বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা কী?
- খ)(2)
পোড়ামাটি নীতি' কী? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
'?' চিহ্নিত স্থানটি আমাদের জাতীয় কোন বিষয়কে নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উপ্ত বিষয়টি সমগ্র জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার সুস্পষ্ট প্রতিফলন ঘটিয়েছে- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা 'সবার প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়'।
- খ)
মুক্তিযুদ্ধের সময় পরাজয় আসন্ন বুঝে পাকিস্তানি বাহিনী পশ্চাদপসরণের সময় যেখানে সম্ভব সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়ার যে নীতি গ্রহণ করে, তাকে পোড়ামাটি নীতি বলা হয়। তারা ঘরবাড়ি, ফসল, সেতু, কলকারখানা ও যোগাযোগব্যবস্থা পুড়িয়ে বা ধ্বংস করে দেয়। এর উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে রাখা।
- গ)
'?' চিহ্নিত স্থানটি আমাদের জাতীয় সংবিধানকে নির্দেশ করছে।
উদ্দীপকে ১৯৭২ সালের ২৩শে মার্চ, ১১ই অক্টোবর, ৪ঠা নভেম্বর ও ১৬ই ডিসেম্বর— এই তারিখগুলো সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ। ১৯৭২ সালে গণপরিষদ আদেশের মাধ্যমে সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়, ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ই ডিসেম্বর তা কার্যকর হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের এই সর্বোচ্চ আইনই সংবিধান।
- ঘ)
উক্ত বিষয়টি অর্থাৎ ১৯৭২ সালের সংবিধান সমগ্র জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার সুস্পষ্ট প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
১. মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা— এই চার মূলনীতির মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জনগণের স্বপ্ন প্রতিফলিত হয়েছে।
২. মৌলিক অধিকার: সংবিধানে নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, যা বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের আকাঙ্ক্ষা।
৩. জনগণের ক্ষমতা: সব ক্ষমতার মালিক জনগণ— এই নীতি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশাকে প্রকাশ করেছে।সুতরাং, সংবিধান জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষারই সুস্পষ্ট প্রতিফলন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও