পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
সংস্থা | সদর দপ্তর | প্রতিষ্ঠাকাল | সদস্য সংখ্যা
C | ব্রিটেন | ১৯৪৯ | ৫৩
0 | জেদ্দা | ১৯৬৯ | ৫৭
- ক)(1)
বাংলাদেশি শান্তিরক্ষাকারীদের কী বলে অভিহিত করা হয়?
- খ)(2)
জাতিসংঘ কেন অছি পরিষদ গঠন করে?
- গ)(3)
উদ্দীপকের '০' সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"উদ্দীপকের 'C' সংস্থার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ"- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের শান্তির দূত বলা হয়।
- খ)
যেসব অঞ্চল স্বশাসনের অধিকার পায়নি, সেগুলোর শাসনভার ও উন্নয়ন তত্ত্বাবধান করার জন্য জাতিসংঘ অছি পরিষদ গঠন করে। এর উদ্দেশ্য হলো এসব অঞ্চলের জনগণকে স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করা এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা।
- গ)
ছকের তথ্য অনুযায়ী (সদর দপ্তর জেদ্দা, প্রতিষ্ঠা ১৯৬৯, সদস্য ৫৭) '০' সংস্থাটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC)। এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো:
১. সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ইসলামি সংহতি ও সহযোগিতা জোরদার করা।
২. অর্থনীতি, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও সামাজিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো।
৩. বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় ভূমিকা রাখা।
৪. ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সমর্থন দেওয়া।
৫. বর্ণবৈষম্য ও ঔপনিবেশিকতার বিরোধিতা করা।সুতরাং, ইসলামি ভ্রাতৃত্ব ও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থ রক্ষা এর মূল লক্ষ্য।
- ঘ)
ছকের তথ্য অনুযায়ী (সদর দপ্তর ব্রিটেন, প্রতিষ্ঠা ১৯৪৯, সদস্য ৫৩) 'C' সংস্থাটি কমনওয়েলথ। বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এর সদস্যপদ লাভ করে। সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণ:
১. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: কমনওয়েলথ বৃত্তি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপকৃত হয়।
২. অর্থনৈতিক সহযোগিতা: সদস্য দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহায়তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে।
৩. আন্তর্জাতিক মঞ্চ: কমনওয়েলথের সম্মেলনে বাংলাদেশ নিজের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ পায়।
৪. গণতন্ত্র ও সুশাসন: সংস্থাটি সদস্য রাষ্ট্রে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে, যা বাংলাদেশের জন্য সহায়ক।সুতরাং, কমনওয়েলথের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও