ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩
ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রশ্ন
মি. জসিম অবসর গ্রহণের পর প্রাপ্ত ২৫,০০,০০০ টাকা 'ক' ব্যাংকে ১০ বছরের জন্য জমা রাখার সিদ্ধান্ত নেন। 'ক' ব্যাংক তাকে ১২% হারে, অপরদিকে, 'খ' ব্যাংক ১১.৫% হারে মাসিক চক্রবৃদ্ধিতে সুদ দেবে বলে জানায়।
- ক)(1)
প্রকৃত সুদের হার কী?
- খ)(2)
অর্থের সময়মূল্য জানা প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
মি.জসিম ১০ বছর পর 'ক' ব্যাংক হতে কত টাকা পাবেন?
- ঘ)(4)
মি. জসিমের কোন ব্যাংকে টাকা রাখা অধিক লাভজনক? গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
বছরে একাধিকবার চক্রবৃদ্ধি হলে বছর শেষে যে সুদের হারে মোট সুদ পাওয়া যায়, তাকে প্রকৃত সুদের হার (Effective Interest Rate) বলে।
- খ)
আজকের এক টাকার মূল্য ভবিষ্যতের এক টাকার চেয়ে বেশি, কারণ বর্তমান অর্থ বিনিয়োগ করে সুদ বা মুনাফা আয় করা যায়। এছাড়া মুদ্রাস্ফীতির কারণে ভবিষ্যতে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। তাই অর্থের সময়মূল্য জানা থাকলে বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের সিদ্ধান্ত যাচাই করা যায় এবং বিভিন্ন সময়ের অর্থ তুলনা করা সম্ভব হয়।
- গ)
বার্ষিক ১২% হারে ১০ বছর পর প্রাপ্য অর্থ ঠিক করতে ভবিষ্যৎ মূল্যের সূত্র ব্যবহার করব (ক ব্যাংকে বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি ধরে)।
সূত্র:
এখানে, , ,
(প্রায়)সুতরাং, মি. জসিম ১০ বছর পর 'ক' ব্যাংক থেকে প্রায় ৭৭,৬৪,৬২১ টাকা পাবেন।
- ঘ)
দুই ব্যাংকের প্রকৃত সুদের হার ও ১০ বছর পরের প্রাপ্য অর্থ তুলনা করব।
'ক' ব্যাংক: বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি, তাই প্রকৃত সুদের হার = ১২%। ১০ বছর পর প্রাপ্য = প্রায় ৭৭,৬৪,৬২১ টাকা।
'খ' ব্যাংক: মাসিক সুদের হার = , মোট মাস =
প্রকৃত সুদের হার = বা প্রায় ১২.১৩%
১০ বছর পর প্রাপ্য =
(প্রায়)তুলনা: 'খ' ব্যাংকে প্রাপ্য অর্থ প্রায় ৮৭,৭৪৮ টাকা বেশি।
সুতরাং, 'খ' ব্যাংকের নামমাত্র সুদের হার কম হলেও মাসিক চক্রবৃদ্ধির কারণে প্রকৃত সুদের হার বেশি। তাই মি. জসিমের জন্য 'খ' ব্যাংকে টাকা রাখা অধিক লাভজনক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও