ভূগোল এবং পরিবেশ • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩

ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন

  1. ক)

    বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    পশ্চিমা বায়ু বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    'চিত্র-১' এ প্রদর্শিত বৃষ্টিপাত কোন ধরনের বৃষ্টিপাত? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    'চিত্র-২' এ নির্দেশিত বৃষ্টিপাত বাংলাদেশে। সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    পৃথিবীকে ঘিরে থাকা গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে।

  2. খ)

    পশ্চিমা বায়ু হলো উপক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় (প্রায় ৩০°-৩৫° অক্ষাংশ) থেকে মেরু অঞ্চলের নিম্নচাপ বলয় (প্রায় ৬০°-৬৫° অক্ষাংশ)-এর দিকে প্রবাহিত স্থায়ী বায়ু। পৃথিবীর আবর্তনের প্রভাবে এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিম এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। পশ্চিম দিক থেকে আসে বলে একে পশ্চিমা বায়ু বলে।

  3. গ)

    'চিত্র-১'-এ প্রদর্শিত বৃষ্টিপাত পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rainfall)।

    সূর্যতাপে ভূভাগ ও সমুদ্রের পানি উত্তপ্ত হয়ে জলীয় বাষ্প তৈরি করে। উষ্ণ ও হালকা বায়ু বাষ্পসহ খাড়াভাবে ওপরে উঠে যায়। ওপরে গিয়ে ঠান্ডা হয়ে বাষ্প ঘনীভূত হয় এবং মেঘ তৈরি করে। এই মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়। চিত্রে বায়ুর ওপরে ওঠার তীর ও ভূভাগের ওপর বৃষ্টির দৃশ্য এ প্রক্রিয়াই নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    'চিত্র-২'-এ প্রদর্শিত বৃষ্টিপাত পর্বতীয় বৃষ্টি, যেখানে আর্দ্র বায়ু পাহাড়ের গায়ে বাধা পেয়ে ওপরে ওঠে এবং বৃষ্টি হয়। এ ধরনের বৃষ্টি বাংলাদেশে সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    ১. মৌসুমি বায়ু: বর্ষাকালে বঙ্গোপসাগর থেকে আসা আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের পাহাড়ে বাধা পায়।
    ২. পাহাড়ের অবস্থান: সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় থাকায় বায়ু ওপরে উঠে ঠান্ডা হয় এবং প্রচুর বৃষ্টি দেয়।
    ৩. প্রমাণ: এসব অঞ্চলে দেশের অন্য অঞ্চলের চেয়ে বৃষ্টিপাত বেশি হয়।

    সুতরাং, ভূপ্রকৃতি ও মৌসুমি বায়ুর কারণে বাংলাদেশে পর্বতীয় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন