রণীত হয়?
- খ)(2)
সামাজিক নীতি বলতে কী বুঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত ২০১১২০১১ সালে প্রণীত নীতি বাংলাদেশে বিদ্যমান কোন নীতিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ২০১০২০১০ সালে প্রণীত নীতিটির উল্লেখযোগ্য দিকগুলো চিহ্নিত করে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশে সর্বশেষ শিক্ষানীতি ২০১০ সালে প্রণীত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সামাজিক নীতি হলো এমন কিছু দিকনির্দেশনা, নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা যা সমাজের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ, জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধ ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র বা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণীত ও বাস্তবায়িত হয়। এটি মূলত সামাজিক কল্যাণ এবং সামগ্রিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত ২০১১ সালে প্রণীত নীতিটি বাংলাদেশে বিদ্যমান 'জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১'-কে ইঙ্গিত করে।
বাংলাদেশ সরকার ২০১১ সালে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি অনুমোদন করে। এই নীতির প্রধান লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনের সকল ক্ষেত্রে নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধি করা। উদ্দীপকে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে, ২০১১ সালের নীতিটি নারীর ক্ষমতায়ন, সমঅধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেয়।
সুতরাং, নারীর মর্যাদা রক্ষা, বৈষম্য দূরীকরণ এবং সার্বিক উন্নয়নে অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা দেওয়ায় উদ্দীপকের নীতিটি বাংলাদেশের 'জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১'-এর প্রতিচ্ছবি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ২০১০ সালে প্রণীত নীতিটি হলো 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০', যা দেশের অন্যতম মৌল মানবিক চাহিদা এবং জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. সার্বজনীন ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা: শিক্ষানীতি ২০১০-এ প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ এবং প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার রূপরেখা দেওয়া হয়।
২. মানসম্মত ও যুগোপযোগী কারিকুলাম: বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর যুগের সাথে তাল মিলিয়ে যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম প্রণয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
৩. নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি: শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪. কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা: অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষার ব্যাপক সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে।
৫. বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা: ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকল স্তরের শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি এবং নারী শিক্ষার প্রসারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।পরিশেষে বলা যায়, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী দলিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও