বাংলা ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

3.

(ক) বিশেষ্য কাকে বলে? উদাহরণসহ বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ দেখাও।অথবা,(খ) নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ লেখ:সকালে মা ঘুমন্ত শিশুকে জাগিয়ে গরম দুধ খাওয়ালেন। এরপর আড়াই বছরের অবুঝ শিশুটিকে নিয়ে বাগানে লাল লাল ফুল দেখালেন। সদ্য প্রস্ফুটিত ফুলগুলো ছিল চমৎকার। ঝকঝকে রোদে পরিবেশও ছিল সুখকর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-তৈরি নমুনা উত্তর

(ক) এর উত্তর:

বিশেষ্যের সংজ্ঞা:
যেসব শব্দ বা পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য (Noun) পদ বলে। যেমন: নজরুল, মানুষ, ঢাকা, দয়া ইত্যাদি।

বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ:
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বিশেষ্য পদকে সাধারণত ছয় ভাগে ভাগ করা যায়:
১. সংজ্ঞাবাচক বা নামবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, ভৌগোলিক স্থান, দেশ, নদী, পর্বত বা গ্রন্থের নাম বোঝায়, তাকে সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: রবীন্দ্রনাথ, হিমালয়, পদ্মা, গীতাঞ্জলি।
২. জাতিবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: মানুষ, পাখি, নদী, গাছ।
৩. বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো উপাদানবাচক বস্তু বা দ্রব্যের নাম বোঝায়, যা গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ করা যায়, তাকে বস্তুবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: চাল, লবণ, পানি, সোনা।
৪. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়, তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: সভা, জনতা, সমিতি, দল।
৫. ভাববাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: গমন, দর্শন, ভোজন, শয়ন।
৬. গুণবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম প্রকাশ পায়, তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: মধুরতা, দয়া, সততা, তারুণ্য।

অথবা,

(খ) এর উত্তর:
প্রদত্ত অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ নির্ণয় করা হলো:
১. ঘুমন্ত (অবস্থাবাচক বিশেষণ)
২. গরম (গুণবাচক বিশেষণ)
৩. অবুঝ (গুণবাচক বিশেষণ)
৪. চমৎকার (গুণবাচক বিশেষণ)
৫. সুখকর (গুণবাচক বিশেষণ)
[অতিরিক্ত: লাল লাল, সদ্য প্রস্ফুটিত, ঝকঝকে]

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন