পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৫

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

'A' ও 'B' রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অলংকার ও সম্মানজনক পদে অধিষ্ঠিত। প্রতিষ্ঠানের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ 'A' এর নামে পরিচালিত এবং 'B' ব্যক্তির নিয়োগ দিলেও অন্যান্য উচ্চপদস্থ নিয়োগসহ সকল পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত ৪' এর নির্দেশে হয়।

  1. ক)

    সচিবালয় কী?

    (1)
  2. খ)

    জেলা প্রশাসককে কালেক্টর বলা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    বাংলাদেশে 'A' ব্যক্তি কীভাবে নির্বাচিত হয়? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে 'B' এর পদমর্যাদাসহ কাজের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    সচিবালয় হলো সরকারের নীতিনির্ধারণী ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কেন্দ্র, যেখানে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

  2. খ)

    জেলা প্রশাসক জেলার ভূমি রাজস্ব ও অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায়ের দায়িত্বে থাকেন। তিনি জেলায় ভূমি কর, খাজনা ও সরকারি সম্পত্তি সংক্রান্ত রাজস্ব সংগ্রহ ও তদারকি করেন। রাজস্ব সংগ্রহকারী বা কালেক্টর (Collector) হিসেবে এই ভূমিকার কারণেই জেলা প্রশাসককে কালেক্টর বলা হয়।

  3. গ)

    উদ্দীপকে 'A' রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অলংকার ও সম্মানজনক পদে অধিষ্ঠিত এবং সব শাসনসংক্রান্ত কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়। এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির বৈশিষ্ট্য।

    সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে প্রস্তাবিত ও সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থী একজন হলে তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর। এভাবেই বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'B' হলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি নামমাত্র শাসক হলেও প্রকৃত শাসনক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকে।

    ১. পদমর্যাদা: সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রধান ও সরকারের প্রকৃত প্রধান। রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিয়োগ দেন।
    ২. নিয়োগ ও পরামর্শ: উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিলেও অন্যান্য উচ্চপদস্থ নিয়োগ ও সিদ্ধান্ত 'B'-এর নির্দেশে হয়। বাংলাদেশে প্রধান বিচারপতি ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
    ৩. শাসনবিভাগের প্রকৃত প্রধান: মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত, নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসন পরিচালনা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বেই হয়।

    সুতরাং, 'B' তথা প্রধানমন্ত্রী পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির পরে হলেও কাজের ক্ষেত্রে তিনিই সরকারের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন